আমিনুল ইসলাম
টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় বাড়িতে পতিতা এনে রাতে দেহ ব্যবসা চালানোর ঘটনায় বাঁধা দেওয়ার জেরধরে ১ রোহিঙ্গা প্রকাশ্যে দিনের বেলায় নিজের ঘরে আগুন দিয়ে ছাঁই
করে দিয়েছে। বাধাঁদানকারীদের ফাঁসানোর জন্য নিজেই থানায় যাওয়ার জন্য গিয়ে পলাতক রয়েছে। এলাকাবাসী ভাড়া আনা পতিতাকে আটক করে রাখলেও মেম্বারের মধ্যস্থতায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
জানাযায়-১৬ মার্চ বিকাল পৌনে ৩টারদিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উত্তর জাদীমোরা এলাকায় বাড়ী জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে লোকজনের সাথে কথা বলে জানাযায়-স্থানীয় বুজরুক মিয়া প্রকাশ বাড়–র মেয়ে জামাই রোহিঙ্গা জুবায়ের (৩৫) সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাড়াটে নারী এনে ঘরে রাখে। রাতের বেলা টাকার বিনিময়ে পর পুরুষকে দিয়ে এসব নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। ১৫মার্চ রাতে প্রতিবেশীরা এ খবর পেয়ে বাড়িতে আনা নারীকে তাড়িয়ে দেয়। এতে উক্ত জুবায়ের তার অপর ভাইরা মৃত উলা মিয়ার পুত্র ফরিদ আলমের সাথে চ্যালেঞ্জ করে জুমাবার দুপুরে টেকনাফ পল্লানপাড়া এলাকার রোহিঙ্গা ১ নারীকে জনৈক আলী জোহার তার বাড়িতে এনে রাখে। ফরিদ ও শ্বাশুড়পক্ষ উক্ত মেয়েকে বাহিরে নিয়ে যেতে বললে বলে বেশী সেয়ানাগিরি দেখালে ঘর জ্বালিয়ে তোমাদের মামলায় ফাঁসাব । যেমন কথা তেমন কাজ মুর্হুতের মধ্যে ঘরে আগুন দিলে নিমিষেই ঘর পুড়ে ছাইঁ হয়ে যায়। তা ছাড়া অপর একটি বাড়ীর কিছু অংশও পুঁেড় যায়। এখবর পেয়ে জুমা শেষে চা-দোকানে অবস্থানরত মুসল্লীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। উক্ত জুবায়ের দ্রুত সিএনজি নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়। কিন্তু এলাকাবাসী ভাড়ায় আনা পতিতাকে আটক করে রেখেছে। এঘটনায় স্থানীয় সমাজ সর্দার আব্দুল মোনাফ কোম্পানী নিন্দা জানিয়ে রোহিঙ্গাদের বয়কট করার জন্য এলাকাবাসীকে আহবান জানান।
বিকাল ৫টারদিকে স্থানীয় মেম্বার মোহাম্মদ আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পতিতাকে শাস্তি ও মুছলেকা নিয়ে বিদায় দেয়। তবে এ ব্যাপারে দু’পক্ষকে আর বাড়াবাড়ি না করার জন্য বলে।
টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় বাড়িতে পতিতা এনে রাতে দেহ ব্যবসা চালানোর ঘটনায় বাঁধা দেওয়ার জেরধরে ১ রোহিঙ্গা প্রকাশ্যে দিনের বেলায় নিজের ঘরে আগুন দিয়ে ছাঁই
করে দিয়েছে। বাধাঁদানকারীদের ফাঁসানোর জন্য নিজেই থানায় যাওয়ার জন্য গিয়ে পলাতক রয়েছে। এলাকাবাসী ভাড়া আনা পতিতাকে আটক করে রাখলেও মেম্বারের মধ্যস্থতায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
জানাযায়-১৬ মার্চ বিকাল পৌনে ৩টারদিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উত্তর জাদীমোরা এলাকায় বাড়ী জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে লোকজনের সাথে কথা বলে জানাযায়-স্থানীয় বুজরুক মিয়া প্রকাশ বাড়–র মেয়ে জামাই রোহিঙ্গা জুবায়ের (৩৫) সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাড়াটে নারী এনে ঘরে রাখে। রাতের বেলা টাকার বিনিময়ে পর পুরুষকে দিয়ে এসব নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। ১৫মার্চ রাতে প্রতিবেশীরা এ খবর পেয়ে বাড়িতে আনা নারীকে তাড়িয়ে দেয়। এতে উক্ত জুবায়ের তার অপর ভাইরা মৃত উলা মিয়ার পুত্র ফরিদ আলমের সাথে চ্যালেঞ্জ করে জুমাবার দুপুরে টেকনাফ পল্লানপাড়া এলাকার রোহিঙ্গা ১ নারীকে জনৈক আলী জোহার তার বাড়িতে এনে রাখে। ফরিদ ও শ্বাশুড়পক্ষ উক্ত মেয়েকে বাহিরে নিয়ে যেতে বললে বলে বেশী সেয়ানাগিরি দেখালে ঘর জ্বালিয়ে তোমাদের মামলায় ফাঁসাব । যেমন কথা তেমন কাজ মুর্হুতের মধ্যে ঘরে আগুন দিলে নিমিষেই ঘর পুড়ে ছাইঁ হয়ে যায়। তা ছাড়া অপর একটি বাড়ীর কিছু অংশও পুঁেড় যায়। এখবর পেয়ে জুমা শেষে চা-দোকানে অবস্থানরত মুসল্লীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। উক্ত জুবায়ের দ্রুত সিএনজি নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়। কিন্তু এলাকাবাসী ভাড়ায় আনা পতিতাকে আটক করে রেখেছে। এঘটনায় স্থানীয় সমাজ সর্দার আব্দুল মোনাফ কোম্পানী নিন্দা জানিয়ে রোহিঙ্গাদের বয়কট করার জন্য এলাকাবাসীকে আহবান জানান।
বিকাল ৫টারদিকে স্থানীয় মেম্বার মোহাম্মদ আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পতিতাকে শাস্তি ও মুছলেকা নিয়ে বিদায় দেয়। তবে এ ব্যাপারে দু’পক্ষকে আর বাড়াবাড়ি না করার জন্য বলে।


0 Comments