'রাখাইন সমপ্রদায়ের মিরজাফরেরা এখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে রাখাইন সমপ্রদায়ের ঐক্য বিনষ্ট করে নিজেদের আখের গোছাতে চাইছেন।
নিজেদের হীন কার্যকলাপ দ্বারা চিহ্নিত এবং বিতর্কিত এই মিরজাফরদের চিনতে রাখাইনরা কখনো ভুল করে না। সাময়িক ক্ষমতার মোহে \'ধরাকে সরা জ্ঞান\' করা এই সামাজিক ঐক্য বিনষ্টকারীরা সময়ের ব্যবধানে একদিন ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।\' গত ৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-এর যৌথ সভায় বক্তারা অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে উপরের কথাগুলো বলেন।
এসোসিয়েশনের টেকপাড়াস্থ নিজস্ব ভবনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি উ মং টিঙের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বক্তারা আরও বলেন, \'কঙ্বাজার শহরে \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\' নামের কোনো সংগঠনের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি বলে সংগঠনটির বিলুপ্ত ঘোষণা করার জন্য জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, কঙ্বাজরের তৎকালীণ উপ-পরিচালক আবু আহমদ ২৭ জুন \'০৯-এ যে সুপারিশ ঢাকাস্থ তাঁর ঊধর্্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠিয়েছিলেন তা ছিল সম্পূর্ণ ভুল এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।\' বক্তারা মনে করেন, ওইসব রাখাইন বেইমানরা রাজনৈতিক প্রভাব খাতিয়ে মিথ্যা সুপারিশ পাঠাতে তৎকালীন উপ-পরিচালককে প্ররোচিত করেছিলেন। বক্তারা আরও বলেন, \'ওই একই উপ-পরিচালক তার মাত্র ২৬ দিন আগে ৩১ মে \'০৯-এ সংগঠনের অডিট রিপোর্ট, নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন ইত্যাদি হালনাগাদ কাগজপত্র দেখে সন্তুষ্ট হয়ে ঊধর্্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে [স্মারক নম্বর: জেসসেকা/কঙ্/৫৫৩/(৩)/০৯] জানিয়েছিলেন, কিন্তু মাস না যেতেই সেই সংগঠনটি তাঁর আসততার কাছে নেই হয়ে গেল? অথচ স্থানীয় প্রশাসনসহ কঙ্বাজারবাসী সবাই জানেন যে, ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে নিবন্ধিত এই সংগঠনের দ্বিতল বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় ভবনটি শহরের টেকপাড়ায় (চাল বাজার সড়ক) অবস্থিত। জেলা ও শহর সামাজসেবা কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন অধিদফতর-পরিদফতর এবং মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, সচিব, সাংসদ, মন্ত্রী ও রাষ্ট্রীয় অতিথিবৃন্দ পরিদর্শন করে গেছেন বাংলাদেশি রাখাইন সমপ্রদায়ের একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-এর এই জলজ্যান্ত কেন্দ্রীয় ভবনটি।\'
সভায় উপস্থিত রাখাইন নেতৃবৃন্দ ক্ষোভের সঙ্গে আরও বলেন, \'সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকেই সংগঠনের শিল্পীরা স্থানীয় প্রশাসনসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাখাইন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদি পরিবেশন করে আসছেন এবং সুনামও কুড়িয়েছেন যথেষ্ট। দেশব্যাপী এমন একটি জনগোষ্ঠীভিত্তিক সংগঠনকে তৎকালীন উপ-পরিচালক কলমের এক খোঁচায় নেই করে দিয়ে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন, যা রাখাইন সমপ্রদায়কে অপমান করার শামিল।\' সভায় উপস্থিত বিভিন্ন শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, \'আপামর রাখাইন জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত জনৈক দাম্ভিক ব্যক্তি পত্রিকার সম্পাদক সেজে জেলার নিবন্ধন বাতিল হওয়া ১৯৭ টি সংগঠনের মধ্যে কেবল \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-কে নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া সিরিজ রিপোর্ট লিখেই যাচ্ছেন। তিনি যে রাখাইন সমপ্রদায়ের কল্যাণকামী নন, তা তাঁর কার্যকলাপই বলে দেয়।