নিজস্ব প্রতিবেদক
আবারও ফুঁসে উঠেছে কুতুবদিয়াপাড়া সমিতিপাড়ারসহ ১৬টি মহল্লার ৪০হাজার মানুষ। ওই এলাকার বসবাসরত ৬৮২ একর জায়গা সিভিল এভিয়েশনকে প্রদানের প্রক্রিয়ার
প্রতিবাদে সমিতিপাড়া উপকূলীয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন মাঠে গতকাল বিকাল ৩টায় আন্দেলনের ১ম কর্মসূচী হিসাবে সমাবেশ করেছে তারা। প্রবল বর্ষণ উপেক্ষা করে হাজার হাজার নারী পুরুষের উপস্থিতিতে তাদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে এ সমাবেশ করে। তাদের একটাই দাবী জীবন দিয়ে হলেও তারা মাথা গোজার ঠাঁই রক্ষা করবে। শহর আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী সদস্য নুর হোসেনের সভাপতিত্বে জসিম উদ্দিন ও মোঃ শহিদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতি উপদেষ্টা ও সমিতিপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। প্রধান অতিথির তার বক্তব্যে বলেন-আজ এখানে আমারা সরকার বিরোধী আন্দোলনের জন্য সমবেত হয়নি। আমাদের দাবী খুবই ন্যায্য। অট্টালিকা নয়, গাড়ী নয়, মাথা গোঁজার ঠাই বাঁচাতে আমারা সমবেত হয়েছি। উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন করে বলেন, আপনারা কি আপনাদের বাড়ী ঘর ছেড়ে যাবেন? উত্তরে সকলে এক বাক্যে উত্তেজিত স্বরে বলেন, “না’। এরপর তিনি ১দফা আন্দেলন ঘোষনা করেন। আন্দোলনের মধ্যে রয়েছে-আগামী ১৫এপ্রিল থেকে পৌর ১নং ওয়ার্ডের সর্বত্রে কালো পতাকা উত্তোলন, জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান এবং একই দিন দুপুর ২টায় কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন। ১৫ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মহল্লা মহল্লায় বিক্ষোভ। ২০ এপ্রিল ওই এলাকার সকল মসজিদে দোয়া কামনা। ২৯এপ্রিল কক্সবাজার পাবলিক হল মাঠে বিশাল জনসভা। সভায় অপরাপর বক্তারা বলেন, জানা যায়, কক্সবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কুতুবদিয়াপাড়া, সমিতিপাড়া, বন্দরপাড়া, ফদনার ডেইল, নাজিরারটেক এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ৮টি সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ১৬টি মহল্লার নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে সমাবেশে আজ কঠিন কর্মসূচীর ঘোষনা আসতে পারে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পৌর ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসআইএম আকতার কামাল আযাদ, পৌর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আতিক উল্লাহ কোম্পানী, উপকুলীয় বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ বেলাল উদ্দিন, কুতুবদিয়াপাড়া মহিউসুন্নাহ দাখির মাদ্রাসার সেক্রেটারী মকছুদুল হক, ফদনার ডেইল দারুসু ন্নাহ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মৌ. জাহেদুর রহমান, কুতুবদিয়া ভূমিহীন সমবায় সমিতির সভাপতি আলতাফ হোসেন, নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতির সভাপতি শাহাদাত উল্লাহ ও সম্পাদক খালদ বিন জাহেদ, সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম বাদশা, এলজি এসপির মিডিয়া ভিজিটর রেজাউল হক বোরহান, শাহাদাত হোসেন মুন্না, আলতাফ হোসেন, পৌর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার আলম, মাষ্টার ইউসুফ, নুর উদ্দিন খাঁন কোম্পানী, শেখ শহিদুর ইসলাম বাবুল, ওমর ফারুক বাদশা, ফুটবলার সিরাজুল করিম, আবদুল মন্নান, শফি আলম, মৌ এহসানুল কবির, মোঃ শফিক, আবদুল আজিজ রুবেল, নজরুল ইসলাম, মোস্তাক আহমদ, নুর হোসেন, আবদুল জলিল জলু, আবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম, আবুল কালাম, নুরুল আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বৃহত্তর কুতুবদিয়া পাড়া, সমিতি পাড়া, ফদনার ডেইল, বন্দর পাড়া, নাজিরারটেকের বসবাসরত জায়গা ১নং ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ ৬৮২ একর জমি ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক সিভিল এভিয়েশনকে প্রদান করা হয়েছে মর্মে খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রবল বর্ষনেও নেতৃবৃন্দ উক্ত সভা আহবান করেছিল। