নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ রক্ষা ও স্থানীয়দের র্দূভোগ নিরসনে ২৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আগামী ২০ মার্চ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে তেল-গ্যাস-খনিজ
সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। শনিবার বেলা ১২ টায় কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ও মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়।
দাবি সমুহ হলো, প্রস্তাবিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে রেললাইন স্থাপন দ্রুত বাস্তবায়ন, কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করে নগর পরিকল্পনা বোর্ড গঠন, নির্বিচারে পাহাড় কাটা বন্ধ, সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস সরবরাহ এবং কক্সবাজার পর্যন্ত গ্যাস লাইন সম্প্রসারণ, শহরের মাঝখানে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর না করে অন্যত্র বিমান বন্দর নির্মাণ, জেলার ভূমিহীনদের উচ্ছেদের পায়ঁতারা বন্ধ করে ভূমিহীনদের জমি বরাদ্দ, বঙ্গোপসাগরে জেলেদের পূর্ণ নিরাপত্তা শ্রমিকদের পরিচয় পত্র ও নিয়োগ পত্র দেয়া, হোটেল-রেস্তোঁরা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী নির্ধারণ ও কক্সবাজারে লেবার কোর্ট চালু, পরিকল্পিত ও পরিবেশ বান্ধব পর্যটনশিল্প তৈরী এবং পর্যটন শিল্পে ৬০% স্থানীয়দের নিয়োগ দেয়া, বাঁকখালী নদী খনন ও দুই পাড় রক্ষা, মাতামুহুরী নদীর দুই পাড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধঁ নির্মাণ, লবণ বোর্ড গঠন ও স্বল্পমূল্যে ঋণ বিতরণ এবং লবণ চাষীদের লবণের ন্যায্য মূল্য প্রদান, সোনাদিয়ায় সমুদ্র বন্দর ও এশিয়ান হাইওয়ে নির্মাণ কাজ অবিলম্বে শুরু, অযৌক্তিক বাস ভাড়া কমানো এবং যোগ্যতা সম্পন্ন চালক দ্বারা পরিবহন চালানো, কক্সবাজারে বর্জ্য ও পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, চাষাবাদের জমিতে ইট ভাটা স্থাপন বন্ধ ও কাঠ পুড়ানো বন্ধ, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের দ্রুত স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা অনুপ্রবেশ বন্ধ এবং ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক দ্রব্যের চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, পান চাষীদের সহজ মূল্যে কৃষি ঋণ প্রদান, চাষাবাদের জমিতে তামাক চাষ বন্ধ এবং জমিতে পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদের উৎসাহ প্রদান, চিংড়ি ঘেরের জমি স্থানীয় জনগণ ও প্রকৃত চাষীদের মধ্যে বরাদ্দ, কক্সবাজারের বধ্যভূমি সংরক্ষণ, স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পূর্ণ সংস্কার, কক্সবাজারে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভের ফলক তালিকায় সুভাষ-ফরহাদসহ বাদ পড়া সকল শহীদের নাম অন্তর্ভূক্ত, কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরীর অসমাপ্ত কাজ দ্রুত সমাপ্ত ও পাঠাগার চালু, কক্সবাজার স্টেডিয়ামকে স্থানীয় শহীদদের নামে নামকরণ ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ, ডেভেলপার কোম্পানী প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ ও তাদের ভূমিদস্যুতা এবং পাহাড়কাটা নিয়ন্ত্রণ, স্বল্প আয়ের দরিদ্র লোকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু ও কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার করিম উল্লাহ বলেন, সাগর, পাহাড়, নদী, ঝর্ণা, প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ, মৎস্য সম্পদ, পান, চিংড়ি, লবণ, গাছ সহ বিভিন্ন দ্বীপ- উপদ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত অত্যন্ত সমৃদ্ধ জেলা কক্সবাজার। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য সারা পৃথিবীর মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও দেশে অবহেলিত এই কক্সবাজার। সাগর ও পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখার জন্যে মানুষ কক্সবাজারে ভ্রমণ করতে আসে সেই সাগরের তীর আর পাহাড় ভূমিদস্যুদের দখলে চলে গেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতিনিয়ত হারিয়ে যাচ্ছে। চলছে নির্বিচারে পাহাড় কাটা। এখানে কোন প্রকার মাষ্টারপ্ল্যান প্রকাশ না করে বিমান বন্দর সম্প্রসারণের নামে ৩০ হাজার মানুষকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা চলছে। বাকঁখালী নদীর দুই পাড় ভূমি দস্যুদের দখলে চলে গেছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন চট্রগ্রাম-কক্সবাজারে রেললাইন সম্প্রসারণের কথা শুনা গেলেও এখনো পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়া হয়নি। পর্যটন শিল্পে স্থানীয়দের ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করার পরও তাদের ছেলে-মেয়েরা চাকরী থেকে বঞ্চিত। কক্সবাজারে লেবার কোট চালু না থাকায় শ্রমিকরা মালিকদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নির্যাতিত ও অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবী জেলেরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি জলদস্যু ও ডাকাতদের কারণে মৎস্যসম্পদ আহরণ প্রায় বন্ধের পথে। অন্যদিকে বাসভাড়া প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাড়ছে জনদূর্ভোগ। তাতে কতৃপক্ষের কোন দৃষ্টি নেই।
