এম রায়হান চৌধুরী
চকরিয়া উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া টানা দু‘দিনের বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি গতকাল শনিবার পর্যন্ত চলমান
থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন থমকে দাড়িয়েছে। দু দিন সরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকলেও শনিবারে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা খোলা থাকায় ছাত্রছাত্রীদের যাতায়তে অসুবিধার সম্মূখীন হতে হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শ্রমজীবী মানুষ গুলো সারাদিন মূষলধারে বৃষ্টির কারণে ঘর থেকেও বের হতে পারেনি। এদিকে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারনে চকরিয়া পৌরসভা বিভিন্ন রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গেছে। অনেক এলাকায় রাস্তা দিয়ে বৃষ্টির পানি দ্রুত বের হতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। চকরিয়া পৌর সদর চিরিংগা বাস ষ্টেশন এলাকার মহাসড়কের ইসলামী ব্যাংকের সামনে ওয়ান ওয়ে সড়কের উপর হাটু সমান পানি জমে থাকায় পথচারী, রিক্সা, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। চকরিযা বিমান বন্দর এলাকায় দু‘পাশে জনগন চলাচলের রাস্তা না করে সেনাবাহিনী কতৃক পুরো বিমান বন্দর এলাকা কাটা তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলায় পৌর সভার ৩টি ওয়ার্ডের হাজার হাজার বাসিন্দাদের চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে। বিমান বন্দরের দু‘ পাশের কর্দমাক্ত পথ দিয়ে শিশু-কিশোর ও স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়–য়া ছাত্রছাত্রীদেরকে বিদ্যালয়ে যাতায়ত করতে হয়েছে। চবরিয়া পৌর কতৃপক্ষের আগাম প্রস্তুতি না থাকায় হঠাৎ বৃষ্টিতে ড্রেনের কর্দমাক্ত পানি বিভিন্ন সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা গেছে। বিভিন্ন সড়ক দিয়ে চলাচলকারী জনসাধার কে হাটু সমান পানি পেরিয়ে যাতায়তে সিমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পৌরসভার পানি চলাচলের ভরে যাওয়ায় ড্রেন গুলো সংস্কার না করলে আগামী বর্ষা মৌসুমে পৌরবাসীর দূর্ভোগ আরোও বেড়ে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ করছে এলাকাবাসী।

0 Comments