ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
লামা বনবিভাগের ডলুছড়ি ফরেষ্ট চেক পোষ্ট দিয়ে প্রতিদিন জীপ ও ট্রাক দিয়ে লাখ লাখ টাকার কাঠ
পাচার হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ও বনবিটের বনকর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসুত্রে স্থানীয় ইটভাটা ও তামাক চুলি্ল মালিকদের কাছে এসব কাঠ পাচার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা গেছে, লামা বনবিভাগের ডলুছড়ি রেঞ্জ ও বনবিটের সামনে বসানো চেকপোষ্ট লামা প্রশাসন থেকে দূরে হওয়ার কারণে স্থানীয় কাঠ চোর ও ব্যবসায়ীদের সাথে আতাঁত করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আজিজনগর ,চীপতলী ও গজালিয়া সড়কের একমাত্র চেকপোষ্ট ডলুছড়ি রেঞ্জ কার্যলয়ের সামনে দিয়ে ৩০ থেকে ৪০টি গাড়ি দিয়ে কার্ঠ পাচারের সুযোগ করে দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব টাকা সরকারী কোষাগারে এক টাকাও জমা হচ্ছেনা। এছাড়া ইটভাটা মালিক ও পাশর্্ববর্তী লোহাগাড়া, সাতকানিয়ার শতাধিক ইটভাটা মালিকদের সাথে জড়িত হয়ে ট্রাক যোগে কাঠ পাচার করার কারণে সংরক্ষিত বনের কাঠ এখন উজাড় হওয়ার পথে। এসব অনিয়ম ও কাঠপাচার রোধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এ রেঞ্জ ও বনবিটের সংশ্লিষ্টরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এব্যাপারে প্রশাসনিক ভাবে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে উক্ত রেঞ্জ ও বনবিটের সংশ্লিষ্টরা সরকারী কাঠ বিক্রিয়ের মাধ্য আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যেতে বেশীদিন সময় লাগবেনা বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
লামা বনবিভাগের ডলুছড়ি ফরেষ্ট চেক পোষ্ট দিয়ে প্রতিদিন জীপ ও ট্রাক দিয়ে লাখ লাখ টাকার কাঠ
পাচার হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ও বনবিটের বনকর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসুত্রে স্থানীয় ইটভাটা ও তামাক চুলি্ল মালিকদের কাছে এসব কাঠ পাচার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা গেছে, লামা বনবিভাগের ডলুছড়ি রেঞ্জ ও বনবিটের সামনে বসানো চেকপোষ্ট লামা প্রশাসন থেকে দূরে হওয়ার কারণে স্থানীয় কাঠ চোর ও ব্যবসায়ীদের সাথে আতাঁত করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আজিজনগর ,চীপতলী ও গজালিয়া সড়কের একমাত্র চেকপোষ্ট ডলুছড়ি রেঞ্জ কার্যলয়ের সামনে দিয়ে ৩০ থেকে ৪০টি গাড়ি দিয়ে কার্ঠ পাচারের সুযোগ করে দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব টাকা সরকারী কোষাগারে এক টাকাও জমা হচ্ছেনা। এছাড়া ইটভাটা মালিক ও পাশর্্ববর্তী লোহাগাড়া, সাতকানিয়ার শতাধিক ইটভাটা মালিকদের সাথে জড়িত হয়ে ট্রাক যোগে কাঠ পাচার করার কারণে সংরক্ষিত বনের কাঠ এখন উজাড় হওয়ার পথে। এসব অনিয়ম ও কাঠপাচার রোধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এ রেঞ্জ ও বনবিটের সংশ্লিষ্টরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এব্যাপারে প্রশাসনিক ভাবে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে উক্ত রেঞ্জ ও বনবিটের সংশ্লিষ্টরা সরকারী কাঠ বিক্রিয়ের মাধ্য আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যেতে বেশীদিন সময় লাগবেনা বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

0 Comments