Advertisement

চকরিয়ার শহীদ লে. কর্নেল কাইসার পরিবারের খবর রাখেননি কেউ আজ সেই রোমহর্ষক বিডিআর হত্যাযজ্ঞ দিবস

এসএম হান্নান শাহ
আজ সেই ঘটনাবহুল ২৫ ফেব্র“য়ারী। এদিন ঢাকার পিলখানায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত এদেশের সোনার ছেলেদের বেচে বেচে নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল। বিডিআর বিদ্রোহের নামে এই জঘন্য হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছিল বিপদগামী বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা। সেই দিন অন্যান্য সেনাকর্মকর্তাদের সঙ্গে শাহাদাত বরণ করেছিল চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরী এলাকার মরহুম মৌলানা আবদুল খালেকের পুত্র লেঃ কর্ণেল আবু মুছা মোঃ আইয়ুব কাইছার। আগামী কাল তার ৩য় শাহাদাত বার্ষিকী। লেঃ কর্ণেল আবু মুছা মোঃ আইয়ুব কাইছারের স্মৃতিকে ধারণ করে রাখার জন্য সেদিন অনেকে অনেক প্রতিশ্র“তি দিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রতিশ্র“তি গুলোর একটিও এ পর্যন্ত বাস্তাবায়িত হয়নি। লেঃ কর্নেল কাইসারের মৃত্যুর পরপর চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল
করিম ও পৌরসভার সাবেক মেয়র জাফর আলমের পক্ষ থেকে পুরাতন বিমান বন্দরের দক্ষিণ প্রান্ত হতে তার বাড়ি পর্যন্ত সবুজ বাগের প্রায় ১ কিঃ মিটারের সড়কটি শহীদ লেঃ কর্ণেল কাছারের নামে নাম করণ করার জন্য প্রতিশ্র“তি দিয়েছিল। চকরিয়া উপজেলা পরিষদ তার কবরস্থান পাকা করণ ও একটি স্মৃতি সৌধ নির্মাণের জন্য রেজুলেশন নিয়েছিল। কিন্তু কোন প্রতিশ্র“তি আলোর মুখ দেখেনি। শহীদ লেঃ কর্ণেল কাইছারের বড়ভাই ও চকরিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালের এম ডি এনামুল হক জানান; তিনি শহীদ লেঃ কর্ণেল কাইছরের কবরের পাশের মসজিদটি পাকা করণ ও সংস্কারের জন্য ইসলামকি ফাউন্ডেশনে আবেদন করেও রহস্যজনক কারণে এ পর্যন্ত কোন বরাদ্দ দেয়নি। তিনি এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এনামুল হক জানান, তারা পারিবারিক ভাবে ২৫ ফেব্র“য়ারী লেঃ কর্ণেল আবু মুছা মোঃ আইয়ুব কাইছার কুলখানীর আয়োজন করেছে।

Post a Comment

0 Comments