মোর্শেদুর রহমান খোকন
সদর উপজেলার চৌফলদন্ডীতে শিশু হত্যা মামলার আসামীরা বাদীকে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দিয়ে হয়রানির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পলাতক আসামীরা
কৌশলে অপর এক শিশুকে কথিত অপহরন করা হয়েছে দাবি করে আদালতে সাজানো পাল্টা মামলা দিয়ে শিশু হত্যার বাদী ও তার আত্বীয় স্বজনকে জড়িয়ে দিয়ে পুলিশি হয়রানি করার চেষ্টা করছে বলে অবিযোগে দাবি করা হয়।
প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ চৌফলদন্ডী ঘোনারপাড়ার ফরিদুল আলমের সাথে একই এলাকার আব্দুল মালেক ও ডা: স্বপন গংদেরসাথে র্দীঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্রধরে তারা গত ১৫ মার্চ ফরিদুল আলমের শিশুপুত্র মোঃ আরিফ (৯) কে অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরদিন ১৬ মার্চ স্থানীয় কবরস্থানে অপহৃত শিশু আরিফকে মৃত অবস্থায় দেখা গেলে সদর মডেল থানায় খবর দেয়া হয়। পরে ঐদিন পুলিশ শিশু আরিফের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে আসে। এঘটনায় খুন হওয়া আরিফের পিতা ফরিদুল আলম বাদী হয়ে মুজিবুর রহমান প্রকাশ ডা: স্বপনসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মডেল থানায় হত্যা মাামলা দায়ের করেন। মামলা নং জি আর ২০৬ ও থানা মামলা নং ৪৯ তারিখ ১৬ মার্চ। এ মামলায় পুলিশ অভিযুক্ত ও এজাহারভুক্ত ২নং আসামী রফিকুল ইসলাম ও ৩নং আসামী আল আমীনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করে। এ মামলায় পলাতক আসামী মুজিবুর রহমান প্রকাশ ডা: স্বপনের স্ত্রী রেহেনা বেগমকে কথিত অপর এক শিশু অপহরন হয়েছে মর্মে দাবি করে গত ২০ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে সি পি ৩৪৭/১২ নং একটি ফৌজদারী দরখাস্ত দায়ের করেছে। উক্ত দরখাস্তে খুন হওয়া শিশু আরিফের পিতা ফরিদুল আলম ও তার আত্বীয় স্বজনদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।
উক্ত মামলা বর্তমানে ঈদগাও পুলিশ ফাঁড়ীর দারোগা সিকান্দরের কাছে তদন্তাধীন রয়েছে। শিশু হত্যা মামলার বাদী ফরিদ অভিযোগে জানান, তারপুত্র হত্যা মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ও তাদেরকে নানভাবে হয়রানী করতে আদালতে বারে বারে মামলা দায়ের করছে। এর আগেও ৪নং সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালত ষড়যন্ত্রকারী অভিযুক্ত শিশু হত্যা মামলার আসামীদের ফৌজদারী একটি দরখাস্ত গ্রহন করেনি। বর্তমানে শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে গ্রহন করা দরখাস্তটি বিন্দুমাত্র সত্য না হওয়া সত্বেও তা সত্য বলে রির্পোট নিতে তদন্ত কর্মকর্তা সিকান্দরকে বর্শিভুত করার চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

0 Comments