মোবারক উদ্দিন নয়ন
পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে পর্যটন নগরীর গল্ফ মাঠে শুরম্ন হয়েছে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। মেলাকে সামনে রেখে মেলার বেশির ভাগ
দোকান গুলোতে দেশি-বিদেশি নকল ও নিম্নমানের পণ্যে সয়লাব হয়ে গেছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শুধুমাত্র মেলায় বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের নামি-দামি ব্রান্ডের নকল ও ভেজাল পণ্য সামগ্রি মজুদ রেখে বিক্রি করছে। জুতা-সেন্ডেলের দোকানে দেখা গেছে, নিম্নমানের সেন্ডেল সাজিয়ে রেখেছে পুরো দোকান। এসব সেন্ডেলের গায়ে একদাম লিখা থাকলেও ক্রেতা বুঝে বিভিন্ন দরে বিক্রি করছে এসব পণ্য সামগ্রি। অপর দিকে দেশি-বিদেশি ভাল ব্রান্ডের নাম ব্যবহার করে নকল প্রসাধনী সামগ্রি নানা কৌশলে মেলায় আগন্তুকদের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে। আসল পণ্যের সাথে নকল হুবহু মিল থাকায় সরল বিশ্বাসে ক্রেতারাও কিনে নিচ্ছে এসব নকল ও ভেজাল পণ্য।
আসলে এসব পণ্যগুলো বুঝার উপায় নেই কোনটা আসল কোনটা নকল। সচেতন ক্রেতা ছাড়া দোকানদারদের এহেন কারসাজি বুঝে উঠা মুশকিল। তাছাড়া এসকল নকল পণ্যের কমদাম ও মান নিয়ন্ত্রণহীন উপাদান দিয়ে তৈরি করে গায়ে আসল পণ্যের ব্রান্ড ও লেভেল লাগিয়ে দেদারছে বিক্রি করে যাচ্ছে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী। ফলে মেলায় আসা ক্রেতারা প্রতিনিয়ত আর্থিকভাবে যেমন ৰতির শিকার হচ্ছে তেমনি ভাবে সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার। কঙ্বাজার সরকারি করেজের ছাত্রী হিরা জান্নাত মুক্তা জানায়, গত ২ দিন আগে যে মেলা থেকে ২৫০টাকায় এক জোড়া সেন্ডেল কিনে প্রথম দিন কলেজে যেতে পারলেও ২য় দিন সেন্ডেলের তলা উঠে যাওয়ায় আর পরতে পারেনি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে কসমেটিঙ্রে দোকানেও ভেজাল ও নকল প্রসাধনী বিক্রি করছে নির্দিধায়। বিশেষ করে জেলার প্রত্যনত্দ অঞ্চল থেকে আগত দর্শনার্থীরা এসকল পণ্য কিনে সবচেয়ে বেশি ঠকে যাচ্ছে। আবার খাবারের দোকান গুলোতে চলছে গলাকাটা বাণিজ্য। প্রথমবার এই সমসত্দ খাবারের দোকানগুলোতে ঢুকলেও ২য় বার অনেকেই মুখ ফিরিয়ে চলে আসে। এছাড়া বিভিন্ন বস্ত্র বিপনীতেও নিম্নমানের কাপড়ের রমরমা বাণিজ্য। সেখানেও দেখা গেছে কাপড়ের উপর একদাম লেখা থাকলেও ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি করছে সাধারণ ক্রেতাদের নিকট। আর ক্রেতাদের অভিযোগ, এই সমসত্দ কাপড় একবার ধোয়ার পর ২য় বার ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। অপরদিকে কিছু দোকানে রয়েছে কমিশনের ছড়াছড়ি। তবে কৌশলে বিভিন্ন কৌশলে এই সমসত্দ দোকানে পণ্য বিক্রয় করলেও এসকল পণ্য সামগ্রি হচ্ছে নকল ও নিম্নমানের।
পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে পর্যটন নগরীর গল্ফ মাঠে শুরম্ন হয়েছে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। মেলাকে সামনে রেখে মেলার বেশির ভাগ
দোকান গুলোতে দেশি-বিদেশি নকল ও নিম্নমানের পণ্যে সয়লাব হয়ে গেছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শুধুমাত্র মেলায় বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের নামি-দামি ব্রান্ডের নকল ও ভেজাল পণ্য সামগ্রি মজুদ রেখে বিক্রি করছে। জুতা-সেন্ডেলের দোকানে দেখা গেছে, নিম্নমানের সেন্ডেল সাজিয়ে রেখেছে পুরো দোকান। এসব সেন্ডেলের গায়ে একদাম লিখা থাকলেও ক্রেতা বুঝে বিভিন্ন দরে বিক্রি করছে এসব পণ্য সামগ্রি। অপর দিকে দেশি-বিদেশি ভাল ব্রান্ডের নাম ব্যবহার করে নকল প্রসাধনী সামগ্রি নানা কৌশলে মেলায় আগন্তুকদের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে। আসল পণ্যের সাথে নকল হুবহু মিল থাকায় সরল বিশ্বাসে ক্রেতারাও কিনে নিচ্ছে এসব নকল ও ভেজাল পণ্য।
আসলে এসব পণ্যগুলো বুঝার উপায় নেই কোনটা আসল কোনটা নকল। সচেতন ক্রেতা ছাড়া দোকানদারদের এহেন কারসাজি বুঝে উঠা মুশকিল। তাছাড়া এসকল নকল পণ্যের কমদাম ও মান নিয়ন্ত্রণহীন উপাদান দিয়ে তৈরি করে গায়ে আসল পণ্যের ব্রান্ড ও লেভেল লাগিয়ে দেদারছে বিক্রি করে যাচ্ছে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী। ফলে মেলায় আসা ক্রেতারা প্রতিনিয়ত আর্থিকভাবে যেমন ৰতির শিকার হচ্ছে তেমনি ভাবে সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার। কঙ্বাজার সরকারি করেজের ছাত্রী হিরা জান্নাত মুক্তা জানায়, গত ২ দিন আগে যে মেলা থেকে ২৫০টাকায় এক জোড়া সেন্ডেল কিনে প্রথম দিন কলেজে যেতে পারলেও ২য় দিন সেন্ডেলের তলা উঠে যাওয়ায় আর পরতে পারেনি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে কসমেটিঙ্রে দোকানেও ভেজাল ও নকল প্রসাধনী বিক্রি করছে নির্দিধায়। বিশেষ করে জেলার প্রত্যনত্দ অঞ্চল থেকে আগত দর্শনার্থীরা এসকল পণ্য কিনে সবচেয়ে বেশি ঠকে যাচ্ছে। আবার খাবারের দোকান গুলোতে চলছে গলাকাটা বাণিজ্য। প্রথমবার এই সমসত্দ খাবারের দোকানগুলোতে ঢুকলেও ২য় বার অনেকেই মুখ ফিরিয়ে চলে আসে। এছাড়া বিভিন্ন বস্ত্র বিপনীতেও নিম্নমানের কাপড়ের রমরমা বাণিজ্য। সেখানেও দেখা গেছে কাপড়ের উপর একদাম লেখা থাকলেও ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি করছে সাধারণ ক্রেতাদের নিকট। আর ক্রেতাদের অভিযোগ, এই সমসত্দ কাপড় একবার ধোয়ার পর ২য় বার ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। অপরদিকে কিছু দোকানে রয়েছে কমিশনের ছড়াছড়ি। তবে কৌশলে বিভিন্ন কৌশলে এই সমসত্দ দোকানে পণ্য বিক্রয় করলেও এসকল পণ্য সামগ্রি হচ্ছে নকল ও নিম্নমানের।

0 Comments