প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নাজিরার টেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্রের বালিয়াড়ি প্রভাবশালীদের হাতে দিন দিন দখল হয়ে যাচ্ছে। গতকাল কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষন
পরিষদের নেতৃবৃন্দ পরিদর্শন করার সময় ভয়াবহ এ চিত্র দেখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় লোকজন প্রতিনিধিদলকে জানান, কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন সৈকতের বালিয়াড়ি প্রতিনিয়তই দখল করে নিচ্ছে। সেই সাথে ওই জায়গাতে থাকা ঝাউগাছগুলো রাতের আধারে কেটে ফেলতে শুরু করেছে। এমনকি গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সময়ে বিপুল পরিমাণ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে বন বিভাগ ইতিমধ্যে এসব বনদস্যুদের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলাও দায়ের করেছেন। একই সাথে উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমাণ কাঠ। তাই সাগর বেষ্টিত ঝাউবাগান রক্ষার করতে বন বিভাগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষন পরিষদ। পরিদর্শন টিমে ছিলেন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষন পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দিপু, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল মামুন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল মজিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মুহি প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশসহ বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নাজিরার টেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্রের বালিয়াড়ি প্রভাবশালীদের হাতে দিন দিন দখল হয়ে যাচ্ছে। গতকাল কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষন
পরিষদের নেতৃবৃন্দ পরিদর্শন করার সময় ভয়াবহ এ চিত্র দেখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় লোকজন প্রতিনিধিদলকে জানান, কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন সৈকতের বালিয়াড়ি প্রতিনিয়তই দখল করে নিচ্ছে। সেই সাথে ওই জায়গাতে থাকা ঝাউগাছগুলো রাতের আধারে কেটে ফেলতে শুরু করেছে। এমনকি গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সময়ে বিপুল পরিমাণ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে বন বিভাগ ইতিমধ্যে এসব বনদস্যুদের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলাও দায়ের করেছেন। একই সাথে উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমাণ কাঠ। তাই সাগর বেষ্টিত ঝাউবাগান রক্ষার করতে বন বিভাগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষন পরিষদ। পরিদর্শন টিমে ছিলেন কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষন পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দিপু, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল মামুন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল মজিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মুহি প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশসহ বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

0 Comments