জান্নাতুন নাঈম
ওয়াহিদ একজন দুস্থ পরিবারের লোক এবং নার্সারী প্রেমিক। নার্সারী করে সে এখন সাবলম্বী। এক সময় নিঃস্ব অবস্থার মধ্যে ছিল। কর্মের সন্ধানে সে ১৯৮৬ সালে চট্রগ্রাম
থেকে টেকনাফে চলে আসেন। ওয়াহিদ একজন কর্মঠ এবং পরমূখাপেক্ষীহীন ব্যক্তি। তার দৃষ্টিতে নিজের ভাগ্য নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে এমন আশা আখাংকা নিয়ে সেই নার্সারীর পাশাপাশি সেনিটারী সামগ্রী নির্মাণে মনোনিবেশ করলেন। ১৯৮৯ সালে মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানীর তার এ কর্মপ্রেরণা দেখে তাকে ৩০হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। এবং এই অর্থ দিয়েই ওয়াহিদ নার্সারী কাজ শুরু করেন। এতে সে সাফল্য লাভ করেন। নার্সারীটি টেকনাফ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডস্থ টেকনাফ কক্সবাজার প্রধান সড়কের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পূর্ব পার্শ্বে নার্সারী ফলজ, বনজ ও ঔষুধী গাছসহ প্রায় ২শতাদিক বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা আছে। এই সড়কের পাশে নার্সারী বাগান দেখে অনেক ক্রেতা আভিভূত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ওয়াহিদ তারই দক্ষিণ পাশে সেনিটেশন সামগ্রী নির্মাণ কারখানা স্থাপন করেন। দীর্ঘ ১১বছর যাবৎ এই পেশায় আসার পর ওয়াহিদের জীবনের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছে। সে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের অধিবাসী। বর্তমানে সে ৫সন্তানের জনক। ওয়াহিদ বলেন, যে কোন ব্যক্তির জীবনের উদ্ধশ্যে স্থীর থাকলে এবং ন্যায় নিষ্ট ভাবে জীবন যাপন করলে অবশ্যই জীবনের পরিবর্তন চলে আসে। তিনি বলেন, আমার এ নার্সারী বাগান দেখে স্থানীয় এম,পি সাহেব তার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ওয়াহিদ একজন দুস্থ পরিবারের লোক এবং নার্সারী প্রেমিক। নার্সারী করে সে এখন সাবলম্বী। এক সময় নিঃস্ব অবস্থার মধ্যে ছিল। কর্মের সন্ধানে সে ১৯৮৬ সালে চট্রগ্রাম
থেকে টেকনাফে চলে আসেন। ওয়াহিদ একজন কর্মঠ এবং পরমূখাপেক্ষীহীন ব্যক্তি। তার দৃষ্টিতে নিজের ভাগ্য নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে এমন আশা আখাংকা নিয়ে সেই নার্সারীর পাশাপাশি সেনিটারী সামগ্রী নির্মাণে মনোনিবেশ করলেন। ১৯৮৯ সালে মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানীর তার এ কর্মপ্রেরণা দেখে তাকে ৩০হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। এবং এই অর্থ দিয়েই ওয়াহিদ নার্সারী কাজ শুরু করেন। এতে সে সাফল্য লাভ করেন। নার্সারীটি টেকনাফ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডস্থ টেকনাফ কক্সবাজার প্রধান সড়কের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পূর্ব পার্শ্বে নার্সারী ফলজ, বনজ ও ঔষুধী গাছসহ প্রায় ২শতাদিক বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা আছে। এই সড়কের পাশে নার্সারী বাগান দেখে অনেক ক্রেতা আভিভূত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ওয়াহিদ তারই দক্ষিণ পাশে সেনিটেশন সামগ্রী নির্মাণ কারখানা স্থাপন করেন। দীর্ঘ ১১বছর যাবৎ এই পেশায় আসার পর ওয়াহিদের জীবনের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছে। সে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের অধিবাসী। বর্তমানে সে ৫সন্তানের জনক। ওয়াহিদ বলেন, যে কোন ব্যক্তির জীবনের উদ্ধশ্যে স্থীর থাকলে এবং ন্যায় নিষ্ট ভাবে জীবন যাপন করলে অবশ্যই জীবনের পরিবর্তন চলে আসে। তিনি বলেন, আমার এ নার্সারী বাগান দেখে স্থানীয় এম,পি সাহেব তার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।


0 Comments