মোবারক উদ্দিন নয়ন
আজ ১৪ ফেব্র“য়ারি। বিশ্ব ভালবাসা দিবস। প্রিয়জনকে নতুন করে ভালবাসা নিবেদনের দিন আজ। চার অক্ষরের একটি শব্দ ‘ভালবাসা’। ছোট এ শব্দটির আবেদন অনেক ব্যাপক। ভালবাসা ছাড়া পৃথিবীতে অনেক কিছুই অকল্পনীয়। এর জন্য প্রাণও দিয়েছেন অনেকে।
ভালবাসা ছিল, ভালবাসা থাকবেÑ এটাই চিরন্তন সত্য। এ ভালবাসাকে হƒদয়ে ধারণ করতে প্রতি বছরের ১৪ ফেব্র“য়ারি দুনিয়াজুড়ে পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব ভালবাসা দিবস। আজ সেই বিশেষ দিন। ভালবাসার রঙে রঙিন বিশ্ব ভালবাসা দিবস! ভালবাসার এদিনে প্রকৃতিতেও লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া। গতকালই ছিল বসন্তের প্রথম দিন। পয়লা ফাল্গুন। আবহমান বাঙালির চিরন্তন ভালবাসা আর অনুভূতি প্রকাশের দিন। নির্দিষ্ট কোনো দিনেই কেবল ভালবাসা প্রকাশ করতে হবেÑ এমন নয়। তবুও ভ্যালেন্টাইনস ডেতে নিজের প্রিয়জনের কাছে ভালবাসা প্রকাশে অনেক বেশি উদগ্রীব থাকি আমরা সবাই। ভালবাসা সবার জন্য। তবে বিশেষভাবে তরুণ প্রজšে§র কাছে এ দিনটি খুবই কাক্সিক্ষত। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও এখন বেশ আড়ম্বরপূর্ণভাবেই দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, প্রথা ভেঙে খ্রিষ্টপূর্ব ২৭০ অব্দে খ্রিষ্টান ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বিয়ে করেন তার প্রেয়সীকে। তিনি নিশ্চিত জানতেন, এ বিয়ে করলে তাকে মৃত্যুর জন্য ‘হেমলক’ পান করতে হবে! তবুও তিনি ভালবেসে বিয়ে করেছেন এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে নিয়েছেন! তারপর কেটে গেছে কয়েক শতাব্দী। বিশ্বের দেশে দেশে দিনটি এখন পালিত হচ্ছে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে। যদিও বিশ্বের নানা দেশে এ নিয়ে রয়েছে নানা মত। দিবসটিকে ঘিরে প্রেমিক-প্রেমিকাদের মাঝে অচেনা উষ্ণ উš§াদনার সৃষ্টি হয়। একে অন্যের মুখোমুখি হওয়ার প্রতীক্ষার প্রহর গুনতে থাকে।
ভালবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মা-বাবা-ভাই-বোন-বন্ধুÑ সবার পরস্পরের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের দিন এ বিশ্ব ভালবাসা দিবস। যদিও ভালবাসা প্রকাশের জন্য কোনো বিশেষ দিন বা ক্ষণের প্রয়োজন পড়ে না। বিশেষ এ দিনটি ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস নিয়ে এসেছে পোশাকের বর্ণিল আয়োজন। যুগলদের জন্য রঙ-বেরঙের বৈচিত্র্যময় পোশাক নিয়ে এসেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। রঙের ক্ষেত্রে লাল, গোলাপি, নীল, সাদা, কমলা, কালো, হলুদ আর সবুজকে প্রাধান্য দিচ্ছে এড্রয়েট, আড়ং, বাংলার মেলা, রঙ, বিবিআনার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, ফিউশন, শার্ট প্রভৃতি পোশাকেও আনা হয়েছে বৈচিত্র্যের ঢং। সব পোশাকেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভালবাসার রঙ আর অনুভূতি। ভালবাসার বাংলা গান-কবিতা নিয়ে বিশেষ ডিজাইনের মগ ও কার্ড তৈরি করেছে গিফট শপগুলো। এ ছাড়া ভালবাসা গানের নানা ধরনের সিডি সংকলনও পাওয়া যাবে এসব শপে। সুতরাং, বিশ্ব ভালবাসা দিবসে আপনি খুব সহজেই প্রিয়জনের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করতে পারেন এসব উপহার সামগ্রীর মাধ্যমে। ভালবাসার এই দিনে সবার প্রতি অনেক অনেক ভালবাসা।