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ১নং ওয়ার্ডে বসবাসকারী ১৬টি মহল্লার মানুষ যখন পর্যটন মন্ত্রী ফারুক খান, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মোশতাক আহমদের চৌধুরীর সাম্প্রতিক আশ্বাসে নিশ্চিত হয়ে বিমান বন্দরের জন্য যৌক্তিক জায়গা ছেড়ে দিয়ে একই এলাকায় স্থায়ী আবাসনের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক সেই মুহুর্তে এ রকম সংবাদ এলাকার মানুষের জন্য একটি ঘূণিঝড় ছাড়া আর কিছুই নয়। বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর সাম্প্রতিক কক্সবাজার সফরকালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কক্সবাজারবাসীকে আশ্বস্থ করে বলেছিলেন, আমরা এলাকার জনগণকে উচ্ছেদ করে বিমান বন্দর করব না, জনগণকে রেখেই বিমান বন্দরের কাজ শুরু হবে। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সেদিন সমিতি পাড়া মাঠে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত হলে তার নির্দেশে সে দিন কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মোশতাক আহমদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতা এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী সমিতিপাড়া মাঠে এসে বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষারত হাজার হাজার মানুষকে আশ্বস্থ করে পর্যটন মন্ত্রীর বার্তা তাদেরকে জানিয়ে বলেন, বিমান বন্দরের জন্য যৌক্তিক জায়গা নিয়ে বাকি জায়গায় ওই এলাকায় মানুষকে স্থায়ীভাবে পূনর্বাসন করা হবে। কিন্তু আজ ঘটছে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। এ ব্যাপারে কুতুবদিয়া ভূমিহীন সমবায় সমিতির সভাপতি আলতাফ হোসেন বলেন, ফদনার ডেইলে যেখানে তারা বর্তমানে বসবাস করছেন সেখানেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য আদালতের আদেশ রয়েছে। আদালতের এ রায় উপেক্ষা করে জমি অন্য কাউকে বন্দোবস্তি দেওয়া সুস্পষ্ট আদালত অবমাননা। নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য সরকারের ভেতর লুকিয়ে থাকা বর্ণচোরারা প্রধানমন্ত্রীর পুনর্বাসনের আশ্বাস পর্যটন মন্ত্রীর ঘোষণা, জেলায় শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের ঘোষণা এবং আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে এই এলাকার জমি সিভিল এভিয়েশনকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হঠকারিতামূলক এবং উস্কানিমূলক। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাগণ সংবিধানে বর্ণিত বাসস্থানের অধিকারের বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে এবং সরকারের অংশ বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বসবাসরত মানুষের সম্পূর্ণ জমি সিভিল এভিয়েশনকে প্রদান করে সংবিধান লংঘন করেছেন এবং আদালত অবমাননা করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। সংবিধানে বর্ণিত আছে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এই জনগণের অংশ কুতুবদিয়াপাড়া সমিতিপাড়াবাসী তাদের বাসস্থানের দাবি আদায়ে জনগণের ক্ষমতার প্রয়োগ করতে দ্বিধা করবে না বলে নেতৃবৃন্দ জানান। তারা বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য ২৫ পরিবারকে কুতুবদিয়া পাড়ায় পুনর্বাসনে তাদের সহযোগিতা এখন মূল্যহীন হয়ে পড়ল। তারা বলেন, নিতান্ত বাধ্য হয়েই তারা তাদের বাসস্থানের দাবী বাস্তবায়নের জন্য আইনী এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে তারা কর্মসূচী ঘোষনা করে। উক্ত কর্মসূচীতে সকলকে অংশ গ্রহন করার জন্য আহবান জানান।
