এম রায়হান চৌধুরী
চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১হাজার ৫শত একর জমির ইরি বোরো চাষের আওতায় আনার লক্ষ্যে জেলায় সর্ব প্রথম ১কোটি ২০লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি,
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও জনগনের যৌথ উদ্দ্যোগে অংশগ্রহন মূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্পের আওতায় ত্রি-পক্ষীয় উপ প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তি অনুষ্টান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সকাল ৯ঘটিকায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউপি চেয়ারম্যান ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং ইউপি সচিব নুরুল কবিরের পরিচালনায় অনুষ্টিত ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চকরিয় পৌরসভার সাবেক মেয়র জাফর আলম, বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইমতিয়াজ আলম, সোসিওইকোনোমিষ্ট মোশারফ হোসেন ও চকরিয়া উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান তুহিন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফাঁসিয়াখালী ইরিগেশন পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সা.সম্পাদক শাহ আলম, প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, এম ইউ পি মোঃ আলমগীর, আবুল হাসেম, ছরওয়ার আলম খোকন, কামাল উদ্দিন, সাহাব উদ্দিন, হান্নান হোসেন, এনামুল হক, আহমদ কবির মনু, মহিলা ইউপি সদস্য নাহিদা আক্তার, সাজেদা আক্তার ও বুড়ি প্রমূখ। বক্তারা বলেন, এ প্রকল্পটি বাস্থবায়ন হলে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নসহ আশপাশের ৪/৫টি ইউনিয়নের হাজার হাজার একর জমি বোরো চাষের আওতায় আনা সম্ভব হবে। বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষকদের কে সকল ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে। এ প্রকল্পটি জেলায় সর্ব প্রথম হলেও পর্যায়ক্রমে তা বৃদ্ধি করা হবে। আওয়ামীলীগ উন্নয়নে বিশ্বাস করে। অজস্র টাকা থাকলে হয়না, নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদেরকে দেশ ও জনগনের প্রতি আন্তরিক হলেই এলাকায় উন্নয়ন করা সম্বব।
চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১হাজার ৫শত একর জমির ইরি বোরো চাষের আওতায় আনার লক্ষ্যে জেলায় সর্ব প্রথম ১কোটি ২০লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি,
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও জনগনের যৌথ উদ্দ্যোগে অংশগ্রহন মূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্পের আওতায় ত্রি-পক্ষীয় উপ প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তি অনুষ্টান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সকাল ৯ঘটিকায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউপি চেয়ারম্যান ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং ইউপি সচিব নুরুল কবিরের পরিচালনায় অনুষ্টিত ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চকরিয় পৌরসভার সাবেক মেয়র জাফর আলম, বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইমতিয়াজ আলম, সোসিওইকোনোমিষ্ট মোশারফ হোসেন ও চকরিয়া উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান তুহিন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফাঁসিয়াখালী ইরিগেশন পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সা.সম্পাদক শাহ আলম, প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, এম ইউ পি মোঃ আলমগীর, আবুল হাসেম, ছরওয়ার আলম খোকন, কামাল উদ্দিন, সাহাব উদ্দিন, হান্নান হোসেন, এনামুল হক, আহমদ কবির মনু, মহিলা ইউপি সদস্য নাহিদা আক্তার, সাজেদা আক্তার ও বুড়ি প্রমূখ। বক্তারা বলেন, এ প্রকল্পটি বাস্থবায়ন হলে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নসহ আশপাশের ৪/৫টি ইউনিয়নের হাজার হাজার একর জমি বোরো চাষের আওতায় আনা সম্ভব হবে। বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষকদের কে সকল ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে। এ প্রকল্পটি জেলায় সর্ব প্রথম হলেও পর্যায়ক্রমে তা বৃদ্ধি করা হবে। আওয়ামীলীগ উন্নয়নে বিশ্বাস করে। অজস্র টাকা থাকলে হয়না, নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদেরকে দেশ ও জনগনের প্রতি আন্তরিক হলেই এলাকায় উন্নয়ন করা সম্বব।

0 Comments