কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর কালামারমারছড়ায় জিয়া ও খলিল বাহিনীর হাতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টায় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা
আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ওসমান গণি (৫০) খুনের ঘটনায় এলাকায় তান্ডব চলছে। এঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত ৩ জনকে আটক করেছে। অপরদিকে এ হত্যাকান্ডের জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে চেয়ারম্যান বাহিনী মোহাম্মদ শাহ ঘোনা এলাকায় পেট্রোল ঢেলে সাংবাদিকের বাড়িসহ ৩৫ বাড়িতে অগ্নি সংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট চালায়। এতে এসব বসত বাড়ী সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। ভষ্মিভূত বাড়ির মধ্যে ৬টি পাকা ও সেমি পাকা রয়েছে। এ গুলো হল- ফজলুল হক মাতব্বর, ইসলাম মাতবর, সিদ্দিক আহমদ মাতব্বর, নুরুল আমিন লেদু, আবুল কালাম, মোহাম্মদ শফি ও সাংবাদিক হোবাইব মাহমুদ সজিবের বাড়ি। এ ছাড়া ভষ্মিভূত অন্যান্য বাড়ির মধ্যে রয়েছে লাল মুহাম্মদ লালু, রমজান আলী, মৌলভী রহিম দাদ, আবু তালেব, সিদ্দিক আহমদ, মৌলভী আবু ছৈয়দ, জাকারিয়া, নুরুল আবচার, বদি আলম, আবু তৈয়ব, আবদুশ শুক্কর, খোরশেদ আলম, রেজাউল করিম নাগু, বাদশা মিয়া, ওসমান গণি, জালাল উদ্দিন মেম্বার, জমির উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, জকির উদ্দিন, রফিক উদ্দিন, মোহাম্মদ মুকির, বিমানবাহিনীর চাকরীজীবী মনজুর আলম, অলী আহমদ বাবু, রনজুসহ আরো অনেকের বাড়ি। নিহত সাবেক চেয়ারম্যানের অনুগত সন্ত্রাসী ও দাগী আসামী কালা বদা, জাহাঙ্গীর, জাফর আলম, তারেকসহ শতাধিক লোকজন এ অগ্নিকান্ড ও ব্যাপক লুটপাতের ঘটনা ঘটায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ওসমান গণি (৫০) খুনের ঘটনায় এলাকায় তান্ডব চলছে। এঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত ৩ জনকে আটক করেছে। অপরদিকে এ হত্যাকান্ডের জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে চেয়ারম্যান বাহিনী মোহাম্মদ শাহ ঘোনা এলাকায় পেট্রোল ঢেলে সাংবাদিকের বাড়িসহ ৩৫ বাড়িতে অগ্নি সংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট চালায়। এতে এসব বসত বাড়ী সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। ভষ্মিভূত বাড়ির মধ্যে ৬টি পাকা ও সেমি পাকা রয়েছে। এ গুলো হল- ফজলুল হক মাতব্বর, ইসলাম মাতবর, সিদ্দিক আহমদ মাতব্বর, নুরুল আমিন লেদু, আবুল কালাম, মোহাম্মদ শফি ও সাংবাদিক হোবাইব মাহমুদ সজিবের বাড়ি। এ ছাড়া ভষ্মিভূত অন্যান্য বাড়ির মধ্যে রয়েছে লাল মুহাম্মদ লালু, রমজান আলী, মৌলভী রহিম দাদ, আবু তালেব, সিদ্দিক আহমদ, মৌলভী আবু ছৈয়দ, জাকারিয়া, নুরুল আবচার, বদি আলম, আবু তৈয়ব, আবদুশ শুক্কর, খোরশেদ আলম, রেজাউল করিম নাগু, বাদশা মিয়া, ওসমান গণি, জালাল উদ্দিন মেম্বার, জমির উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, জকির উদ্দিন, রফিক উদ্দিন, মোহাম্মদ মুকির, বিমানবাহিনীর চাকরীজীবী মনজুর আলম, অলী আহমদ বাবু, রনজুসহ আরো অনেকের বাড়ি। নিহত সাবেক চেয়ারম্যানের অনুগত সন্ত্রাসী ও দাগী আসামী কালা বদা, জাহাঙ্গীর, জাফর আলম, তারেকসহ শতাধিক লোকজন এ অগ্নিকান্ড ও ব্যাপক লুটপাতের ঘটনা ঘটায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ রণজিত কুমার বড়ুয়া শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় জানান, খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জাফর, মামুন, নাজিম নামের ৩ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। আটক তিনজনই সন্ত্রাসী খলিল গ্রুপের সদস্য বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। আবার এই খলিলও মীর কাসেম চৌধুরী বাহিনীর গ্যাং লিডার বলে ওসি জানান।
শুক্রবার সকালে জেলা পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া সকাল থেকে ৩ শতাধিক পুলিশ দ্বীপজুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে বলে জানান ওসি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌন ১২টার দিকে কালামারছড়া বাজারে ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল কুপিয়ে এবং গুলি করে ওসমান গণিকে (৫০) হত্যা করে। দু’টি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেমের ইন্ধনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।
উল্লেখ্য, কালামারছড়ায় দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। যার একটিতে নেতৃত্ব দেন ওসমান গণি, অপর গ্রপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নোনাছড়ি এলাকার খলিল। দুটি গ্রুপের জের ধরে গত ১ বছর ধরে নানা সংঘর্ষ সংঘাত চলে আসছে। এ বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে খলিলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করে বলেও ওই সূত্র জানায়।
তবে স্থানীয় রশিদ আহমদ মেম্বার জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মীর কাশেম ও পরাজিত এক প্রার্থীর সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী চিংড়ি মৌসুমে সন্ত্রাসীরা তাদের আধিপত্য নিরঙ্কুশ করতে তাকে হত্যা করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ফাঁড়ির ১০০ গজ দূরে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ায় স্থানীয় উত্তেজিত জনতা ফাঁড়ির পুলিশের উপর চড়াও হয়। পুলিশ ওসমান হত্যাকান্ড হয়েছে এমন সংবাদ পেয়েও তালা বন্ধ করে নিরব ভূমিকা পালন করে।
মহেশখালী থানার পরিদর্শক (ওসি) রঞ্জিত কুমার বড়ুয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একদল সন্ত্রাসী কুপিয়ে এবং গুলি করে ঘটনাস্থলেই ওসমান গণির মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। কারা কেনো তাকে হত্যা করেছে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করতে না পারলেও তিনি জানান, এ হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।


0 Comments