উখিয়া প্রতিনিধি
উখিয়ায় ৪বছর পূর্বে ২লক্ষ টাকার কাবিন নামা মূলে লিখিত স্টাম্পে বিয়ে সম্পন্ন হয় সৌদি প্রবাসী টেকনাফ বটতলী গ্রামের মৃত নেজার আহমদের পুত্র মোঃ রফিকের সাথে হলদিয়া পালং ইউনিয়নের গুরাইয়ার দ্বীপ গ্রামের রহমত উল্লাহর কণ্যা ফাতেমা বেগম এর। এ ঘটনায় মরিচ্যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী মোঃ রফিক মক্কা নগরী থেকে প্রতি মাসে ৪/৫ হাজার টাকা করে ভরন পোষনের জন্য দিয়ে আসছিল ফাতেমাকে। বিধি বাম এত দিনে ধরে স্বামী মোঃ রফিক
দেশে ফিরে না আসায় ফাতেমা বেগম এর বাবা মেয়েকে অন্যত্রে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মক্কা নগরীর খোদায় এলাকা বসবাসকারী মোঃ রফিক মুঠো ফোনে জানান, আমি দীর্ঘ ৪ বছর ধরে ফাতেমা বেগম কে আমার স্ত্রী হিসেবে জেনে প্রতি মাসে ভরন পোষনের জন্য টাকা দিয়ে আসছি। কিন্তু কেন জানি না আমার স্ত্রী হিসেবে একটি কাগজে দুই লাখ টাকা মুল্যে কাবিন হওয়ার পর ও ফাতেমা বেগম কে অন্যত্রে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমার নিকট থেকে গ্রহণ করা প্রায় ১৫ হাজার টাকা ফেরত দিলে ও কাবিন ভেঙে ফেললে আমার কোন আপত্তি থাকবে না। অভিযুক্ত মেয়ের বাবা রহমত উল্লাহর সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে রফিক দেশে ফিরে না আসায় আমার মেয়েকে অন্যত্রে বিয়ে দিলে কোন সমস্যা নেই। যে স্টাম্পে বিয়ে হয়েছে তার নং-১০১৪০। এব্যাপারে এলাকাবাসী বলেন, টাকার লোভে ফাতেমার বাবা প্রবাসী জামাইকে তার টাকা পয়সা নেয়ার পর অন্যত্রে বিয়ে দিচ্ছে।
উখিয়ায় ৪বছর পূর্বে ২লক্ষ টাকার কাবিন নামা মূলে লিখিত স্টাম্পে বিয়ে সম্পন্ন হয় সৌদি প্রবাসী টেকনাফ বটতলী গ্রামের মৃত নেজার আহমদের পুত্র মোঃ রফিকের সাথে হলদিয়া পালং ইউনিয়নের গুরাইয়ার দ্বীপ গ্রামের রহমত উল্লাহর কণ্যা ফাতেমা বেগম এর। এ ঘটনায় মরিচ্যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী মোঃ রফিক মক্কা নগরী থেকে প্রতি মাসে ৪/৫ হাজার টাকা করে ভরন পোষনের জন্য দিয়ে আসছিল ফাতেমাকে। বিধি বাম এত দিনে ধরে স্বামী মোঃ রফিক
দেশে ফিরে না আসায় ফাতেমা বেগম এর বাবা মেয়েকে অন্যত্রে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মক্কা নগরীর খোদায় এলাকা বসবাসকারী মোঃ রফিক মুঠো ফোনে জানান, আমি দীর্ঘ ৪ বছর ধরে ফাতেমা বেগম কে আমার স্ত্রী হিসেবে জেনে প্রতি মাসে ভরন পোষনের জন্য টাকা দিয়ে আসছি। কিন্তু কেন জানি না আমার স্ত্রী হিসেবে একটি কাগজে দুই লাখ টাকা মুল্যে কাবিন হওয়ার পর ও ফাতেমা বেগম কে অন্যত্রে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমার নিকট থেকে গ্রহণ করা প্রায় ১৫ হাজার টাকা ফেরত দিলে ও কাবিন ভেঙে ফেললে আমার কোন আপত্তি থাকবে না। অভিযুক্ত মেয়ের বাবা রহমত উল্লাহর সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে রফিক দেশে ফিরে না আসায় আমার মেয়েকে অন্যত্রে বিয়ে দিলে কোন সমস্যা নেই। যে স্টাম্পে বিয়ে হয়েছে তার নং-১০১৪০। এব্যাপারে এলাকাবাসী বলেন, টাকার লোভে ফাতেমার বাবা প্রবাসী জামাইকে তার টাকা পয়সা নেয়ার পর অন্যত্রে বিয়ে দিচ্ছে।


0 Comments