আবারও ফুঁসে উঠেছে কুতুবদিয়াপাড়া সমিতিপাড়ারসহ ১৬টি মহল্লার ৪০হাজার মানুষ। ওই এলাকার বসবাসরত ৬৮২ একর জায়গা সিভিল এভিয়েশনকে প্রদানের প্রক্রিয়ার
প্রতিবাদে সমিতিপাড়া উপকূলীয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন মাঠে গতকাল বিকাল ৩টায় আন্দেলনের ১ম কর্মসূচী হিসাবে সমাবেশ করেছে তারা। প্রবল বর্ষণ উপেক্ষা করে হাজার হাজার নারী পুরুষের উপস্থিতিতে তাদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে এ সমাবেশ করে। তাদের একটাই দাবী জীবন দিয়ে হলেও তারা মাথা গোজার ঠাঁই রক্ষা করবে। শহর আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী সদস্য নুর হোসেনের সভাপতিত্বে জসিম উদ্দিন ও মোঃ শহিদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতি উপদেষ্টা ও সমিতিপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। প্রধান অতিথির তার বক্তব্যে বলেন-আজ এখানে আমারা সরকার বিরোধী আন্দোলনের জন্য সমবেত হয়নি। আমাদের দাবী খুবই ন্যায্য। অট্টালিকা নয়, গাড়ী নয়, মাথা গোঁজার ঠাই বাঁচাতে আমারা সমবেত হয়েছি। উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন করে বলেন, আপনারা কি আপনাদের বাড়ী ঘর ছেড়ে যাবেন? উত্তরে সকলে এক বাক্যে উত্তেজিত স্বরে বলেন, “না’। এরপর তিনি ১দফা আন্দেলন ঘোষনা করেন। আন্দোলনের মধ্যে রয়েছে-আগামী ১৫এপ্রিল থেকে পৌর ১নং ওয়ার্ডের সর্বত্রে কালো পতাকা উত্তোলন, জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান এবং একই দিন দুপুর ২টায় কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন। ১৫ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মহল্লা মহল্লায় বিক্ষোভ। ২০ এপ্রিল ওই এলাকার সকল মসজিদে দোয়া কামনা। ২৯এপ্রিল কক্সবাজার পাবলিক হল মাঠে বিশাল জনসভা। সভায় অপরাপর বক্তারা বলেন, জানা যায়, কক্সবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কুতুবদিয়াপাড়া, সমিতিপাড়া, বন্দরপাড়া, ফদনার ডেইল, নাজিরারটেক এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ৮টি সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ১৬টি মহল্লার নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে সমাবেশে আজ কঠিন কর্মসূচীর ঘোষনা আসতে পারে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পৌর ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসআইএম আকতার কামাল আযাদ, পৌর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আতিক উল্লাহ কোম্পানী, উপকুলীয় বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ বেলাল উদ্দিন, কুতুবদিয়াপাড়া মহিউসুন্নাহ দাখির মাদ্রাসার সেক্রেটারী মকছুদুল হক, ফদনার ডেইল দারুসু ন্নাহ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মৌ. জাহেদুর রহমান, কুতুবদিয়া ভূমিহীন সমবায় সমিতির সভাপতি আলতাফ হোসেন, নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতির সভাপতি শাহাদাত উল্লাহ ও সম্পাদক খালদ বিন জাহেদ, সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম বাদশা, এলজি এসপির মিডিয়া ভিজিটর রেজাউল হক বোরহান, শাহাদাত হোসেন মুন্না, আলতাফ হোসেন, পৌর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার আলম, মাষ্টার ইউসুফ, নুর উদ্দিন খাঁন কোম্পানী, শেখ শহিদুর ইসলাম বাবুল, ওমর ফারুক বাদশা, ফুটবলার সিরাজুল করিম, আবদুল মন্নান, শফি আলম, মৌ এহসানুল কবির, মোঃ শফিক, আবদুল আজিজ রুবেল, নজরুল ইসলাম, মোস্তাক আহমদ, নুর হোসেন, আবদুল জলিল জলু, আবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম, আবুল কালাম, নুরুল আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বৃহত্তর কুতুবদিয়া পাড়া, সমিতি পাড়া, ফদনার ডেইল, বন্দর পাড়া, নাজিরারটেকের বসবাসরত জায়গা ১নং ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ ৬৮২ একর জমি ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক সিভিল এভিয়েশনকে প্রদান করা হয়েছে মর্মে খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রবল বর্ষনেও নেতৃবৃন্দ উক্ত সভা আহবান করেছিল। