Advertisement

খুটাখালীতে স্ত্রীকে অনৈতিক কাজে বাধা দেয়ায় স্বামী ঘর ছাড়া


স্টাফ রিপোর্টার, ঈদগা
কক্সবাজারের খুটাখালীতে স্ত্রীকে অনৈতিক কাজে বাঁধা দেওয়ায় স্বামীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হায়রানী ও ঘরছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের দক্ষিণ মেধাকচ্ছপিয়ায়
এ ঘটনা ঘটেছে। প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ, খুটাখালী মেধা কচ্ছপিয়া মৃত বজল আহমদের পুত্র সেলিম উল্লাহ ১৯৮৭সালে শরীয়ত সম্মত ভাবে কামরুন নাহারকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে ৩টি ছেলে ও ১টি মেয়ে হয়। সংসারের সুখের আশায় বিগত ৯বছর পূর্বে সৌদি আরব পাড়ি জমায়। এ সুযোগে স্ত্রী কামরুন নাহার এলাকায় খারাপ লোকদের সাথে উঠাবসা ও পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। আত্মীয় স্বজনের মধ্য থেকে এ খবর সেলিম উল্লাহ শুনতে পেয়ে সৌদি ভিসা নষ্ট করে দেশে ফেরত আসে। ঘরে এসে স্ত্রীর বেপরোয়া চাল চলন তার সন্দেহ হলে তাকে বার বার নিষেধ করে। এ নিয়ে প্রতিদিন সংসারে বাক বিতন্ডা ও কথা কাটাকাটি হয়। তারই রেশ ধরে ছেলে রায়হান ও বোরহান পিতাকে বেধে অমানষিক নির্যাতন ও চালায়। ছেলে ও স্ত্রীর নির্যাতন সইতে না পেরে এক সময় তিনি চকরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানা পুলিশ উভয়ের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে পুনরায় সাংসারিক হওয়ার উপদেশ দেন। কিছুদিন যেতে না যেতে স্ত্রী কামরুন নাহার আবারো পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। এর রাগে ক্ষোভে সেলিম উল্লাহ নিরূপায় হয়ে আরেকটি দ্বিতীয় বিবাহ করে। বিয়ের কিছুদিন পর সচতুর মহিলা কামরুন নাহার খুটাখালী পরিষদে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১১ এপ্রিল বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সেলিম উল্লাহ উপস্থিত থাকলেও স্ত্রী কামরুন নাহার উপস্থিত হয়নি। পরিষদের নোটিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে পরদিন দুপুরে ৫জনকে আসামী করে চকরিয়া থানায় একটি মিথ্যা এজাহার দায়ের করেন। এজাহারের ভিত্তিতে থানা পুলিশ দুচরিত্রা কামরুন নাহারের সাঙ্গপাঙ্গদের সহায়তায় ১২এপ্রিল গভীর রাতে সেলিম উল্লাকে আটক করে। এ ঘটনায় চলছে এলাকায় নানান গুঞ্জন। এদিকে সেলিম উল্লাহর দ্বিতীয় স্ত্রী রেনুয়ারা জানান, প্রথম স্ত্রীর ঘরে দেড় মাস থাকার পর তার অনৈতিক সম্পর্কের ঠের পান। এতে বাধা দিলে স্ত্রী কামরুনের রুসানলে পড়ে। তার সাথে রয়েছে এলাকার প্রভাবশালীদের দহরম। শুধু তাই নয় মেয়ে মেরি ও তার জামাতা ঈদগাঁও ফরাজী পাড়ার মনছুর সেলিম উল্লাহর বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছেন। তিনি আরো জানান, স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা এ সাজানো মামলা থেকে রেহায় পেতে এসপি বরাবরে লিখিত অভিযোগ ও করেন। দক্ষিণ মেধাকচ্ছপিয়ার প্রতিবেশি আমির হোসেন,নুর উদ্দিন জানান, দুচরিত্রা কামরুন নাহারের অনৈতিক কাজে বাধা দিতে গিয়ে স্বামী সেলিম উল্লাহ জেল কাটছে। আর এলাকা কুচক্রী মহল এ সুযোগে তার বসত ভিটা দখলের পায়তারা করছে।

Post a Comment

0 Comments