কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়ায় সরকারী খাস জমিতে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিলাস বহুল দৃষ্টি নন্দন ১০টি কটেজ। কটেজ গুলো ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে আয় করা
হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এসব অবৈধ কটেজে নারী নিয়ে দেহ ব্যবসা,মাদক বিক্রি সহ বিভিন্ন অপরাধ মুলক করাবার চলছে ওপেন সিক্রেটে। নারী নিয়ে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি ওই সব অবৈধ কটেজে ৩ নারী গণ ধর্ষণের শিকারও হয়েছে। কক্সবাজার বিমান বন্দরকে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করতে এই সমিতিপাড়াসহ আশপাশ এলাকার বিপুল খাস জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব চুড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও অবৈধ দখলদার কারণে এ উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
কক্সবাজার শহরের অতিনিকটতম এলাকায় জেলা প্রশাসনের ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত বিপুল পরিমাণ সরকারী খাস জমি সুবিধাভোগী মহল জবর দখল করে রাখার পাশাপাশি সেখানে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিলাস বহুল দৃষ্টি নন্দন অন্তত ১০টি কটেজ। এসব কটেজে প্রশাসনের নজরদারী নেই। এমন কি প্রশাসনের কাছ থেকে কোন ধরনের অনুমতি না নিয়েই প্রতিনিয়ত এসব অবৈধ কটেজ গুলোতে পর্যটক (বর্ডার) ভাড়া দিয়ে আয় করছে প্রতি মাসে লাখ টাকা টাকা। এসব অবৈধ কটেজে চলছে পতিতা ব্যবসা সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মুলক কর্মকান্ড। বেচা বিক্রি হচ্ছে মাদক দ্রব্য। অপরাধীদের নিরাপদ আস্তা হিসেবেও ব্যবহার হচ্ছে বেশীর ভাগ কটেজ। খাস জমিতে গড়ে তুলা ওই সব কটেজ কেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে ছিনতাই ব্লেকমেইলং,ধর্ষণ ও পুলিশকে দিয়ে টাকা আদায়কারী সহ ৪টি চক্র। এসব অবৈধ কটেজে গুলোতে নগদ টাকা পয়সা হারানো সহ অনেক নারী সম্ভ্রমহানি করা হয়েছে। সর্বশেষ ওই এলাকার একটি কটেজে ২৩ ফেব্র“য়ারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে গৃহ বধু,দুই সহোদরা সহ ৩ নারী। এ ঘটনা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে ধর্ষিতা নারী। মামলার ১ আসামী গ্রেফতারও হয়েছে। অনৈতিক কাজ কর্মের আখড়ার হিসেবে পরিচিত বেশীর ভাগ কটেজ হতে সুযোগ বুঝে অনৈতিক সুবিধাও নিচ্ছে সমাজ সর্দার নামধারী এ ধরনের বহু চাঞ্চল্যকর লোমহর্ষক তথ্য।
জলবায়ু উদ্ধাস্তু হিসেবে একদিকে দখল করা হয়েছে সরকারী খাস জমি,অপর দিকে সরকারী খাস জমিতেই দৃষ্টি নন্দন কটেজ ও স্থাপনা নির্মাণ করে সেখানে চালানো হচ্ছে নারী নিয়ে ব্যবসা সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সমিতি পাড়ার দ্বার মুখে এডিবি হ্যাচারী সংলগ্ন ঢাকা উত্তরা এলাকার জিএম আলী হোসেন নামের এক ব্যক্তি বিশাল সরকারী খাস জমি দখল করে সেখানে নির্মাণ করেছে দৃষ্টি নন্দন সেন্ট্রাল বীচ রিসোর্ট। সরকারী জমিতে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা কটেজটির রুম ভাড়া দেয়া হচ্ছে পর্যটক সহ স্থানীয় লোকদের। এই সেট্রাল কটেজের উত্তর পার্শ্বে লাগোয়া চকরিয়ার ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আবছার নামের ব্যক্তি গড়ে তুলেছেন আরেকটি কটেজ। এই কটেজে খারাপ নারীদের নিয়ে দেহ ব্যবসার করার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। বিভিন্ন সময় প্রশাসন অভিযান