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ১নং ওয়ার্ডে বসবাসকারী ১৬টি মহল্লার মানুষ যখন পর্যটন মন্ত্রী ফারুক খান, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মোশতাক আহমদের চৌধুরীর সাম্প্রতিক আশ্বাসে নিশ্চিত হয়ে বিমান বন্দরের জন্য যৌক্তিক জায়গা ছেড়ে দিয়ে একই এলাকায় স্থায়ী আবাসনের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক সেই মুহুর্তে এ রকম সংবাদ এলাকার মানুষের জন্য একটি ঘূণিঝড় ছাড়া আর কিছুই নয়। বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর সাম্প্রতিক কক্সবাজার সফরকালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কক্সবাজারবাসীকে আশ্বস্থ করে বলেছিলেন, আমরা এলাকার জনগণকে উচ্ছেদ করে বিমান বন্দর করব না, জনগণকে রেখেই বিমান বন্দরের কাজ শুরু হবে। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সেদিন সমিতি পাড়া মাঠে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত হলে তার নির্দেশে সে দিন কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মোশতাক আহমদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতা এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী সমিতিপাড়া মাঠে এসে বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষারত হাজার হাজার মানুষকে আশ্বস্থ করে পর্যটন মন্ত্রীর বার্তা তাদেরকে জানিয়ে বলেন, বিমান বন্দরের জন্য যৌক্তিক জায়গা নিয়ে বাকি জায়গায় ওই এলাকায় মানুষকে স্থায়ীভাবে পূনর্বাসন করা হবে। কিন্তু আজ ঘটছে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। এ ব্যাপারে কুতুবদিয়া ভূমিহীন সমবায় সমিতির সভাপতি আলতাফ হোসেন বলেন, ফদনার ডেইলে যেখানে তারা বর্তমানে বসবাস করছেন সেখানেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য আদালতের আদেশ রয়েছে। আদালতের এ রায় উপেক্ষা করে জমি অন্য কাউকে বন্দোবস্তি দেওয়া সুস্পষ্ট আদালত অবমাননা। নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য সরকারের ভেতর লুকিয়ে থাকা বর্ণচোরারা প্রধানমন্ত্রীর পুনর্বাসনের আশ্বাস পর্যটন মন্ত্রীর ঘোষণা, জেলায় শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের ঘোষণা এবং আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে এই এলাকার জমি সিভিল এভিয়েশনকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হঠকারিতামূলক এবং উস্কানিমূলক। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাগণ সংবিধানে বর্ণিত বাসস্থানের অধিকারের বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে এবং সরকারের অংশ বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বসবাসরত মানুষের সম্পূর্ণ জমি সিভিল এভিয়েশনকে প্রদান করে সংবিধান লংঘন করেছেন এবং আদালত অবমাননা করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। সংবিধানে বর্ণিত আছে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এই জনগণের অংশ কুতুবদিয়াপাড়া সমিতিপাড়াবাসী তাদের বাসস্থানের দাবি আদায়ে জনগণের ক্ষমতার প্রয়োগ করতে দ্বিধা করবে না বলে নেতৃবৃন্দ জানান। তারা বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য ২৫ পরিবারকে কুতুবদিয়া পাড়ায় পুনর্বাসনে তাদের সহযোগিতা এখন মূল্যহীন হয়ে পড়ল। তারা বলেন, নিতান্ত বাধ্য হয়েই তারা তাদের বাসস্থানের দাবী বাস্তবায়নের জন্য আইনী এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে তারা কর্মসূচী ঘোষনা করে। উক্ত কর্মসূচীতে সকলকে অংশ গ্রহন করার জন্য আহবান জানান।

0 Comments