এম এইচ আরমান চৌধুরী, চকরিয়া :
চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী আবুল মনসুরের বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে ভূক্তভোগীরা ভূমি মন্ত্রণালয় ও চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে পৃথক পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন। ৩১ মার্চ বিকেলে ভূক্তভোগি কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুত সমিতির পরিচালক চকরিয়া উপজেলার শাহারবিলের মোঃ শাহ আলম এক সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত দাবী করেছেন।
কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুত সমিতির পরিচালক চকরিয়া উপজেলার শাহার বিল ইউনিয়নের চোয়ারফাঁড়ির মোঃ শাহ আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী আবুল মনসুর তার কাছ কিছু জমির দুইটি খতিয়ান সৃজন করে দেয়ার কথা বলে ৯৫ হাজার টাকা নেন। কিন্তু আবুল মনসুর তার কাছ থেকে আরো অতিরিক্ত টাকা দাবী করে না পাওয়ায় খতিয়ান সৃজনের সময় অন্য মালিকের জমির খনিয়ান ও ভুয়া দাগ অন্তর্ভূক্ত করে তাকে ঝামেলায় ফেলে দেয়। এ ঘটনায় মোঃ শাহ আলম তার এই দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবরে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। ভূমি মন্ত্রণালয় হতে বিষয়টি তদন্ত করে অবহিত করার জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একইভাবে চকরিয়া জেলার হারবাং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আলমসহ আরো ১০ ব্যক্তি একই আবেদনে স্বাক্ষর করে ওই ইউনিয়ন ভূমি সহকারীর বিরুদ্ধে খতিয়ান সৃজনের সময় ১০ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত টাকা করে নেয়ার অভিযোগ আনে। এসব দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগটি গত ৭ মার্চ চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত ভাবে পাঠানো হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছেও তারা আরো একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগকারীরা জানান, ভূমি সহকারী আবুল মনসুর এল.আর স্টেটমেন্ট গোপন করে টাকা আদায়, খাজনার টাকা বেশী আদায় করে নিজের পকেটস্থ করা, তাছাড়া চিংড়ি জোন এলাকায় তার মাধ্যমে যতো চিংড়ি প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠানে হয়েছে তাতে প্রতি একরে ১ হাজার টাকা করে আদায় করার অভিযোগ আনে। সংবাদ সম্মেলনে মোঃ শাহা আলম পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী আবুল মনসুরের বিরুদ্ধে এসব দূর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবী জানিয়েছেন।

0 Comments