কাইছার পারভেজ চৌধূরী
টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৪২ ব্যাটালিয়নের বিশেষ দল উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক, ইকরা কিন্ডার গার্টেনের অধ্যক্ষ ও সিএন্ডএফ এজেন্ট তমাশাকি এন্ড
কোং’র পরিচালক ফরহাদুজ্জামানের অফিস কক্ষে তল্লাশী চালিয়ে ইয়াবার প্যাকেট উদ্ধার করেছে মর্মে ব্যবসায়ীক কাগজপত্র তছনছ, দুই ব্যবসায়ীক পার্টনার ও এক অফিস কর্মচারীকে আটক করে ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে বিজিবি প্যাকেট খুলে দেখতে পান ছোলার ডাল! পরবর্তীতে বিজিবি আটককৃতদের ছেড়ে দেন। এঘটনায় গতকাল ২৯ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৩ টায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ফরহাদুজ্জামান তার প্রতিষ্ঠান তমাশাকি এন্ড কোং কার্যালয়ে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, গতকাল বেলা সাড়ে ১১ টার সময় টেকনাফ সদর বিজিবির কোম্পানী কমান্ডার সিরাজুল হকের নের্তৃত্বে মাদক দ্রব্য (ইয়াবা) সংশ্লিষ্ট অভিযোগ নিয়ে আমার অফিসে তল্লাশী চালায়। এতে আমার অফিসের আমদানী-রপ্তানী বিষয়ক ব্যবসায়ীক মূল্যবান কাগজপত্র তছনছ করা হয়। এ ঘটনা আমার নাটকীয় মনে হওয়ায় স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার একরামুল হক, ব্যবসায়ী নুরুল আবছার সোহেল ও শওকত আলমের উপস্থিতিতে আমার অফিসের ক্যাশ টেবিল খুলে তল্লাশী চালানো হয়। এসময় কোন ধরনের মাদক বা অবৈধ নিষিদ্ধ পন্য উদ্ধার হয়নি। এসময় আমার অফিসে পরিত্যক্ত অবস্থায় মিয়ানমার থেকে আমদানী পন্যের (নমুনা) একটি ছোলার ডালের প্যাকেট উদ্ধার করে বিজিবি। এ প্যাকেটকে বিজিবি ইয়াবা উদ্ধার করেছে প্রচার করে সংশ্লিষ্ট এলাকার হাজার হাজার মানুষের সামনে আমার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীক সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়েছে এবং ঐসময় হ্নীলা চৌধুরীপাড়া থেকে আগত আমার ২ জন ব্যবসায়ীক পার্টনার ও কর্মচারীকে আটক করে ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এখবর পুরো টেকনাফে ছড়িয়ে পড়লে আমার কোটি টাকার সম্মানের ক্ষতি হয়। সে লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, আমার সাথে শত্রুতা করে বিজিবিকে ভুল তথ্য দিয়ে ব্যবসায়ীকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। তাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এ মিথ্যা তথ্যদানকারীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে ৪২ ব্যাটলিয়ন বর্ডার গার্ড (বিজিবি)র বিরুদ্ধে আমি উচ্চ আদালতের শরানাপন্ন হব।

0 Comments