এম নুরুদ্দোজা :
চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চকরিয়া পেকুয়ার সংসদ সদস্য কোঠায় কাবিখা প্রকল্পের অধীনে বরাদ্ধ দেয়া ১২মে,টন খাদ্য শষ্যের মধ্যে নাম মাত্র ৭০/৮০হাজার টাকার কাজ করে অবশিষ্ট টাকা আত্বসাৎ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে একই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার জয়নাল আবেদীন। তার বিরুদ্ধে এলাকার শতাধিক লোক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাকি বিল্লাহ জানান, স্থানীয় জনগনের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ওই প্রকল্পটি সরেজমিনে পরিদর্শনে যান এবং জনগনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ইতিপূর্বে উত্তোলিত ৬টন চালের কাজও সঠিক ভাবে না হওয়ায় বাকি ৬টন চাল বরাদ্ধের কোঠা স্থগিত রাখা হয়েছে। ওই ইউনিয়নের শতাধিক লোক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগে দাবী করেছেন, বহদ্দারকাটা বাশঁখালী পাড়া হতে পাহাড়িয়া পাড়া হয়ে কন্যারকুম বেঁড়িবাধ পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্ণীতি চলছে। এ ব্যাপারে ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার জয়নাল আবেদীন দাবী করেছেন, তিনি ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের নির্বাচনের আগে সংঘটিত ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন এবং জেলে থাকাবস্থায় মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন। তাই দয়া পরবশ হয়ে সংসদ সদস্য তাকে রাস্তা সংস্কারের জন্য ১২মে.টন চাল বরাদ্ধ দেন যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪লাখ টাকা। স্থানীয় জনগন দাবী করেছেন, বরাদ্ধ দেয়া খাদ্যশষ্য সরকারী ভাবে বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। তাই ওই রাস্তা সংস্কার কাজে কাবিখার বিধিমালা অনুয়ায়ী নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষেভের সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগে আরো দাবী করা হয়েছে, প্রকল্প কমিটির চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন কর্মসৃজন প্রকল্পের অধিনে নিয়োজিত শ্রমিকদের দ্বারা ওই রাস্তা সংস্কার কাজে মাটি ভরাট করে কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ দেয়া খাদ্য শষ্য লুটপাটের চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী সরেজমিনে তদন্ত করে রাস্তা সংস্কার কাজের অনিয়ম দূর্নীতির রহস্য উৎঘাটনের দাবী জানিয়েছেন।

0 Comments