এম বশর চৌধুরী, উখিয়া :
কক্সবাজারের উখিয়ায় অবৈধ ভাবে তৈরী প্রতিমাসে কোটি টাকার ফার্নিচার পাচার হয়ে যাচ্ছে সারা দেশে। সরকারের সংরক্ষিত বাগানের মূল্যবান কাঠ দিয়েই এসব ফার্নিচার
তৈরী হচ্ছে। উপজেলার জন বহুল ষ্টেশনে শতাধিক অবৈধ ফার্নিচারের দোকান ও বিভিন্ন বসত ঘরে ওপেন সিক্রেটে তৈরী হচ্ছে হরেক রকম ফার্ণিচার। বন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তাদের যোগ সাজসে কতিপয় ব্যবসায়ী মাসের পর মাস ফার্নিচার ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে সরকারী বনজ সম্পদের অপুরণীয় ক্ষতিসাধন করে আসছে। উখিয়া সদর ষ্টেশন, কোট বাজার, মরিচ্যা বাজার, থাইংখালী, পালং খালী, কুতু পালং ও সোনার পাড়া বাজারে শতাধিক ফার্নিচার দোকান ও অর্ধ শতাধিক মিনি ফার্নিচার কারখানা রয়েছে। এসব ফার্নিচার দোকানে ও মিনি কারখানায় মজুদ রয়েছে কয়েক লাখ ফুট বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান কাঠ। যার বেশীর ভাগই উখিয়া রেঞ্জ, ইনানী রেঞ্জসহ কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন সরকারের সংরক্ষিত বাগানের মূল্যবান কাঠ। এসব কাঠ দিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিদিনই ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা বিনা বাধায় তৈরী করছে বিদেশী ডিজাইনের বঙ্খাট, সোফা সেট, আলনা, ড্রেসিং টেবিল, বুক স্লেপ, ডাইনিং সেট, চেয়ার টেবিল সহ হরেক রকম ফার্ণিচার। পালংখালী, থাইংখালী, বালুখালী, উখিয়া, টাইপালং, রতাপালং, কোট বাজার, হাজির পাড়া, মরিচ্যা ষ্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকায় ১৮ টি অবৈধ করাত কল রয়েছে। এক শ্রেণীর কাঠচোর সন্ত্রাসী চক্র প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে বছরের পর বছর এসব করাত কল গুলো চালু রেখে বিনা বাধায় সংরক্ষিত সরকারী বাগানের মূল্যবান কাঠ কাঠুরিয়া ও স্থানীয় কাঠ চোর সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে করাত কলে চিরাই করে ফার্নিচার ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ দিয়ে থাকে। যার ফলে ব্যবসায়ীদের ফার্নিচার তৈরীর উপকরণের কোন সমস্যা হয়না। গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যার পর থেকে ট্রাক ও ডাম্পার যোগে উখিয়া, কোট বাজার,মরিচ্যা বাজার থেকে ফার্ণিচার আরকান সড়ক ও মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে কক্সবাজার, চট্রগ্রাম, কুমিল¬া, ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে পাচার হয়ে থাকে। এছাড়াও যাত্রী বাহী বাস যোগেও ফার্ণিচার পাচার হয়ে থাকে। উখিয়ার ২ রেঞ্জ ও ১১ টি বন বিটের আওতাধীন ৪৫ হাজার হেক্টর বনভুমি রয়েছে।
তৈরী হচ্ছে। উপজেলার জন বহুল ষ্টেশনে শতাধিক অবৈধ ফার্নিচারের দোকান ও বিভিন্ন বসত ঘরে ওপেন সিক্রেটে তৈরী হচ্ছে হরেক রকম ফার্ণিচার। বন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তাদের যোগ সাজসে কতিপয় ব্যবসায়ী মাসের পর মাস ফার্নিচার ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে সরকারী বনজ সম্পদের অপুরণীয় ক্ষতিসাধন করে আসছে। উখিয়া সদর ষ্টেশন, কোট বাজার, মরিচ্যা বাজার, থাইংখালী, পালং খালী, কুতু পালং ও সোনার পাড়া বাজারে শতাধিক ফার্নিচার দোকান ও অর্ধ শতাধিক মিনি ফার্নিচার কারখানা রয়েছে। এসব ফার্নিচার দোকানে ও মিনি কারখানায় মজুদ রয়েছে কয়েক লাখ ফুট বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান কাঠ। যার বেশীর ভাগই উখিয়া রেঞ্জ, ইনানী রেঞ্জসহ কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন সরকারের সংরক্ষিত বাগানের মূল্যবান কাঠ। এসব কাঠ দিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিদিনই ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা বিনা বাধায় তৈরী করছে বিদেশী ডিজাইনের বঙ্খাট, সোফা সেট, আলনা, ড্রেসিং টেবিল, বুক স্লেপ, ডাইনিং সেট, চেয়ার টেবিল সহ হরেক রকম ফার্ণিচার। পালংখালী, থাইংখালী, বালুখালী, উখিয়া, টাইপালং, রতাপালং, কোট বাজার, হাজির পাড়া, মরিচ্যা ষ্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকায় ১৮ টি অবৈধ করাত কল রয়েছে। এক শ্রেণীর কাঠচোর সন্ত্রাসী চক্র প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে বছরের পর বছর এসব করাত কল গুলো চালু রেখে বিনা বাধায় সংরক্ষিত সরকারী বাগানের মূল্যবান কাঠ কাঠুরিয়া ও স্থানীয় কাঠ চোর সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে করাত কলে চিরাই করে ফার্নিচার ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ দিয়ে থাকে। যার ফলে ব্যবসায়ীদের ফার্নিচার তৈরীর উপকরণের কোন সমস্যা হয়না। গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যার পর থেকে ট্রাক ও ডাম্পার যোগে উখিয়া, কোট বাজার,মরিচ্যা বাজার থেকে ফার্ণিচার আরকান সড়ক ও মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে কক্সবাজার, চট্রগ্রাম, কুমিল¬া, ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে পাচার হয়ে থাকে। এছাড়াও যাত্রী বাহী বাস যোগেও ফার্ণিচার পাচার হয়ে থাকে। উখিয়ার ২ রেঞ্জ ও ১১ টি বন বিটের আওতাধীন ৪৫ হাজার হেক্টর বনভুমি রয়েছে।


0 Comments