চালিয়ে পতিতা খদ্দের আটকের ঘটনা ঘটেছে অনেক বার। ২৩ ফেব্র“য়ারী ৩ নারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এ কটেজে। এ ছাড়া সমিতি পাড়ায় আরো যে সব অবৈধ কটেজ গড়ে উঠেছে এসবের মধ্যে সমিতি পাড়ার মিজানুর রহমানের ব্ল“ -ওশান কটেজ,মোস্তাফিজুর রহমানের নিরিবিলি কটেজ,পুলিশ কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের মনিষা গার্ডেন, ঢাকার পিগ্ল“র রংধনু কটেজ, রামু রাজারকুল চেয়ারম্যান আবদুর রহিমের কটেজ, চট্টগ্রামের নুরুল হুদার (সিবিআর) কটেজ, শহীদুল বাহার রিসোর্ট সহ ১০ টি কটেজ।
এসব কটেজের মধ্যে বেশীর ভাগই মোটা অংকের অগ্রীম সেলামী নিয়ে মাসিক ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় ভাড়া দেয়া হয়েছে। উপ-ভাড়া নেয়া ব্যক্তিরা ও ম্যানেজাররা মিলে গ্রাহক ভাগাতে প্রতিযোগীতা মুলক ভাবে নারী সহ বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। সমাজের নীতি নৈতিকতা বির্জনকারী ব্যক্তি ও নারী লোভী একশ্রেণীর পর্যটকই হচ্ছে এসব অবৈধ কটেজের বর্ডার কিংবা গ্রাহক। সমিতির পাড়ার অবৈধ কটেজ গুলোকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অন্তত ৪টি সিন্ডিকেট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি সিন্ডিকেট দালাল নিয়ন্ত্রন করে। স্তরে স্তরে অঘোষিত দালাল নিযুক্ত করে পর্যটক ও খারাপ প্রকৃতির লোকজনকে বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ডার হিসেবে নিয়ে আসে কটেজ গুলোতে। অপর সিন্ডিকেট রয়েছে,পর্যটক কিংবা বর্ডারদের জিম্মি করে নগদ টাকা মোবাইল সেট সহ মুল্যবান জিনিষপত্র ছিনিয়ে নেয়া। ৩য় সিন্ডিকেট রয়েছে,গভীর রাতে কটেজ গুলোর রুমে গিয়ে বর্ডারদের কাছ থেকে জিম্মি করে টাকা আদায়। নারী কিংবা কোন অনৈতিক কাজে হাতে নাতে ধরে ফেলে ছবি তুলে মান সম্মানহানি কিংবা খারাপ নারী দিয়ে হয়রানীর হুমকি দিয়ে ব্লেকমেইলিং করা হয়। এরা কোন কোন সময় সুযোগ বুঝে অপহরণ ও গণ ধর্ষণের মতো ঘটনাও সংগঠিত করে যাচ্ছে।
সর্বশেষ চক্রটি , ওই সব কটেজের বর্ডাদের কাছে নারী সরবরাহ দেয়। পরে এই চক্র আবার পুলিশ কিংবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে খবর দেয়। সংস্থার লোকজন নিদ্দিষ্ট কটেজ ও চিহ্নিত কক্ষে অভিযান চালান। বর্ডাদের দুর্বলতার সুযোগে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে আদায় করে মোটা অংকের টাকা। এ ধরনের অহরহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় লোকজন। বর্ডারদের কাছ থেকে জিম্মি করে আদায়কৃত টাকা কটেজ ম্যানেজার,সিন্ডিকেট সদস্য ও কতিপয় পুলিশ সদস্যরা ভাগভাটোয়ারা করেন বলে একাধিক সুত্রে প্রকাশ। এমন ঘটনা বেশীর ভাগ প্রকাশ না পাওয়া কটেজ কেন্দ্রিত অপরাধ গুলো রয়ে যাচ্ছে উর্ধবতন প্রশাসনের দৃষ্টির আড়ালে। ফলে বার বার পায় পেয়ে যাচ্ছে অপরাধকারী এবং প্রতারক চক্রের সিন্ডিকেট গুলো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,অবৈধ কটেজ গুলো নির্মাণে কিংবা কটেজ হিসেবে কোন অনুমতি নেননি কথিত মালিকরা। এছাড়া অবৈধ কটেজ গুলোতে বিভিন্ন বর্ডারদের রুম ভাড়া দেয়া হলেও সেখানে বর্ডারদের নিবন্ধ বহিতে নাম ঠিকানা ও পরিচয় সংরক্ষন করা হয়না। এমনকি থানা পুলিশের কাছেও নিবন্ধন বহি গুলো প্রর্দশন কিংবা দস্তখত নেয়ার প্রয়োজনও মনে করেন না কর্তৃপক্ষ। ফলে অপরাধের আস্তানা হিসেবে পরিচিত কটেজ গুলোতে অপরাধ করেই নিরাপদে সরে পড়ে কিংবা পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধী চক্র।
কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়ায় সরকারী খাস জমিতে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিলাস বহুল দৃষ্টি নন্দন ১০টি কটেজ। কটেজ গুলো ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে আয় করা
হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এসব অবৈধ কটেজে নারী নিয়ে দেহ ব্যবসা,মাদক বিক্রি সহ বিভিন্ন অপরাধ মুলক করাবার চলছে ওপেন সিক্রেটে। নারী নিয়ে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি ওই সব অবৈধ কটেজে ৩ নারী গণ ধর্ষণের শিকারও হয়েছে। কক্সবাজার বিমান বন্দরকে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করতে এই সমিতিপাড়াসহ আশপাশ এলাকার বিপুল খাস জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব চুড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও অবৈধ দখলদার কারণে এ উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
কক্সবাজার শহরের অতিনিকটতম এলাকায় জেলা প্রশাসনের ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত বিপুল পরিমাণ সরকারী খাস জমি সুবিধাভোগী মহল জবর দখল করে রাখার পাশাপাশি সেখানে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিলাস বহুল দৃষ্টি নন্দন অন্তত ১০টি কটেজ। এসব কটেজে প্রশাসনের নজরদারী নেই। এমন কি প্রশাসনের কাছ থেকে কোন ধরনের অনুমতি না নিয়েই প্রতিনিয়ত এসব অবৈধ কটেজ গুলোতে পর্যটক (বর্ডার) ভাড়া দিয়ে আয় করছে প্রতি মাসে লাখ টাকা টাকা। এসব অবৈধ কটেজে চলছে পতিতা ব্যবসা সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মুলক কর্মকান্ড। বেচা বিক্রি হচ্ছে মাদক দ্রব্য। অপরাধীদের নিরাপদ আস্তা হিসেবেও ব্যবহার হচ্ছে বেশীর ভাগ কটেজ। খাস জমিতে গড়ে তুলা ওই সব কটেজ কেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে ছিনতাই ব্লেকমেইলং,ধর্ষণ ও পুলিশকে দিয়ে টাকা আদায়কারী সহ ৪টি চক্র। এসব অবৈধ কটেজে গুলোতে নগদ টাকা পয়সা হারানো সহ অনেক নারী সম্ভ্রমহানি করা হয়েছে। সর্বশেষ ওই এলাকার একটি কটেজে ২৩ ফেব্র“য়ারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে গৃহ বধু,দুই সহোদরা সহ ৩ নারী। এ ঘটনা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে ধর্ষিতা নারী। মামলার ১ আসামী গ্রেফতারও হয়েছে। অনৈতিক কাজ কর্মের আখড়ার হিসেবে পরিচিত বেশীর ভাগ কটেজ হতে সুযোগ বুঝে অনৈতিক সুবিধাও নিচ্ছে সমাজ সর্দার নামধারী এ ধরনের বহু চাঞ্চল্যকর লোমহর্ষক তথ্য।
জলবায়ু উদ্ধাস্তু হিসেবে একদিকে দখল করা হয়েছে সরকারী খাস জমি,অপর দিকে সরকারী খাস জমিতেই দৃষ্টি নন্দন কটেজ ও স্থাপনা নির্মাণ করে সেখানে চালানো হচ্ছে নারী নিয়ে ব্যবসা সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সমিতি পাড়ার দ্বার মুখে এডিবি হ্যাচারী সংলগ্ন ঢাকা উত্তরা এলাকার জিএম আলী হোসেন নামের এক ব্যক্তি বিশাল সরকারী খাস জমি দখল করে সেখানে নির্মাণ করেছে দৃষ্টি নন্দন সেন্ট্রাল বীচ রিসোর্ট। সরকারী জমিতে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা কটেজটির রুম ভাড়া দেয়া হচ্ছে পর্যটক সহ স্থানীয় লোকদের। এই সেট্রাল কটেজের উত্তর পার্শ্বে লাগোয়া চকরিয়ার ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আবছার নামের ব্যক্তি গড়ে তুলেছেন আরেকটি কটেজ। এই কটেজে খারাপ নারীদের নিয়ে দেহ ব্যবসার করার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। বিভিন্ন সময় প্রশাসন অভিযান চালিয়ে