কায়সার হামিদ মানিক
সরকারী বন সম্পদ শূন্যের কোটায় উপনিত হওয়ার সুবাদে এবার কাঠচোর বনদস্যুদের টার্গেটে পরিনত হয়েছে উপকূলের বেড়িবাধ নামে খ্যাত সবুজ বেষ্টনি প্রকল্পের
ঝাউগাছ। বঙ্গোপসাগরের করাল গ্রাস থেকে জনবসতি রক্ষা প্রয়োজনে সরকারের সৃজিত ঝাউবাগান নির্বিচারে কর্তন করার ফলে উখিয়া টেকনাফ সাগর উপকূলে লক্ষাধিক জনবসতি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে ১৯৯১ সনের প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসের তান্ডবে কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া ও নারিকেল জিনঝিরাদ্বীপের প্রায় আড়াই লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারায়। ঘর বাড়ী সহায় সম্পত্তি হারিয়ে হাজার হাজার পরিবার সর্বশান্ত হয়ে যায়। জলোচ্ছাসের তাবায় কক্সবাজার জেলার অপূরনীয় ক্ষয় ক্ষতি হওয়ার পরবর্তীতে সরকার উপকূলে নিরাপদ বসবাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করে কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফের শাহপরির দ্বীপ পর্যন্ত সাগর উপকূলে ঝাউগাছ রোপন করে সবুজ বেষ্টনি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। ২০ বছরের ব্যবধানে এসব ঝাউগাছ বেড়ে ২০/২৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২/৩ প্রস্ত পরিমাপের হলেও এসব ঝাউগাছ রক্ষা করার কেউ নেই। প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই এসব ঝাউগাছ রক্ষনাবেক্ষণের জন্য উপকূলীয় বনবিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও গত ৩/৪ বছর ধরে উক্ত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের উপর ন্যাস্ত করায় সবুজ বেষ্টনি প্রকল্প রক্ষনাবেক্ষণ দায়সারা হয়ে পড়ে।
ইনানী রক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা সহায়ক কমিটি মনখালী শাখার সভাপতি মোস্তাক আহমদ অভিযোগ করে বলেন ইনানী বন রেঞ্জের ১৯ হাজার একর রক্ষিত বন সম্পদের মধ্যে ১০ হাজার হেক্টর বন ভূমিতে জাতীয় উদ্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেসরকারী এনজিও সংস্থা শেড, আরন্যক ফাউন্ডেশন ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে সাড়ে সাত কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতাধীন বন রক্ষা সহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মূখে ১০ হাজার হেক্টর বন সম্পদ রক্ষা পেলেও বাকী ৯ হাজার হেক্টর বন সম্পদ লুঠপাট হয়ে বন ভূমি সরকারের হাতছাড়া হয়ে বেদখলে চলে গেছে। যার প্রেক্ষিতে সঙ্গবদ্ধ বনদস্যুরা এবার নির্বিচারে ঝাউগাছ কর্তৃন করে ট্রলার যোগে সাগর পথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। এ ছাড়াও স্থানীয় ভাবে বসত বাড়ী নির্মান যাবতীয় অবকাটামো নির্মান কাজে ঝাউগাছ ব্যবহৃত হচ্ছে। যে কারণে বর্তমানে উপকূলের ঝাউগাছ লুঠপাটের মহোৎসব চলছে বলে অনেকেই মন্তব্য করতে দেখে গেছে। স্থানীয় গ্রামবাসীর অভিযোগ উপকূলের মনখালী ও ছেপটখালী এলাকায় দুইটি বন বিট থাকলেও সংশ্লিষ্টরা ঝাউগাছ রক্ষনাবেক্ষণের কোন কাজে আসছেনা।
প্রবীন জন প্রতিনিধি ছিদ্দিক আহমদ চৌধুরী (৭৫) বলেন স্থানীয় কতিপয় চিহ্নিত কাঠচোর উপকূলের ঝাউগাছ কেটে অবাধে বিক্রি করার ফলে উপকূলের স্বাভাবিক জীভন যাত্রায় ভিতীকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন বড় ধরণের জলোচ্ছাস হলে মনখালী এলাকার কেউ বাচতে পারবেনা। এ ব্যাপারে কক্সবাজাস্থ বিভাগীয় বন সংরক্ষক বিপুল কৃঞ দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলে উপকুলের জমির দাম আকাশ চুম্বি হওয়ার ফলে ঝাউগাছগুলো রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সরকারী বন সম্পদ শূন্যের কোটায় উপনিত হওয়ার সুবাদে এবার কাঠচোর বনদস্যুদের টার্গেটে পরিনত হয়েছে উপকূলের বেড়িবাধ নামে খ্যাত সবুজ বেষ্টনি প্রকল্পের
