এম কফিল উদ্দিন, পেকুয়া॥
দুই আঙুলের বিজয় সূচক চিহ্ন দেখানো ছোটমনিদের ছবি ও কথা নিয়ে সারা দেশে আনন্দের জোয়ার বইছে। বাদ যাচ্ছে না পত্র-পত্রিকাও। গত ২৬ডিসেম্বর সোমবার প্রাথমিক
শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের মধ্যদিয়ে দেশের প্রায় ২৪ লাখ শিশু তাদের শিক্ষা জীবনের প্রথম সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে। অথচ পেকুয়া উপকূলের রাজাখালী ইউনিয়নের সুন্দরী পাড়া, নতুন ঘোনা, আমিন বাজার, মগনামা ইউনিয়নের কাক পাড়া, শরৎ ঘোনা, জেটিঘাট, উজানটিয়া ইউনিয়নের করিয়ারদিয়া, টেকপাড়াসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামের প্রায় ৪/৫ হাজার শিশু আজো শিক্ষার সুযোগ পায়নি। মাতামুহুরী ও কুতুবদিয়া নদীর চরে জেগে ওঠা এসব গ্রামে প্রায় ২০হাজার মানুষের বসবাস। এদের মধ্যে শতাধিক লোক সামান্য লিখতে-পড়তে পারলেও বাকিরা সবাই অশিক্ষিত। এসব গ্রামে আজো প্রতিষ্টিত হয়নি কোনো বিদ্যালয় বা মাদ্রাসা। সুন্দরী পাড়া এলাকার মনছুর আলম, কবির আহমদ, আবু ছিদ্দিক, জয়নাল জানান, এগ্রামের লোকের প্রধান পেশা মাছ ধরা। আর শিশুরা ঘুম থেকে উঠেই জড়িয়ে পড়ে জেলেদের সহযোগিতা করার কাজে। মগনামা ইউনিয়নের কাক পাড়া এলাকার ছরওয়ার, মোছন আলী, শিল্পী মোহাম্মদ জানিয়েছেন, এ অঞ্চলের অনেক লোক মাছ ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের অধিকাংশ সন্তানরাও মাছ শুকানোর কাজ করে। এসব গ্রামের সহস্রাধিক শিশু বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া তারা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসাসহ প্রায় সবকয়টি মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত। তবে মোহছেনা বেগম, আয়েশা বেগম, কলি আক্তারসহ অনেক গৃহবধু জানিয়েছেন, তাদের শিশুরা স্থানীয় মসজিদে গিয়ে কায়দা, ছিপারা ও কুরআন শরিফ শিক্ষা গ্রহন করছেন। স্কুল দূরে থাকায় ও সংসারের অভাবের তাড়নায় সন্তান সন্ততিকে মাছ ধরাসহ বিভিন্ন পেশায় কাজ করতে বাধ্য করছেন। সুন্দরী পাড়া এলাকার ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, অনুন্নত যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে উপকূলের গ্রাম সমুহে আজো কোনো শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। উপকূলের অবুঝ শিশুরাসহ নিরক্ষর মানুষগুলো বছরের পর বছর উন্নত চিকিৎসা ও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের মধ্যদিয়ে দেশের প্রায় ২৪ লাখ শিশু তাদের শিক্ষা জীবনের প্রথম সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে। অথচ পেকুয়া উপকূলের রাজাখালী ইউনিয়নের সুন্দরী পাড়া, নতুন ঘোনা, আমিন বাজার, মগনামা ইউনিয়নের কাক পাড়া, শরৎ ঘোনা, জেটিঘাট, উজানটিয়া ইউনিয়নের করিয়ারদিয়া, টেকপাড়াসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামের প্রায় ৪/৫ হাজার শিশু আজো শিক্ষার সুযোগ পায়নি। মাতামুহুরী ও কুতুবদিয়া নদীর চরে জেগে ওঠা এসব গ্রামে প্রায় ২০হাজার মানুষের বসবাস। এদের মধ্যে শতাধিক লোক সামান্য লিখতে-পড়তে পারলেও বাকিরা সবাই অশিক্ষিত। এসব গ্রামে আজো প্রতিষ্টিত হয়নি কোনো বিদ্যালয় বা মাদ্রাসা। সুন্দরী পাড়া এলাকার মনছুর আলম, কবির আহমদ, আবু ছিদ্দিক, জয়নাল জানান, এগ্রামের লোকের প্রধান পেশা মাছ ধরা। আর শিশুরা ঘুম থেকে উঠেই জড়িয়ে পড়ে জেলেদের সহযোগিতা করার কাজে। মগনামা ইউনিয়নের কাক পাড়া এলাকার ছরওয়ার, মোছন আলী, শিল্পী মোহাম্মদ জানিয়েছেন, এ অঞ্চলের অনেক লোক মাছ ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের অধিকাংশ সন্তানরাও মাছ শুকানোর কাজ করে। এসব গ্রামের সহস্রাধিক শিশু বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া তারা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসাসহ প্রায় সবকয়টি মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত। তবে মোহছেনা বেগম, আয়েশা বেগম, কলি আক্তারসহ অনেক গৃহবধু জানিয়েছেন, তাদের শিশুরা স্থানীয় মসজিদে গিয়ে কায়দা, ছিপারা ও কুরআন শরিফ শিক্ষা গ্রহন করছেন। স্কুল দূরে থাকায় ও সংসারের অভাবের তাড়নায় সন্তান সন্ততিকে মাছ ধরাসহ বিভিন্ন পেশায় কাজ করতে বাধ্য করছেন। সুন্দরী পাড়া এলাকার ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, অনুন্নত যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে উপকূলের গ্রাম সমুহে আজো কোনো শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। উপকূলের অবুঝ শিশুরাসহ নিরক্ষর মানুষগুলো বছরের পর বছর উন্নত চিকিৎসা ও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।


0 Comments