মোবারক উদ্দিন নয়ন
পর্যটন ও সীমান্ত নগরী কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়ি উদ্ধেগজনক হারে বেড়ে গেছে। সদ্য পাসকৃত 'পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন-২০১২' সমর্্পকে সচেতন নয় অনেকে। এতে অনেক নারী-পুরুষ ও শিশুকে
সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে এবং ধ্বংশ হচ্ছে যুব সমাজ।
জানা গেছে, কক্সবাজার শহর সহ জেলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও মার্কেটে অসংখ্য কম্পিউটারে সংরক্ষিত পর্নোগ্রাফি মোবাইল ফোনে ডাউনলোড দিয়ে সারা জেলার অসংখ্য যুবকের হাতে পর্নোগ্রাফি ছড়িয়ে পড়ছে। সমপ্রতি সময়ে র্যাব কতর্ৃক কক্সবাজারের বিলকিস মার্কেটে অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি সংরক্ষন-ব্যবহার ও ডাউনলোড দেওয়ার অভিযোগে কয়েকটি কম্পিউটার জব্দ ও কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেও বন্ধ হয়নি এসব পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়ি। এসব পর্নোগ্রাফির কারনে অনেক নারী-পুরুষ ও শিশুকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে এবং ধ্বংশ হচ্ছে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা ছাত্র সহ যুব সমাজ। চলতি বছরে পাসকৃত পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন'২০১২ সমর্্পকে সচেতন নয় অনেকে। পাসকৃত পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইনে পর্নোগ্রাফির উপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সবের্্বাচ্চ ১০বছরের কারাদন্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার শাস্তির বিধান রেখে গত ২৯ জানুয়ারী জাতীয় সংসদে চূড়ান্ত ভাবে পাশকৃত আইনে বলা হয়েছে, যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন; যা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজুয়াল চিত্র, স্থিরচিত্র, গ্রাফিক্স বা অন্যকোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য, যার কোন শৈল্পীক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই। এছাড়া যৌন উত্তজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাসর্্কয, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কাটুন বা লিপলেট এবং উল্লেখিত বিষয়ের নেগেটিভ ও সফ্ট ভার্সন পর্নোগ্রাফি হিসেবে গন্য হবে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন'২০১২ এর ৪ধারায় বলা হয়েছে, পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষন, বাজারজাত করণ, বহন, সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শন দন্ডনীয় অপরাধ। ৫ ধারা মতে, পর্নোগ্রাফির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সম মযর্াদার কর্মকর্তাকে দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে উধর্্বতন কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে আরো ১৫দিন এবং আদালতের অনুমোদন পাওয়া গেলে আরো ৩০ দিন পর্যন্ত তদন্তের সময় বাড়ানো যাবে। পর্নোগ্রাফির ঘটনায় জড়িত যে কোন ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করা এবং পর্নোগ্রাফি সরঞ্জাম জব্দের জন্য তল্লাশি চালানো যাবে। কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন বা এ উদ্দেশ্যে অংশগ্রহনকারী সংগ্রহ করে চুক্তিপত্র তৈরি করলে অথবা কোন নারী বা পুরুষ বা শিশুকে জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে স্থির, ভিডিও বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে কারো মর্যাদাহানি বা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা হলে, এমনকি এ জাতীয় কিছু সংরক্ষণ বা পরিবহন করা হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি ২থেকে ৫ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ১ থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানায় দন্ডিত হবে। শিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণকারীর জন্য সবচেয়ে বেশী শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান আছে। পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তাকারীও একই দন্ডে দন্ডিত হবে। পর্নোগ্রাফি আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধ আমল যোগ্য এবং জামিন অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। যে কেউ পর্নোগ্রাফির অপরাধে দোষী সাব্যস্থ হলে ৩০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপীল করা যাবে। এছাড়া এ আইনে মিথ্যা অভিযোগ দায়েরকারীর বিরুদ্ধেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্য দিকে কক্সবাজার জেলা সহ সারাদেশে বর্তমানে পর্নোগ্রাফি যে কারো হাতের নাগালে পাওয়া যাচ্ছে। এতে যুব সামাজ উচ্চন্নে যাচ্ছে। অনেক সহজ সরল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রী সহ গৃহ বধূ পর্যন্ত এসব পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও সংক্রমনে জড়িত হচ্ছে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন সম্পর্কে সচেতনতা থাকলে পর্নোগ্রাফি বহন-সংরক্ষন ও ব্যবহার কমে যাবে বলে অনেকে মনে করেন।