আজ ১৪ ফেব্র“য়ারি। বিশ্ব ভালবাসা দিবস। প্রিয়জনকে নতুন করে ভালবাসা নিবেদনের দিন আজ। চার অক্ষরের একটি শব্দ ‘ভালবাসা’। ছোট এ শব্দটির আবেদন অনেক ব্যাপক। ভালবাসা ছাড়া পৃথিবীতে অনেক কিছুই অকল্পনীয়। এর জন্য প্রাণও দিয়েছেন অনেকে।
ভালবাসা ছিল, ভালবাসা থাকবেÑ এটাই চিরন্তন সত্য। এ ভালবাসাকে হƒদয়ে ধারণ করতে প্রতি বছরের ১৪ ফেব্র“য়ারি দুনিয়াজুড়ে পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব ভালবাসা দিবস। আজ সেই বিশেষ দিন। ভালবাসার রঙে রঙিন বিশ্ব ভালবাসা দিবস! ভালবাসার এদিনে প্রকৃতিতেও লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া। গতকালই ছিল বসন্তের প্রথম দিন। পয়লা ফাল্গুন। আবহমান বাঙালির চিরন্তন ভালবাসা আর অনুভূতি প্রকাশের দিন। নির্দিষ্ট কোনো দিনেই কেবল ভালবাসা প্রকাশ করতে হবেÑ এমন নয়। তবুও ভ্যালেন্টাইনস ডেতে নিজের প্রিয়জনের কাছে ভালবাসা প্রকাশে অনেক বেশি উদগ্রীব থাকি আমরা সবাই। ভালবাসা সবার জন্য। তবে বিশেষভাবে তরুণ প্রজšে§র কাছে এ দিনটি খুবই কাক্সিক্ষত। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও এখন বেশ আড়ম্বরপূর্ণভাবেই দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, প্রথা ভেঙে খ্রিষ্টপূর্ব ২৭০ অব্দে খ্রিষ্টান ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বিয়ে করেন তার প্রেয়সীকে। তিনি নিশ্চিত জানতেন, এ বিয়ে করলে তাকে মৃত্যুর জন্য ‘হেমলক’ পান করতে হবে! তবুও তিনি ভালবেসে বিয়ে করেছেন এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে নিয়েছেন! তারপর কেটে গেছে কয়েক শতাব্দী। বিশ্বের দেশে দেশে দিনটি এখন পালিত হচ্ছে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে। যদিও বিশ্বের নানা দেশে এ নিয়ে রয়েছে নানা মত। দিবসটিকে ঘিরে প্রেমিক-প্রেমিকাদের মাঝে অচেনা উষ্ণ উš§াদনার সৃষ্টি হয়। একে অন্যের মুখোমুখি হওয়ার প্রতীক্ষার প্রহর গুনতে থাকে।
ভালবাসা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মা-বাবা-ভাই-বোন-বন্ধুÑ সবার পরস্পরের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের দিন এ বিশ্ব ভালবাসা দিবস। যদিও ভালবাসা প্রকাশের জন্য কোনো বিশেষ দিন বা ক্ষণের প্রয়োজন পড়ে না। বিশেষ এ দিনটি ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস নিয়ে এসেছে পোশাকের বর্ণিল আয়োজন। যুগলদের জন্য রঙ-বেরঙের বৈচিত্র্যময় পোশাক নিয়ে এসেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। রঙের ক্ষেত্রে লাল, গোলাপি, নীল, সাদা, কমলা, কালো, হলুদ আর সবুজকে প্রাধান্য দিচ্ছে এড্রয়েট, আড়ং, বাংলার মেলা, রঙ, বিবিআনার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, ফিউশন, শার্ট প্রভৃতি পোশাকেও আনা হয়েছে বৈচিত্র্যের ঢং। সব পোশাকেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভালবাসার রঙ আর অনুভূতি। ভালবাসার বাংলা গান-কবিতা নিয়ে বিশেষ ডিজাইনের মগ ও কার্ড তৈরি করেছে গিফট শপগুলো। এ ছাড়া ভালবাসা গানের নানা ধরনের সিডি সংকলনও পাওয়া যাবে এসব শপে। সুতরাং, বিশ্ব ভালবাসা দিবসে আপনি খুব সহজেই প্রিয়জনের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করতে পারেন এসব উপহার সামগ্রীর মাধ্যমে। ভালবাসার এই দিনে সবার প্রতি অনেক অনেক ভালবাসা।


0 Comments