আকতার হোছাইন কুতুবী
‘আজ নতুন রতনে ভূষণে যতনে/প্রকৃতি সতীরে সাজিয়ে দাও’। নব আলোর নতুন প্রভাত আজ শুধু প্রকৃতিকে সাজাবে না। সাজিয়ে দেবে সকলের মন ও মননের আঙ্গিনা।
নতুন আলোর ঝর্ণাধারায় শুরু হবে আগামীর পথচলা। জরা-জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে সবাই বরণ করে নেবে নতুন বছরকে। কণ্ঠ ছেড়ে গাইবে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’। স্বাগত-১৪১৯। শুভ নববর্ষ। বাংলা বছরকে বরণ করে নিতে গোটা জাতি অপেক্ষা করে থাকে দিনের পর দিন। প্রতীক্ষার অবসান শেষে আজ হৃদয়ের সবটুকু উষ্ণতা দিয়ে বরণ করবে বৈশাখকে। বছরের প্রথম দিনে পূবের আকাশে সূর্য উঁকি দিতেই কথা আর সুরে সুরে ধ্বনিত হবে গোটা জাতির মঙ্গলবার্তা। আর এই মঙ্গলালোকে স্নাত হতে বাঁধভাঙা জোয়ারে মানুষ আছড়ে পড়বে শহর-বন্দরসহ প্রতিটি জনপদে। গোটা রাজধানী জুড়ে সৃষ্টি হবে এক অভাবনীয় দৃশ্যের। সকালে রমনার বটমূলে ছায়ানটের সুর ধ্বনিতে মানুষের যে অংশগ্রহণ দিনমান এমনই ব্যস্ততা থাকবে সবখানে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির সবচেয়ে বড় সার্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক এ উৎসবের আনন্দে মাতোয়ারা এখন পুরো দেশ। হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত সমৃদ্ধ এ সংস্কৃতির চেতনা বিকশিত বাঙালির দেহ-মনে। বসনে-ভূষণে বৈশাখকে ধারণ করে বাঙালি আজ মেতে উঠবে প্রাণের জোয়ারে। বাঙালির ঘরে ঘরে নানা আচার-আয়োজনে থাকবে নববর্ষের নানা আয়োজন। সে সঙ্গে পান্তা ইলিশ, মুড়ি-মুড়কি, খই আর ম-া-মিঠাই বাতাসার স্বাদ গ্রহণের হিড়িক।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া পৃথক পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। রেডিও-টেলিভিশনে থাকছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠানমালা। এসব আয়োজনে সকাল থেকে
রাত অবধি মানুষ মেতে থাকবে প্রাণের উচ্ছ্বাসে। আর নতুন দিনে ব্যবসায়ীদের হালখাতার রয়েছে আলাদা গুরুত্ব। পুরোনো বছরের সকল দায়-দেনা পরিশোধ করে মিষ্টি মুখ করার রেওয়াজ বহু দিনের। এসব মিলে পুরো দেশে এখন বইছে নববর্ষের উৎসবের আমেজ। প্রাণে প্রাণে শুধুই নববর্ষ।
রাজধানীতে নববর্ষের প্রথম আয়োজন হবে রমনার বটমূলে। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট ভোরের রাগের আলাপ দিয়ে শুরু করবে বর্ষবন্দনা। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজন রয়েছে গোটা রাজধানী জুড়ে।
‘আজ নতুন রতনে ভূষণে যতনে/প্রকৃতি সতীরে সাজিয়ে দাও’। নব আলোর নতুন প্রভাত আজ শুধু প্রকৃতিকে সাজাবে না। সাজিয়ে দেবে সকলের মন ও মননের আঙ্গিনা।
নতুন আলোর ঝর্ণাধারায় শুরু হবে আগামীর পথচলা। জরা-জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে সবাই বরণ করে নেবে নতুন বছরকে। কণ্ঠ ছেড়ে গাইবে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’। স্বাগত-১৪১৯। শুভ নববর্ষ। বাংলা বছরকে বরণ করে নিতে গোটা জাতি অপেক্ষা করে থাকে দিনের পর দিন। প্রতীক্ষার অবসান শেষে আজ হৃদয়ের সবটুকু উষ্ণতা দিয়ে বরণ করবে বৈশাখকে। বছরের প্রথম দিনে পূবের আকাশে সূর্য উঁকি দিতেই কথা আর সুরে সুরে ধ্বনিত হবে গোটা জাতির মঙ্গলবার্তা। আর এই মঙ্গলালোকে স্নাত হতে বাঁধভাঙা জোয়ারে মানুষ আছড়ে পড়বে শহর-বন্দরসহ প্রতিটি জনপদে। গোটা রাজধানী জুড়ে সৃষ্টি হবে এক অভাবনীয় দৃশ্যের। সকালে রমনার বটমূলে ছায়ানটের সুর ধ্বনিতে মানুষের যে অংশগ্রহণ দিনমান এমনই ব্যস্ততা থাকবে সবখানে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির সবচেয়ে বড় সার্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক এ উৎসবের আনন্দে মাতোয়ারা এখন পুরো দেশ। হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত সমৃদ্ধ এ সংস্কৃতির চেতনা বিকশিত বাঙালির দেহ-মনে। বসনে-ভূষণে বৈশাখকে ধারণ করে বাঙালি আজ মেতে উঠবে প্রাণের জোয়ারে। বাঙালির ঘরে ঘরে নানা আচার-আয়োজনে থাকবে নববর্ষের নানা আয়োজন। সে সঙ্গে পান্তা ইলিশ, মুড়ি-মুড়কি, খই আর ম-া-মিঠাই বাতাসার স্বাদ গ্রহণের হিড়িক।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া পৃথক পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। রেডিও-টেলিভিশনে থাকছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠানমালা। এসব আয়োজনে সকাল থেকে
রাত অবধি মানুষ মেতে থাকবে প্রাণের উচ্ছ্বাসে। আর নতুন দিনে ব্যবসায়ীদের হালখাতার রয়েছে আলাদা গুরুত্ব। পুরোনো বছরের সকল দায়-দেনা পরিশোধ করে মিষ্টি মুখ করার রেওয়াজ বহু দিনের। এসব মিলে পুরো দেশে এখন বইছে নববর্ষের উৎসবের আমেজ। প্রাণে প্রাণে শুধুই নববর্ষ।
রাজধানীতে নববর্ষের প্রথম আয়োজন হবে রমনার বটমূলে। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট ভোরের রাগের আলাপ দিয়ে শুরু করবে বর্ষবন্দনা। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজন রয়েছে গোটা রাজধানী জুড়ে।


0 Comments