Advertisement

টেকনাফে বর্মী জঙ্গী নেতার নিরাপদ ঠিকানা

বিশেষ প্রতিবেদক
টেকনাফ পৌরসভার সর্বত্রে জমির মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে রোহিঙ্গা নাগরিকরা। তারা বিদেশী কিংবা চোরাচালানির অর্থ দিয়ে সেখানকার জমি স্থানীয়দের চেয়ে দ্বিগুন মূল্যে ক্রয়
করছেন। ফলে সীমান্তের প্রকৃত বাংলাদেশীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে পৌরসভার পুরান পল্লান পাড়ার মাতাব্বর মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত মৌলভী জাফর নামক এক রোহিঙ্গা নাগরিক সেখানে আলিশান বাড়ি নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ১৯৯১সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আগমন ,জঙ্গী সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গাজেশন (আর .এস .ও)সংগঠনে সংপৃক্ত থাকার অভিযোগ সকলের মুখেমুখে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য উক্ত বর্মী নাগরিক স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কে ম্যানেজ করে বাংলাদেশের জম্মসনদ পর্যন্ত সংগ্রহ করেছেন। সূত্রে জানায়, বর্তমানে তার দুই ছেলে খালেদ সৈাদি আরবে ও মাহবুব মালয়শিয়ায় অবস্থান করছে। এরাই আর এস ও জঙ্গী সংগঠনের  চাদারঁ টাকা বাংলাদেশে প্রেরণ করছে পিতার নামে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির পক্ষে লাখ লাখ টাকা নিয়ে সহযোগিতা করচ্ছেন, জনৈক ইবনে আমিন ও  ফরিদ আহম্মদ প্রকাশ এনজিও ফরিদ। দীর্ঘদিন যাবত ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে সহযোগিতা করছেন টেকনাফ বাস ষ্টেশন আবু ছিদ্দিক মাকের্টের সাগর এন্টার প্রাইজ ও শ্যামল বাংলা সোসাইটির অফিসটি মৌং জাফরের  মালিকাধীন ফরিদ উপভাড়াটিয়া হিসেবে কাজ করছে। ফরিদ সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল দোকান করে দেওয়ার তার বাড়ির ভাওয়ানদারী করে দেওয়ার এবং জোর পূর্বক অন্যজনের দখলীয় জমি কিনে দেওয়ার চুক্তি হয়।সে চুক্তির ভিত্তিতে প্যানেল মেয়র রুবিনা আক্তার রুবি নাম ব্যবহার করে চলছে ।  টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে মিয়ানমার নাগরিকরা নির্মান করে যাচ্ছে মার্কেট ও বসত বাড়ী । প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব মার্কেট ও বসতবাড়ী নির্মিত হলেও সংশিষ্টরা নিরব ভূমিকা পালন করায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাছাড়া কোন অদৃশ্যতায়  এসব ভবনের নকসা অনুমোদন হলো এবং জমির খতিয়ান সৃজিত হলো তা ও স্থানীয় সচেতন মহলের কাছে রহস্য হয়ে রয়েছে।  বিশেষ করে এসব মিয়ানমার নাগরিকদের অধিকাংশই পূর্বে মিয়ানমারের বিভিন্ন জঙ্গী গোষ্ঠির সাথে সম্পৃক্ত থাকায় দেশের নিরাপত্তা হুমকির মূখে পড়তে পারে বলে সচেতন মহল আশংকা প্রকাশ করেছে।  অনুসন্ধানে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার টিএন্ডটি রোডের ওমর হাজী র্মাকেটের পিছনে মিয়ানমার জঙ্গি সংগঠন আর এস ও’র লিডার আবু তাহেরের বিশাল মার্কেট, কায়ুকখালী পাড়া এলাকায় মিয়ানমার নাগরিক বাদশার বাড়ী, বাস টার্মিনাল এলাকায় অপর এক মিয়ানমার নাগরিকের বিশাল দোতলা ভবন, গ্রীণ গার্ডেন সংলগ্ন এলাকায় প্রধান সড়কে কয়েকটি সুউচ্চ ভবন নির্মিত হচ্ছে। যেসব ভবনের মালিক মিয়ানমার নাগরিক।  জানা যায়, টিএন্ডটি রোডের অবৈধ মার্কেটের মালিক মিয়ানমার মন্ডু থানার সুদার দিয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ হাসেমের পুত্র আবু তাহের। মিয়ানমার জঙ্গী সংগঠন আরএসও নেতা মৌং জাফর ও আবু তাহের সহ  কৌশলে বিদেশে পাড়ি জমায় । পরে টেকনাফে থাকা তার আত্বীয়দের কাছে টাকা পাঠিয়ে মার্কেট ও ডেইল পাড়ায় বাড়ী নির্মান কাজ শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।  আবু তাহের মিয়ানমার নাগরিক এ অভিযোগ উঠায় মার্কেটের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে পৌর কর্তৃপক্ষ  নোটিশ প্রদান ও কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও  বর্তমানে  মার্কেটের নির্মান কাজ অব্যাহত রয়েছে । সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এভাবে দেখে ও না দেখার ভান করে থাকায় টেকনাফে অবৈধ মিয়ানমার নাগরিকদের স্থায়ী বসবাস বাড়ছে । সচেতন মহল মনে করছে এ মুহুর্তে দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তদন্ত পুর্বক মিয়ানমার নাগরিকদের মালিকানাধীন অবৈধ মার্কেট ও বাড়ীর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন জরুরী। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম নাজিম উদ্দিন জানান, নির্মানাধীন ভবনের মালিক মিয়ানমারের নাগরিক কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।

Post a Comment

0 Comments