পতিতা খদ্দের আটকের ঘটনা ঘটেছে অনেক বার। ২৩ ফেব্র“য়ারী ৩ নারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এ কটেজে। এ ছাড়া সমিতি পাড়ায় আরো যে সব অবৈধ কটেজ গড়ে উঠেছে এসবের মধ্যে সমিতি পাড়ার মিজানুর রহমানের ব্ল“ -ওশান কটেজ,মোস্তাফিজুর রহমানের নিরিবিলি কটেজ,পুলিশ কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের মনিষা গার্ডেন, ঢাকার পিগ্ল“র রংধনু কটেজ, রামু রাজারকুল চেয়ারম্যান আবদুর রহিমের কটেজ, চট্টগ্রামের নুরুল হুদার (সিবিআর) কটেজ, শহীদুল বাহার রিসোর্ট সহ ১০ টি কটেজ।
এসব কটেজের মধ্যে বেশীর ভাগই মোটা অংকের অগ্রীম সেলামী নিয়ে মাসিক ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় ভাড়া দেয়া হয়েছে। উপ-ভাড়া নেয়া ব্যক্তিরা ও ম্যানেজাররা মিলে গ্রাহক ভাগাতে প্রতিযোগীতা মুলক ভাবে নারী সহ বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। সমাজের নীতি নৈতিকতা বির্জনকারী ব্যক্তি ও নারী লোভী একশ্রেণীর পর্যটকই হচ্ছে এসব অবৈধ কটেজের বর্ডার কিংবা গ্রাহক। সমিতির পাড়ার অবৈধ কটেজ গুলোকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অন্তত ৪টি সিন্ডিকেট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি সিন্ডিকেট দালাল নিয়ন্ত্রন করে। স্তরে স্তরে অঘোষিত দালাল নিযুক্ত করে পর্যটক ও খারাপ প্রকৃতির লোকজনকে বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ডার হিসেবে নিয়ে আসে কটেজ গুলোতে। অপর সিন্ডিকেট রয়েছে,পর্যটক কিংবা বর্ডারদের জিম্মি করে নগদ টাকা মোবাইল সেট সহ মুল্যবান জিনিষপত্র ছিনিয়ে নেয়া। ৩য় সিন্ডিকেট রয়েছে,গভীর রাতে কটেজ গুলোর রুমে গিয়ে বর্ডারদের কাছ থেকে জিম্মি করে টাকা আদায়। নারী কিংবা কোন অনৈতিক কাজে হাতে নাতে ধরে ফেলে ছবি তুলে মান সম্মানহানি কিংবা খারাপ নারী দিয়ে হয়রানীর হুমকি দিয়ে ব্লেকমেইলিং করা হয়। এরা কোন কোন সময় সুযোগ বুঝে অপহরণ ও গণ ধর্ষণের মতো ঘটনাও সংগঠিত করে যাচ্ছে।
সর্বশেষ চক্রটি , ওই সব কটেজের বর্ডাদের কাছে নারী সরবরাহ দেয়। পরে এই চক্র আবার পুলিশ কিংবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে খবর দেয়। সংস্থার লোকজন নিদ্দিষ্ট কটেজ ও চিহ্নিত কক্ষে অভিযান চালান। বর্ডাদের দুর্বলতার সুযোগে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে আদায় করে মোটা অংকের টাকা। এ ধরনের অহরহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় লোকজন। বর্ডারদের কাছ থেকে জিম্মি করে আদায়কৃত টাকা কটেজ ম্যানেজার,সিন্ডিকেট সদস্য ও কতিপয় পুলিশ সদস্যরা ভাগভাটোয়ারা করেন বলে একাধিক সুত্রে প্রকাশ। এমন ঘটনা বেশীর ভাগ প্রকাশ না পাওয়া কটেজ কেন্দ্রিত অপরাধ গুলো রয়ে যাচ্ছে উর্ধবতন প্রশাসনের দৃষ্টির আড়ালে। ফলে বার বার পায় পেয়ে যাচ্ছে অপরাধকারী এবং প্রতারক চক্রের সিন্ডিকেট গুলো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,অবৈধ কটেজ গুলো নির্মাণে কিংবা কটেজ হিসেবে কোন অনুমতি নেননি কথিত মালিকরা। এছাড়া অবৈধ কটেজ গুলোতে বিভিন্ন বর্ডারদের রুম ভাড়া দেয়া হলেও সেখানে বর্ডারদের নিবন্ধ বহিতে নাম ঠিকানা ও পরিচয় সংরক্ষন করা হয়না। এমনকি থানা পুলিশের কাছেও নিবন্ধন বহি গুলো প্রর্দশন কিংবা দস্তখত নেয়ার প্রয়োজনও মনে করেন না কর্তৃপক্ষ। ফলে অপরাধের আস্তানা হিসেবে পরিচিত কটেজ গুলোতে অপরাধ করেই নিরাপদে সরে পড়ে কিংবা পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধী চক্র।


0 Comments