সেলিম উদ্দীন
ঈদগাঁওর এক কবিরাজকে কক্সবাজারের জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। লাখ টাকা চাঁদার
দাবীতে ঘোনা পাড়ার কতিপয় দুবর্ৃত্ত ২ ফেব্রুয়ারী তাকে দিন ভর জিম্মি করে রাখে এক বাড়ীতে। থানা পুলিশের সহযোগিতায় উক্ত কবিরাজকে উদ্ধার এবং ঘটনার সাথে জড়িত এক মহিলাকে আটক করা হয়। সংঘটিত ঘটনায় মডেল থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, কক্সবাজার শহরের ঘোনার পাড়ার বার্মাইয়া কালু ও হারেছ দীর্ঘ দিন যাবৎ ঈদগাঁও বাজারের বনলতা কবিরাজী ঔষধালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী ডাঃ নুরুল আলমের কাছ থেকে পাইকারী হিসাবে ঔষধ পত্র কিনে নিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিল। ১লা ফেব্রুয়ারী রাতে যুবকদ্বয় ঈদগাঁওর কবিরাজের দোকানে আসে। এ সময় কবিরাজের ক্যাশ বক্সে ছিল তার সমপ্রতি কাবিনকৃত দু'কন্যার স্বর্ণালংকার ক্রয়ের ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। কবিরাজ জরুরী প্রয়োজনে দু'যুবকে রেখে তার চেম্বার থেকে নিচে নামলে তারা ক্যাশ বক্সে রক্ষিত সমূদয় টাকা নিয়ে মুহুর্তে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে কবিরাজ যুবকদ্বয়ের মোবাইলে একাধিকবার যেগাযোগের চেষ্টা করে। কিন্তু তারা রিসিভ না করায় কবিরাজ তাদের সাথে কথা বলতে পাওে নি।
পর দিন (২ ফেব্রুয়ারী ) ঐ যুবকরা তাকে মোবাইলে ডেকে কক্সবাজার শহরে নিয়ে যায়। পরে ঘোনা পাড়ার মোঃ কালুর বাড়ীতে আটকে রেখে তাকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন, মারধর এবং তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা দাবী করে। খবর পেয়ে কবিরাজের আত্মীয়-স্বজনরা মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় বিকেলে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় কালুর স্ত্রী রাশেদাকে ঘটনায় জড়িত থাকায় আটক করে। এসআই আকরাম সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে এ অভিযানটি চালায়। এ সময় সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা কৌশলে পালিয়ে যায়। সংঘটিত ঘটনায় ৬ জনকে আসামী করে গত রাতে এ রিপোর্ট লিখার সময় মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চালাচ্ছিল কবিরাজের স্ত্রী আলম আরা বেগম। এতে ৬/৭ জনকে আসামী করা হচ্ছে। আসামীরা হলো মোহাম্মদ কালু, রাশেদা, সেলিম, হারেছ, জাহেদ, সোহেল ও জরিনা।
ঈদগাঁওর এক কবিরাজকে কক্সবাজারের জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। লাখ টাকা চাঁদার
দাবীতে ঘোনা পাড়ার কতিপয় দুবর্ৃত্ত ২ ফেব্রুয়ারী তাকে দিন ভর জিম্মি করে রাখে এক বাড়ীতে। থানা পুলিশের সহযোগিতায় উক্ত কবিরাজকে উদ্ধার এবং ঘটনার সাথে জড়িত এক মহিলাকে আটক করা হয়। সংঘটিত ঘটনায় মডেল থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, কক্সবাজার শহরের ঘোনার পাড়ার বার্মাইয়া কালু ও হারেছ দীর্ঘ দিন যাবৎ ঈদগাঁও বাজারের বনলতা কবিরাজী ঔষধালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী ডাঃ নুরুল আলমের কাছ থেকে পাইকারী হিসাবে ঔষধ পত্র কিনে নিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিল। ১লা ফেব্রুয়ারী রাতে যুবকদ্বয় ঈদগাঁওর কবিরাজের দোকানে আসে। এ সময় কবিরাজের ক্যাশ বক্সে ছিল তার সমপ্রতি কাবিনকৃত দু'কন্যার স্বর্ণালংকার ক্রয়ের ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। কবিরাজ জরুরী প্রয়োজনে দু'যুবকে রেখে তার চেম্বার থেকে নিচে নামলে তারা ক্যাশ বক্সে রক্ষিত সমূদয় টাকা নিয়ে মুহুর্তে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে কবিরাজ যুবকদ্বয়ের মোবাইলে একাধিকবার যেগাযোগের চেষ্টা করে। কিন্তু তারা রিসিভ না করায় কবিরাজ তাদের সাথে কথা বলতে পাওে নি।
পর দিন (২ ফেব্রুয়ারী ) ঐ যুবকরা তাকে মোবাইলে ডেকে কক্সবাজার শহরে নিয়ে যায়। পরে ঘোনা পাড়ার মোঃ কালুর বাড়ীতে আটকে রেখে তাকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন, মারধর এবং তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা দাবী করে। খবর পেয়ে কবিরাজের আত্মীয়-স্বজনরা মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় বিকেলে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় কালুর স্ত্রী রাশেদাকে ঘটনায় জড়িত থাকায় আটক করে। এসআই আকরাম সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে এ অভিযানটি চালায়। এ সময় সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা কৌশলে পালিয়ে যায়। সংঘটিত ঘটনায় ৬ জনকে আসামী করে গত রাতে এ রিপোর্ট লিখার সময় মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চালাচ্ছিল কবিরাজের স্ত্রী আলম আরা বেগম। এতে ৬/৭ জনকে আসামী করা হচ্ছে। আসামীরা হলো মোহাম্মদ কালু, রাশেদা, সেলিম, হারেছ, জাহেদ, সোহেল ও জরিনা।

0 Comments