Advertisement

গল্ফ মাঠে আবারো মেলার নামে বেহায়াপনা


মোবারক উদ্দিন নয়ন
সুশীল সমাজের মতামত উপেক্ষা করে কক্সবাজার জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজিত বস্ত্র, হস্ত, কুটির শিল্প প্রদর্শনী ও বিক্রয় মেলা- ২০১২ শেষ না হতেই একই মাঠে শিল্প ও
বাণিজ্য মেলার নামে অশ্লীল নৃত্য, জুয়া আর মাদকের জমজমাট আসর ঝিঁয়ে রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে চেম্বার অব কমার্সের নাম ব্যবহার করে একদল দুষ্ট চক্র। ইতোমধ্যেই তারা উক্ত মাঠে আরো একমাস মেলা পরিচালনার অনুমোদন চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে। তবে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অনুমোদন না মেলায় এখনো পর্যন্ত চক্রটি পুরোপুরি মেলা শুরু করতে না পারলেও দৌঁড়-ঝাঁপ অব্যাহত রেখেছে। ধারণা করা হচ্ছে, রোববার সরকারি খোলার দিন চক্রটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেলা পরিচালনার অনুমোদন পেলেই ওই দিন থেকে শুরু হবে আবারো জমজমাট বেহায়াপনা। একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র জানিয়েছে ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাত্র ৪৫ দিনের জন্য অনুমোদন নিয়ে পর্যটন গল্ফ মাঠে মেলার আয়োজন করেছিল মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড। এরপর তারা রহস্যজনক ভাবে পুরো মেলা পরিচালনার দায়িত্বভার অ-মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদান করলে তারা নির্ধারিত ৪৫দিন অতিক্রম করে। এক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড চলমান মেলার সময় বৃদ্ধির আপ্রাণ চেষ্টা করলেও জেলা প্রশাসক মহোদয় তাদের আর সময় বৃদ্ধির সুযোগ দেননি। ফলে অভিযোগ উঠেছে, ইতোপূর্বে মেলার সুফল পাওয়া এই চক্রের কয়েকজন সদস্য কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের গুটি কয়েক ব্যবসায়ীদের সাথে আঁতাত করে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে সেখানে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার অজুহাত দেখিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আরেকটি আবেদন জমা দেয়। কিন্তু সরকারি ছুটির দিন পড়ে যাওয়ায় আবেদিত মেলার আয়োজকরা পড়েন বিপাকে।
এই অবস্থায় কক্সবাজারের সচেতন মহলের মতামত হচ্ছে, পর্যটন গল্ফ মাঠে যেন এই বছর আর কোন মেলার অনুমোদন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেয়া না হয়। কারণ ইতোপূর্বে যারা সেখানে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন তারা স্বচ্ছতা দেখাতে পারেননি। দেখাতে পেরেছেন শুধু যত্রতত্র বখাটে উৎপাত, জুয়া, মদ, পতিতার সমাহার। মেলা অভ্যন্তরে ছিল লটারির নামে জুয়া। ষ্টেইজে নৃত্যের তালে তালে নগ্ন দেহ প্রদর্শনী ছাড়াও নানা আপত্তিকর দৃশ্য।

Post a Comment

0 Comments