এম. রায়হান চৌধুরী, চকরিয়া
চকরিয়া ডুলাহাজারায় বহমান পানখালীখালে বাঁধ দিয়ে এলাকার ১৫ পরিবারের দেড়শতাধিক সদস্যকে অস্থিত্বহীনতায় ফেলে দিয়ে চিংড়ি ঘের নির্মাণ করেছে
প্রভাবশালী চক্র। হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশের ভারসাম্য। ক্ষতি হয়ে যেতে পারে অপূরণীয় হারে। অভিযোগ ও ভূক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ফাঁসিয়াখালী সীমান্তবর্তী বহমান পানখালী খালে ডুলাহাজারা রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার মৃত হাজী আবদুল মালেকের পুত্র আহমদ আলী ও কাশেম আলী, কবির আহমদের পুত্র মোঃ রফিক, মৃত আশকর আলীর পুত্র আমির হামজা, মৃত মোজাফফর আহমদের পুত্র নেজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে সহস্রাধিক মাটি কাটার শ্রমিক নিয়োগ করে প্রভাবশালী গং গত জানুয়ারীর শুরুর দিকে এলাকাবাসীর দুঃখ-দুর্দশার তোয়াক্কা না করে বাঁধ দিয়ে চিংড়ি ঘের নির্মাণ করে বসে। যার দরুণ ওই এলাকার বাতিরছড়া, মগিমারছড়া ও ছাইরাখালী খালে ত্রি-মুখে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে বন্যা কবলিত পানিতে প্লাবিত হয়ে শত-শত একর ফসলি জমি, চিংড়ি প্রকল্প, চকরিয়া সুন্দরবনের অসংখ্য গাছ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার গভীর উদ্বেগ-উৎকন্ঠা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট পরিবেশবাদীরা। ফলে সৃষ্ট কৃত্রিম দুর্যোগে মানবিক বিপর্যয় ঘটে যে কোন মুহুর্তে ভারসাম্যহীন হয়ে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে চরম আশংকা করছে এলাকাবাসী। এদিকে জনস্বার্থ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে এলাকাবাসীর পক্ষে বন জায়গিরদার ভূমিহীন সমবায় সমিতির লিঃ এর সভাপতি মোঃ সরওয়ার আলম বাদী হয়ে প্রভাবশালী গংয়ের এহেন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে উল্লেখিত ৫ব্যক্তিকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অপরদিকে ডুলাহাজারা ইউপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তরুণ আ’লীগ নেতা সাইফুল এহেসান চৌধুরী, সরেজমিন পানখালী খালে নির্মিত বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে প্রশাসনের তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 Comments