ডেস্ক রিপোর্ট
অমর একুশে বইমেলায় এবার 'ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছর' পূর্তির প্রতিপাদ্য নিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা
হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গৌরব আর ঐতিহ্যের অধিকারী বাঙালি জাতি তার মেধা দিয়ে আরো বেশি সমৃদ্ধ করবে। গতকাল বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।বিকেল সাড়ে ৩টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য শেষে ৪টা ৩৫ মিনিটে এবারের বইমেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে তিনি বইমেলার উদ্বোধনী স্মারকে স্বাৰর করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে পর্দা ওঠে অমর একুশে বইমেলার। এবারের মেলা চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এ মেলার পাশাপাশি মেলার রবীন্দ্রমঞ্চে চলবে বাংলা একাডেমীর মাসব্যাপী মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানমালা। প্রধানমন্ত্রী একই সাথে এ উদ্বোধন করেন। লেখক-পাঠক, প্রকাশক এবং সংস্কৃতিপ্রিয় মানুষের মহা মিলনমেলার এ উপুরো ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলবে। বইয়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর লোভ থাকায় প্রতিবছরই বইমেলা থেকে এবং সারা বছরই বই কিনার কথা উলেস্নখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নতুন প্রজন্মের লেখকদের প্রতি অনুরোধ মনের খোরাক জোগানোর মতো বই রচনা করবেন। পাশাপাশি দর যে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রাম, অর্জন রয়েছে তাও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্ম নিজেদের শিকড়ের সন্ধান করছে। এসব বইয়ের মাধ্যমে তাদের শিকড়কে অনুভব করাতে শেখাতে হবে। এ শিকড় তাদের মনের মধ্যে প্রোথিত করে দিতে হবে।বাংলা একাডেমীর সভাপতি প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে 'গেস্ট অব অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কবি, লেখক, অনুবাদক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক উইলিয়াম র্যাডিচে। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। বইমেলা উদ্বোধনের পর বাংলা একাডেমীর ৮ তলা নতুন প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি মেলা পরিদর্শন করে কিছু বই কিনেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
অমর একুশে বইমেলায় এবার 'ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছর' পূর্তির প্রতিপাদ্য নিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা
হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গৌরব আর ঐতিহ্যের অধিকারী বাঙালি জাতি তার মেধা দিয়ে আরো বেশি সমৃদ্ধ করবে। গতকাল বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।বিকেল সাড়ে ৩টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য শেষে ৪টা ৩৫ মিনিটে এবারের বইমেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে তিনি বইমেলার উদ্বোধনী স্মারকে স্বাৰর করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে পর্দা ওঠে অমর একুশে বইমেলার। এবারের মেলা চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এ মেলার পাশাপাশি মেলার রবীন্দ্রমঞ্চে চলবে বাংলা একাডেমীর মাসব্যাপী মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানমালা। প্রধানমন্ত্রী একই সাথে এ উদ্বোধন করেন। লেখক-পাঠক, প্রকাশক এবং সংস্কৃতিপ্রিয় মানুষের মহা মিলনমেলার এ উপুরো ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলবে। বইয়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর লোভ থাকায় প্রতিবছরই বইমেলা থেকে এবং সারা বছরই বই কিনার কথা উলেস্নখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নতুন প্রজন্মের লেখকদের প্রতি অনুরোধ মনের খোরাক জোগানোর মতো বই রচনা করবেন। পাশাপাশি দর যে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংগ্রাম, অর্জন রয়েছে তাও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্ম নিজেদের শিকড়ের সন্ধান করছে। এসব বইয়ের মাধ্যমে তাদের শিকড়কে অনুভব করাতে শেখাতে হবে। এ শিকড় তাদের মনের মধ্যে প্রোথিত করে দিতে হবে।বাংলা একাডেমীর সভাপতি প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে 'গেস্ট অব অনার' হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কবি, লেখক, অনুবাদক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক উইলিয়াম র্যাডিচে। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। বইমেলা উদ্বোধনের পর বাংলা একাডেমীর ৮ তলা নতুন প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি মেলা পরিদর্শন করে কিছু বই কিনেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।


0 Comments