মহেশখালী প্রতিনিধি
গত ৫ ফেব্রুয়ারী মহেশখালী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল মৌলভী
সাঈদুল হক ফাউন্ডেশন আয়োজিত শহীদ জিয়া স্মৃতি মেধা বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। কিন্তু কতৃপক্ষ অনুমুতি না দেয়ায় পরবর্তীতে ভ্যানু ঠিক করা হয় মহেশখালী লিডারশীপ কলেজ মাঠে। কলেজ কতর্ৃপক্ষের অনুমুতি ও ভাড়া পরিশোধ করে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু অনুষ্ঠানের আগের রাতে হঠাৎ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এটিএম কাউসার হোসেন অনুষ্ঠান স্থলে শান্তিভঙ্গের আশংকায় জারি করলেন ১৪৪ ধারা। অজুহাত মুক্তিযোদ্ধা পরিষদও একই সময়ে একই স্থানে তাদের সভা করার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন। ১৪৪ ধারা দেয়ায় নির্ধারিত স্থানে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হতে পারেনি। পরবর্তীতে গোরকঘাটা জামেয়া আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ওই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কাউসার হোসেনের পুত্র মহেশখালী কেজী এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র লাবিন কাউসার তার মাকে নিয়ে এসেছে বৃত্তির পুরস্কার নিতে। ইউএনও জারি করলেন ১৪৪ ধারা আর তার স্ত্রী পুত্র নিতে এলেন পুরস্কার....। এ ঘটনা দেখে অনুষ্ঠানস্থলে অনেকে মন্তব্য করেছেন ইউএনও সাহেব কী তাহলে চাপের মুখেই ১৪৪ ধারা জারি করলেন?
গত ৫ ফেব্রুয়ারী মহেশখালী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল মৌলভী
সাঈদুল হক ফাউন্ডেশন আয়োজিত শহীদ জিয়া স্মৃতি মেধা বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। কিন্তু কতৃপক্ষ অনুমুতি না দেয়ায় পরবর্তীতে ভ্যানু ঠিক করা হয় মহেশখালী লিডারশীপ কলেজ মাঠে। কলেজ কতর্ৃপক্ষের অনুমুতি ও ভাড়া পরিশোধ করে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু অনুষ্ঠানের আগের রাতে হঠাৎ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এটিএম কাউসার হোসেন অনুষ্ঠান স্থলে শান্তিভঙ্গের আশংকায় জারি করলেন ১৪৪ ধারা। অজুহাত মুক্তিযোদ্ধা পরিষদও একই সময়ে একই স্থানে তাদের সভা করার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন। ১৪৪ ধারা দেয়ায় নির্ধারিত স্থানে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হতে পারেনি। পরবর্তীতে গোরকঘাটা জামেয়া আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ওই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কাউসার হোসেনের পুত্র মহেশখালী কেজী এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র লাবিন কাউসার তার মাকে নিয়ে এসেছে বৃত্তির পুরস্কার নিতে। ইউএনও জারি করলেন ১৪৪ ধারা আর তার স্ত্রী পুত্র নিতে এলেন পুরস্কার....। এ ঘটনা দেখে অনুষ্ঠানস্থলে অনেকে মন্তব্য করেছেন ইউএনও সাহেব কী তাহলে চাপের মুখেই ১৪৪ ধারা জারি করলেন?

0 Comments