তিনি বলেন, কক্সবাজার শহরের আয়তন, জনসংখ্যা ও অন্যান্য কর্মকান্ড বহুগুণ বৃদ্ধি পেলেও ব্যাপক উন্নয়নের জন্য পৌরসভার পক্ষে বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। ফলে কক্স্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। ডেভেলপার কোম্পানীগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পাঁচ লক্ষ টাকার ফ্ল্যাটের নামে একটি রুম বিক্রি করছে একাধিকজনের কাছে। জেলার শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্র কক্সবাজার ইন্স্টিটিউট ও পাবলিক লাইব্রেরীটি দীর্ঘদিন যাবৎ পড়ে আছে অযতœ-অবহেলায়। লাইব্রেরীর কাজ শুরু হলেও রহস্যাবৃত কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে।
এ জন্য কক্সবাজারের স্থানীয় দাবি-দাওয়া সমূহ সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরতে আগামী ২০ মার্চ কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ দৌলত ময়দানে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার আহবায়ক ইদ্রিস আহমদ। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) জেলা সভাপতি দীলিপ দাশ, জেলা জাসদ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম আযাদ, জেলা ওয়ার্কাস পাটির সভাপতি হাজি বশিরুল আলম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) জেলা সাধারণ সম্পাদক অনীল দত্ত
সিপিবি নেতা অভিজিৎ পাল, গণফোরাম নেতা গিয়াস উদ্দিন, ছাত্রইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শংকর বড়–য়া রুমি ও রিদুয়ান আলী, জাসদ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান বাহাদুর, গণফোরাম নেতা মোয়াজ্জেম হোসাইন প্রমুখ।
কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ রক্ষা ও স্থানীয়দের র্দূভোগ নিরসনে ২৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আগামী ২০ মার্চ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে তেল-গ্যাস-খনিজ
সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। শনিবার বেলা ১২ টায় কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ও মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়।
দাবি সমুহ হলো, প্রস্তাবিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে রেললাইন স্থাপন দ্রুত বাস্তবায়ন, কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করে নগর পরিকল্পনা বোর্ড গঠন, নির্বিচারে পাহাড় কাটা বন্ধ, সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস সরবরাহ এবং কক্সবাজার পর্যন্ত গ্যাস লাইন সম্প্রসারণ, শহরের মাঝখানে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর না করে অন্যত্র বিমান বন্দর নির্মাণ, জেলার ভূমিহীনদের উচ্ছেদের পায়ঁতারা বন্ধ করে ভূমিহীনদের জমি বরাদ্দ, বঙ্গোপসাগরে জেলেদের পূর্ণ নিরাপত্তা শ্রমিকদের পরিচয় পত্র ও নিয়োগ পত্র দেয়া, হোটেল-রেস্তোঁরা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী নির্ধারণ ও কক্সবাজারে লেবার কোর্ট চালু, পরিকল্পিত ও পরিবেশ বান্ধব পর্যটনশিল্প তৈরী এবং পর্যটন শিল্পে ৬০% স্থানীয়দের নিয়োগ দেয়া, বাঁকখালী নদী খনন ও দুই পাড় রক্ষা, মাতামুহুরী নদীর দুই পাড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধঁ নির্মাণ, লবণ বোর্ড গঠন ও স্বল্পমূল্যে ঋণ বিতরণ এবং লবণ চাষীদের লবণের ন্যায্য মূল্য প্রদান, সোনাদিয়ায় সমুদ্র বন্দর ও এশিয়ান হাইওয়ে নির্মাণ কাজ অবিলম্বে শুরু, অযৌক্তিক বাস ভাড়া কমানো এবং যোগ্যতা সম্পন্ন চালক দ্বারা পরিবহন চালানো, কক্সবাজারে বর্জ্য ও পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, চাষাবাদের জমিতে ইট ভাটা স্থাপন বন্ধ ও কাঠ পুড়ানো বন্ধ, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের দ্রুত স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা অনুপ্রবেশ বন্ধ এবং ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক দ্রব্যের চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, পান চাষীদের সহজ মূল্যে