নুরুল আমিন সিদ্দিক
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যাদি নিয়ে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধঅনের ব্যাপারে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষীরা একমত পোষণ করেছে।
গতকাল শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় পর্যটন নগরীস্থ হোটেল ওসেন প্যারাডাইসের সম্মেলন কক্ষে সেক্টর কমান্ডার বিজিবি চট্টগ্রাম এবং ডাইরেক্টর নাসাকা পর্যায়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ এক সীমান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম সেক্টরের কমান্ডার কর্ণেল মোঃ বশিরুল ইসলাম পিএসসিজি এবং মিয়ানমারের নাসাকা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন নাসাকা ডাইরেক্টর ইউ অং জে। সমন্বয় সভায় উভয় পক্ষের মধ্যে দেশের স্বার্থে সর্বসম্মতভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাদি ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। তৎমধ্যে প্রাকৃতিক দূর্যোগ কবলিত, অজ্ঞাতবশত সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী নাগরিকদেরকে হস্তান্তর ও গ্রহণ, মিয়ানমার নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধকরণ, জেল মেয়াদ সমাপনান্তে আসামিদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতকরণ, ইয়াবাসহ সকল প্রকার মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধ করণ, উভয় দেশের বৈধ সীমান্ত বাণিজ্যের কলেবর বৃদ্ধিসহ আগ্রহী ব্যবসায়ীরা যেন বাণিজ্যের স্বার্থে মঙড়– হয়ে সিটুয়েতে গমন করতে পারেন তার কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ, আন্তর্জাতিক আইন ও বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত চুক্তি- ১৯৮০ এর আলোকে সীমান্তের ৫ মাইলের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর যেকোন প্রকার সমাবেশ ও গমনাগমণ প্রতিপক্ষ দেশকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। তাছাড়া সীমান্তের অদুরে সেনা সমাবেশ ঘটালে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে আতংক ও উদ্বেগ বিরাজ করে। উভয় দেশের রক্ষী বাহিনীর মধ্যেও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। সীমান্তের সন্নিকটে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সমাবেশের বিষয়টি বাংলাদেশকে অবহিত না করে নাসাকা চুক্তি লংঘন করেছে মর্মে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ পর্যায়ে ভবিষ্যতে সীমান্ত চুক্ত অনুসরণের জন্য নাসাকাকে বিজিবির অনুরোধ, উভয় দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যাদি দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ব্যাপারে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন। পরবর্তীতে উভয় দেশের সীমান্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করে গতকাল দুপুর (বাংলাদেশ সময়) ২ ঘটিকায় ‘সীমান্ত সমন্বয় সভা সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সমন্বয় সভা শেষে বিজিবির সেক্টর কমান্ডার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে উক্ত সীমান্ত সমন্বয় সভার বিস্তারিত বিষয়ের উপর প্রেস ব্রিপিং করেন।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যাদি নিয়ে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধঅনের ব্যাপারে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষীরা একমত পোষণ করেছে।
গতকাল শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় পর্যটন নগরীস্থ হোটেল ওসেন প্যারাডাইসের সম্মেলন কক্ষে সেক্টর কমান্ডার বিজিবি চট্টগ্রাম এবং ডাইরেক্টর নাসাকা পর্যায়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ এক সীমান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম সেক্টরের কমান্ডার কর্ণেল মোঃ বশিরুল ইসলাম পিএসসিজি এবং মিয়ানমারের নাসাকা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন নাসাকা ডাইরেক্টর ইউ অং জে। সমন্বয় সভায় উভয় পক্ষের মধ্যে দেশের স্বার্থে সর্বসম্মতভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাদি ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। তৎমধ্যে প্রাকৃতিক দূর্যোগ কবলিত, অজ্ঞাতবশত সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী নাগরিকদেরকে হস্তান্তর ও গ্রহণ, মিয়ানমার নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধকরণ, জেল মেয়াদ সমাপনান্তে আসামিদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতকরণ, ইয়াবাসহ সকল প্রকার মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধ করণ, উভয় দেশের বৈধ সীমান্ত বাণিজ্যের কলেবর বৃদ্ধিসহ আগ্রহী ব্যবসায়ীরা যেন বাণিজ্যের স্বার্থে মঙড়– হয়ে সিটুয়েতে গমন করতে পারেন তার কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ, আন্তর্জাতিক আইন ও বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্ত চুক্তি- ১৯৮০ এর আলোকে সীমান্তের ৫ মাইলের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর যেকোন প্রকার সমাবেশ ও গমনাগমণ প্রতিপক্ষ দেশকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। তাছাড়া সীমান্তের অদুরে সেনা সমাবেশ ঘটালে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে আতংক ও উদ্বেগ বিরাজ করে। উভয় দেশের রক্ষী বাহিনীর মধ্যেও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। সীমান্তের সন্নিকটে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সমাবেশের বিষয়টি বাংলাদেশকে অবহিত না করে নাসাকা চুক্তি লংঘন করেছে মর্মে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ পর্যায়ে ভবিষ্যতে সীমান্ত চুক্ত অনুসরণের জন্য নাসাকাকে বিজিবির অনুরোধ, উভয় দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যাদি দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ব্যাপারে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন। পরবর্তীতে উভয় দেশের সীমান্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করে গতকাল দুপুর (বাংলাদেশ সময়) ২ ঘটিকায় ‘সীমান্ত সমন্বয় সভা সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সমন্বয় সভা শেষে বিজিবির সেক্টর কমান্ডার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে উক্ত সীমান্ত সমন্বয় সভার বিস্তারিত বিষয়ের উপর প্রেস ব্রিপিং করেন।

0 Comments