পর্যটন ও সীমান্ত নগরী কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়ি উদ্ধেগজনক হারে বেড়ে গেছে। সদ্য পাসকৃত 'পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন-২০১২' সমর্্পকে সচেতন নয় অনেকে। এতে অনেক নারী-পুরুষ ও শিশুকে
সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে এবং ধ্বংশ হচ্ছে যুব সমাজ।
জানা গেছে, কক্সবাজার শহর সহ জেলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও মার্কেটে অসংখ্য কম্পিউটারে সংরক্ষিত পর্নোগ্রাফি মোবাইল ফোনে ডাউনলোড দিয়ে সারা জেলার অসংখ্য যুবকের হাতে পর্নোগ্রাফি ছড়িয়ে পড়ছে। সমপ্রতি সময়ে র্যাব কতর্ৃক কক্সবাজারের বিলকিস মার্কেটে অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি সংরক্ষন-ব্যবহার ও ডাউনলোড দেওয়ার অভিযোগে কয়েকটি কম্পিউটার জব্দ ও কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেও বন্ধ হয়নি এসব পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়ি। এসব পর্নোগ্রাফির কারনে অনেক নারী-পুরুষ ও শিশুকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে এবং ধ্বংশ হচ্ছে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা ছাত্র সহ যুব সমাজ। চলতি বছরে পাসকৃত পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন'২০১২ সমর্্পকে সচেতন নয় অনেকে। পাসকৃত পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইনে পর্নোগ্রাফির উপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সবের্্বাচ্চ ১০বছরের কারাদন্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার শাস্তির বিধান রেখে গত ২৯ জানুয়ারী জাতীয় সংসদে চূড়ান্ত ভাবে পাশকৃত আইনে বলা হয়েছে, যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন; যা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজুয়াল চিত্র, স্থিরচিত্র, গ্রাফিক্স বা অন্যকোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য, যার কোন শৈল্পীক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই। এছাড়া যৌন উত্তজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাসর্্কয, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কাটুন বা লিপলেট এবং উল্লেখিত বিষয়ের নেগেটিভ ও সফ্ট ভার্সন পর্নোগ্রাফি হিসেবে গন্য হবে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন'২০১২ এর ৪ধারায় বলা হয়েছে, পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষন, বাজারজাত করণ, বহন, সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শন দন্ডনীয় অপরাধ। ৫ ধারা মতে, পর্নোগ্রাফির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সম মযর্াদার কর্মকর্তাকে দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে উধর্্বতন কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে আরো ১৫দিন এবং আদালতের অনুমোদন পাওয়া গেলে আরো ৩০ দিন পর্যন্ত তদন্তের সময় বাড়ানো যাবে। পর্নোগ্রাফির ঘটনায় জড়িত যে কোন ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করা এবং পর্নোগ্রাফি সরঞ্জাম জব্দের জন্য তল্লাশি চালানো যাবে। কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন বা এ উদ্দেশ্যে অংশগ্রহনকারী সংগ্রহ করে চুক্তিপত্র তৈরি করলে অথবা কোন নারী বা পুরুষ বা শিশুকে জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে স্থির, ভিডিও বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে কারো মর্যাদাহানি বা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা হলে, এমনকি এ জাতীয় কিছু সংরক্ষণ বা পরিবহন করা হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি ২থেকে ৫ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ১ থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানায় দন্ডিত হবে। শিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণকারীর জন্য সবচেয়ে বেশী শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান আছে। পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তাকারীও একই দন্ডে দন্ডিত হবে। পর্নোগ্রাফি আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধ আমল যোগ্য এবং জামিন অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। যে কেউ পর্নোগ্রাফির অপরাধে দোষী সাব্যস্থ হলে ৩০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপীল করা যাবে। এছাড়া এ আইনে মিথ্যা অভিযোগ দায়েরকারীর বিরুদ্ধেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্য দিকে কক্সবাজার জেলা সহ সারাদেশে বর্তমানে পর্নোগ্রাফি যে কারো হাতের নাগালে পাওয়া যাচ্ছে। এতে যুব সামাজ উচ্চন্নে যাচ্ছে। অনেক সহজ সরল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রী সহ গৃহ বধূ পর্যন্ত এসব পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও সংক্রমনে জড়িত হচ্ছে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন সম্পর্কে সচেতনতা থাকলে পর্নোগ্রাফি বহন-সংরক্ষন ও ব্যবহার কমে যাবে বলে অনেকে মনে করেন।

0 Comments