কৃষি ঋণ প্রদান, চাষাবাদের জমিতে তামাক চাষ বন্ধ এবং জমিতে পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদের উৎসাহ প্রদান, চিংড়ি ঘেরের জমি স্থানীয় জনগণ ও প্রকৃত চাষীদের মধ্যে বরাদ্দ, কক্সবাজারের বধ্যভূমি সংরক্ষণ, স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পূর্ণ সংস্কার, কক্সবাজারে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভের ফলক তালিকায় সুভাষ-ফরহাদসহ বাদ পড়া সকল শহীদের নাম অন্তর্ভূক্ত, কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরীর অসমাপ্ত কাজ দ্রুত সমাপ্ত ও পাঠাগার চালু, কক্সবাজার স্টেডিয়ামকে স্থানীয় শহীদদের নামে নামকরণ ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ, ডেভেলপার কোম্পানী প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ ও তাদের ভূমিদস্যুতা এবং পাহাড়কাটা নিয়ন্ত্রণ, স্বল্প আয়ের দরিদ্র লোকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু ও কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার করিম উল্লাহ বলেন, সাগর, পাহাড়, নদী, ঝর্ণা, প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ, মৎস্য সম্পদ, পান, চিংড়ি, লবণ, গাছ সহ বিভিন্ন দ্বীপ- উপদ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত অত্যন্ত সমৃদ্ধ জেলা কক্সবাজার। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য সারা পৃথিবীর মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও দেশে অবহেলিত এই কক্সবাজার। সাগর ও পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখার জন্যে মানুষ কক্সবাজারে ভ্রমণ করতে আসে সেই সাগরের তীর আর পাহাড় ভূমিদস্যুদের দখলে চলে গেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতিনিয়ত হারিয়ে যাচ্ছে। চলছে নির্বিচারে পাহাড় কাটা। এখানে কোন প্রকার মাষ্টারপ্ল্যান প্রকাশ না করে বিমান বন্দর সম্প্রসারণের নামে ৩০ হাজার মানুষকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা চলছে। বাকঁখালী নদীর দুই পাড় ভূমি দস্যুদের দখলে চলে গেছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন চট্রগ্রাম-কক্সবাজারে রেললাইন সম্প্রসারণের কথা শুনা গেলেও এখনো পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়া হয়নি। পর্যটন শিল্পে স্থানীয়দের ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করার পরও তাদের ছেলে-মেয়েরা চাকরী থেকে বঞ্চিত। কক্সবাজারে লেবার কোট চালু না থাকায় শ্রমিকরা মালিকদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নির্যাতিত ও অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবী জেলেরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি জলদস্যু ও ডাকাতদের কারণে মৎস্যসম্পদ আহরণ প্রায় বন্ধের পথে। অন্যদিকে বাসভাড়া প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাড়ছে জনদূর্ভোগ। তাতে কতৃপক্ষের কোন দৃষ্টি নেই।
তিনি বলেন, কক্সবাজার শহরের আয়তন, জনসংখ্যা ও অন্যান্য কর্মকান্ড বহুগুণ বৃদ্ধি পেলেও ব্যাপক উন্নয়নের জন্য পৌরসভার পক্ষে বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। ফলে কক্স্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। ডেভেলপার কোম্পানীগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পাঁচ লক্ষ টাকার ফ্ল্যাটের নামে একটি রুম বিক্রি করছে একাধিকজনের কাছে। জেলার শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্র কক্সবাজার ইন্স্টিটিউট ও পাবলিক লাইব্রেরীটি দীর্ঘদিন যাবৎ পড়ে আছে অযতœ-অবহেলায়। লাইব্রেরীর কাজ শুরু হলেও রহস্যাবৃত কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে।
এ জন্য কক্সবাজারের স্থানীয় দাবি-দাওয়া সমূহ সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরতে আগামী ২০ মার্চ কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ দৌলত ময়দানে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি কক্সবাজার জেলা শাখার আহবায়ক ইদ্রিস আহমদ। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) জেলা সভাপতি দীলিপ দাশ, জেলা জাসদ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম আযাদ, জেলা ওয়ার্কাস পাটির সভাপতি হাজি বশিরুল আলম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) জেলা সাধারণ সম্পাদক অনীল দত্ত
সিপিবি নেতা অভিজিৎ পাল, গণফোরাম নেতা গিয়াস উদ্দিন, ছাত্রইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শংকর বড়–য়া রুমি ও রিদুয়ান আলী, জাসদ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান বাহাদুর, গণফোরাম নেতা মোয়াজ্জেম হোসাইন প্রমুখ।

0 Comments