ঝাউগাছ। বঙ্গোপসাগরের করাল গ্রাস থেকে জনবসতি রক্ষা প্রয়োজনে সরকারের সৃজিত ঝাউবাগান নির্বিচারে কর্তন করার ফলে উখিয়া টেকনাফ সাগর উপকূলে লক্ষাধিক জনবসতি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে ১৯৯১ সনের প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসের তান্ডবে কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া ও নারিকেল জিনঝিরাদ্বীপের প্রায় আড়াই লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারায়। ঘর বাড়ী সহায় সম্পত্তি হারিয়ে হাজার হাজার পরিবার সর্বশান্ত হয়ে যায়। জলোচ্ছাসের তাবায় কক্সবাজার জেলার অপূরনীয় ক্ষয় ক্ষতি হওয়ার পরবর্তীতে সরকার উপকূলে নিরাপদ বসবাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করে কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফের শাহপরির দ্বীপ পর্যন্ত সাগর উপকূলে ঝাউগাছ রোপন করে সবুজ বেষ্টনি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। ২০ বছরের ব্যবধানে এসব ঝাউগাছ বেড়ে ২০/২৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২/৩ প্রস্ত পরিমাপের হলেও এসব ঝাউগাছ রক্ষা করার কেউ নেই। প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই এসব ঝাউগাছ রক্ষনাবেক্ষণের জন্য উপকূলীয় বনবিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও গত ৩/৪ বছর ধরে উক্ত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের উপর ন্যাস্ত করায় সবুজ বেষ্টনি প্রকল্প রক্ষনাবেক্ষণ দায়সারা হয়ে পড়ে।
ইনানী রক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা সহায়ক কমিটি মনখালী শাখার সভাপতি মোস্তাক আহমদ অভিযোগ করে বলেন ইনানী বন রেঞ্জের ১৯ হাজার একর রক্ষিত বন সম্পদের মধ্যে ১০ হাজার হেক্টর বন ভূমিতে জাতীয় উদ্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেসরকারী এনজিও সংস্থা শেড, আরন্যক ফাউন্ডেশন ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে সাড়ে সাত কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতাধীন বন রক্ষা সহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মূখে ১০ হাজার হেক্টর বন সম্পদ রক্ষা পেলেও বাকী ৯ হাজার হেক্টর বন সম্পদ লুঠপাট হয়ে বন ভূমি সরকারের হাতছাড়া হয়ে বেদখলে চলে গেছে। যার প্রেক্ষিতে সঙ্গবদ্ধ বনদস্যুরা এবার নির্বিচারে ঝাউগাছ কর্তৃন করে ট্রলার যোগে সাগর পথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। এ ছাড়াও স্থানীয় ভাবে বসত বাড়ী নির্মান যাবতীয় অবকাটামো নির্মান কাজে ঝাউগাছ ব্যবহৃত হচ্ছে। যে কারণে বর্তমানে উপকূলের ঝাউগাছ লুঠপাটের মহোৎসব চলছে বলে অনেকেই মন্তব্য করতে দেখে গেছে। স্থানীয় গ্রামবাসীর অভিযোগ উপকূলের মনখালী ও ছেপটখালী এলাকায় দুইটি বন বিট থাকলেও সংশ্লিষ্টরা ঝাউগাছ রক্ষনাবেক্ষণের কোন কাজে আসছেনা।
প্রবীন জন প্রতিনিধি ছিদ্দিক আহমদ চৌধুরী (৭৫) বলেন স্থানীয় কতিপয় চিহ্নিত কাঠচোর উপকূলের ঝাউগাছ কেটে অবাধে বিক্রি করার ফলে উপকূলের স্বাভাবিক জীভন যাত্রায় ভিতীকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন বড় ধরণের জলোচ্ছাস হলে মনখালী এলাকার কেউ বাচতে পারবেনা। এ ব্যাপারে কক্সবাজাস্থ বিভাগীয় বন সংরক্ষক বিপুল কৃঞ দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলে উপকুলের জমির দাম আকাশ চুম্বি হওয়ার ফলে ঝাউগাছগুলো রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।


0 Comments