আমিনুল ইসলাম, টেকনাফ
স্মরণকালের সেরা প্রেম কাহিনী রোমিও এবং জুলিয়েটের সম্পর্কে আমরা কম বেশী সবাই জানি। তাদের ছিল অনেক করম্নণ প্রেম, আবেগময় জীবন ও
দ্ব্যর্থহীন ভালবাসা। তাদের এ ভালবাসা আটকিয়ে রাখতে পারেনি কোন শক্তি। কিন্তু কালের বিবর্তনে বাসত্দবতাকে মেনে তাদের এ ভালবাসাকে উৎসর্গ করে যেতে হয়েছে। অবশেষে রোমিওর স্থান হয়েছিল কফিনে। তৎকালীন উচচ বংশের উচচ বিলাসী রোমিওর চাল-চলন ছিল বিলাসবহুল। উচচ বিলাসী হলেও রোমিও দিতে চেয়েছিল তার প্রেমের পূর্ণতা। তার স্মরণকালের সেরা প্রেম আজ গোটা বিশ্ববাসীর কাছে অমর হয়ে আছে। কিন্তু হায়রে একি নিয়তি ,কালের পরিবর্তনে আজ যে কেউ রোমিও হতে চলেছে।
বিশেষ করে এ রোমিওদের এখন চোখে পড়ছে টেকনাফের উলুবনিয়া, হোয়াইক্যং বাজার,নয়াবাজার,খারাংখালী,মৌলভীবাজার,হ্নীলাবাসস্টেশন,পুরানবাজার,হাসপাতালগেইট, রংগীখালী, লেদা, টেকনাফ উপজেলা গেইট,টেকনাফ পাইলট স্কুল,কলেজরোড, সাবরাং বাজার,বশির আহমদ উচচ বিদ্যালয়,হাজী নবী হোসেন উচচ বিদ্যালয়,বাহারছড়ার স্কুল মাদ্রাসার ও যাত্রী ছাউনী সমুহের আশ-পাশ এদের তৎপরতা বেশী।
প্রত্যনত্দ এলাকায়। তাদের একটাই উদ্দেশ্য জুলিয়েটদের খোঁজে বের করা। এ টগবগে যুবকদের রোমিও বানানোর পেছনে যে কাহিনী জড়িয়ে আছে তা হলো ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যবসা। আজ শুধু ইয়াবা ব্যবসায় তাদের রোমিও সাজিয়েছে। ইয়াবার কাঁচা পয়সা দিয়ে কুমিলস্না সীমানত্দ হয়ে চোরাই পথে আসা অত্যাধুনিক মোটর বাইক নিয়ে পাড়ি জমাচেছ এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে, এ কলেজ থেকে ঐ মাদ্রাসায়। আশ-পাশ ও গেইটের সামনে অধীর আগ্রহে অপেৰায় থাকে; কখন তাদের জুলিয়েটরা স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার গেইটে আসবে। ঠিক যে মুর্হুতে গেইটে আসে তখনই শুরম্ন হয় ইভটিজিং ! তখন জুলিয়েটদের লজ্জায় মাথা নিচু করে চলে যাওয়া ছাড়া কোন উপায়ই থাকেনা। হায়-রে জাতি! তৎকালীন রোমিও তো এমন ছিলনা । তারা বুকে লালন করতো পবিত্র একটি প্রেম । কিন্তু আজ কেন এই করম্নণ পরিণতি। এই ইয়াবা রোমিওদের কারণে কেন নারী শিৰা ব্যাহত হবে। আজ জাতির বিবেকের কাছে টেকনাফের সচেতন মহলের প্রশ্ন ঃ এ বয়সে যাদের স্থান হতো দেশের নামী-দামী কলেজ ভার্সিটিতে , তাদের রাসত্দা-ঘাটে বখাটেপনার জন্য দায়ী কারা।
স্মরণকালের সেরা প্রেম কাহিনী রোমিও এবং জুলিয়েটের সম্পর্কে আমরা কম বেশী সবাই জানি। তাদের ছিল অনেক করম্নণ প্রেম, আবেগময় জীবন ও
দ্ব্যর্থহীন ভালবাসা। তাদের এ ভালবাসা আটকিয়ে রাখতে পারেনি কোন শক্তি। কিন্তু কালের বিবর্তনে বাসত্দবতাকে মেনে তাদের এ ভালবাসাকে উৎসর্গ করে যেতে হয়েছে। অবশেষে রোমিওর স্থান হয়েছিল কফিনে। তৎকালীন উচচ বংশের উচচ বিলাসী রোমিওর চাল-চলন ছিল বিলাসবহুল। উচচ বিলাসী হলেও রোমিও দিতে চেয়েছিল তার প্রেমের পূর্ণতা। তার স্মরণকালের সেরা প্রেম আজ গোটা বিশ্ববাসীর কাছে অমর হয়ে আছে। কিন্তু হায়রে একি নিয়তি ,কালের পরিবর্তনে আজ যে কেউ রোমিও হতে চলেছে।
বিশেষ করে এ রোমিওদের এখন চোখে পড়ছে টেকনাফের উলুবনিয়া, হোয়াইক্যং বাজার,নয়াবাজার,খারাংখালী,মৌলভীবাজার,হ্নীলাবাসস্টেশন,পুরানবাজার,হাসপাতালগেইট, রংগীখালী, লেদা, টেকনাফ উপজেলা গেইট,টেকনাফ পাইলট স্কুল,কলেজরোড, সাবরাং বাজার,বশির আহমদ উচচ বিদ্যালয়,হাজী নবী হোসেন উচচ বিদ্যালয়,বাহারছড়ার স্কুল মাদ্রাসার ও যাত্রী ছাউনী সমুহের আশ-পাশ এদের তৎপরতা বেশী।
প্রত্যনত্দ এলাকায়। তাদের একটাই উদ্দেশ্য জুলিয়েটদের খোঁজে বের করা। এ টগবগে যুবকদের রোমিও বানানোর পেছনে যে কাহিনী জড়িয়ে আছে তা হলো ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যবসা। আজ শুধু ইয়াবা ব্যবসায় তাদের রোমিও সাজিয়েছে। ইয়াবার কাঁচা পয়সা দিয়ে কুমিলস্না সীমানত্দ হয়ে চোরাই পথে আসা অত্যাধুনিক মোটর বাইক নিয়ে পাড়ি জমাচেছ এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে, এ কলেজ থেকে ঐ মাদ্রাসায়। আশ-পাশ ও গেইটের সামনে অধীর আগ্রহে অপেৰায় থাকে; কখন তাদের জুলিয়েটরা স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার গেইটে আসবে। ঠিক যে মুর্হুতে গেইটে আসে তখনই শুরম্ন হয় ইভটিজিং ! তখন জুলিয়েটদের লজ্জায় মাথা নিচু করে চলে যাওয়া ছাড়া কোন উপায়ই থাকেনা। হায়-রে জাতি! তৎকালীন রোমিও তো এমন ছিলনা । তারা বুকে লালন করতো পবিত্র একটি প্রেম । কিন্তু আজ কেন এই করম্নণ পরিণতি। এই ইয়াবা রোমিওদের কারণে কেন নারী শিৰা ব্যাহত হবে। আজ জাতির বিবেকের কাছে টেকনাফের সচেতন মহলের প্রশ্ন ঃ এ বয়সে যাদের স্থান হতো দেশের নামী-দামী কলেজ ভার্সিটিতে , তাদের রাসত্দা-ঘাটে বখাটেপনার জন্য দায়ী কারা।

0 Comments