\' বক্তারা রাখাইন সমপ্রদায়কে ওই বিশেষ পত্রিকার রিপোর্টে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ক্ষোভের সঙ্গে আরও বলেন, \'প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ কার্যাদি বিভাগের দেশের ক্ষুদ্র নৃতাত্তি্বক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জেলার রাখাইন জনপদসমূহে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এতদিন \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-এর মাধ্যমে করা হত। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে মহিলা সাংসদ (কঙ্বাজার সদর-রামু)-এর অযাচিত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাখাইন সমপ্রদায়ের অযোগ্য লোকদের দিয়ে মনগড়া প্রকল্প দেখিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়া হচ্ছে।\' বক্তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊধর্্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মং বু রীর ত্রিশরণ পাঠের মাধ্যমে শুরু হওয়া যৌথ সভায় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নির্বাহী সদস্য উ বা চং; সাংগঠনিক সম্পাদক উ ছেন ফে; সাংগঠনিক সম্পাদক উ ছা থৈন; দফতর সম্পাদক ঞি বু; সহ-সাধারণ সম্পাদক ছা জেন অং; সহ-সাধারণ সম্পাদক অং কে ছিং; সাধারণ সম্পাদক মং হ্লা চিং এবং সহ-সভাপতি মং ছেন লা। উপদেষ্টা পর্ষদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা মং এ থা এবং প্রধান উপদেষ্টা উ ক্য থিন। এ ছাড়া বিভিন্ন শাখা কমিটির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন কঙ্বাজার শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক হ্লা ক্য; চৌধুরী পাড়া শাখার সভাপতি মং টিং অং; খারাংখালি শাখার সভাপতি ছিং শৈ মং; সাধারণ সম্পাদক মং উন; হারবাং শাখার সদস্য-সচিব মং খ্যাই; সদস্য নিউ মং হ্রী; মহেশখালি বড় রাখাইন পাড়া শাখার সভাপতি ক্য চিং; ঈদগড় শাখার সাধারণ সম্পাদক মং এ থা; খুরুশকুল শাখার সভাপতি মং ক্য এ; চৌফলদণ্ডি শাখার সহ-সভাপতি মং ক্য ছিং এবং সভাপতি মে থোইন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মং ক্য; তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মং হ্লা প্রু পিন্টু; নির্বাহী সদস্য মং ক্য হ্লা; নির্বাহী সদস্য বুং মং; কঙ্বাজার শহর শাখার সভাপতি হ্লা থেন উ এবং চৌধুরী পাড়া শাখার সদস্য ক্য বা ছিং।
নিজেদের হীন কার্যকলাপ দ্বারা চিহ্নিত এবং বিতর্কিত এই মিরজাফরদের চিনতে রাখাইনরা কখনো ভুল করে না। সাময়িক ক্ষমতার মোহে \'ধরাকে সরা জ্ঞান\' করা এই সামাজিক ঐক্য বিনষ্টকারীরা সময়ের ব্যবধানে একদিন ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।\' গত ৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-এর যৌথ সভায় বক্তারা অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে উপরের কথাগুলো বলেন।
এসোসিয়েশনের টেকপাড়াস্থ নিজস্ব ভবনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি উ মং টিঙের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বক্তারা আরও বলেন, \'কঙ্বাজার শহরে \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\' নামের কোনো সংগঠনের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি বলে সংগঠনটির বিলুপ্ত ঘোষণা করার জন্য জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, কঙ্বাজরের তৎকালীণ উপ-পরিচালক আবু আহমদ ২৭ জুন \'০৯-এ যে সুপারিশ ঢাকাস্থ তাঁর ঊধর্্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠিয়েছিলেন তা ছিল সম্পূর্ণ ভুল এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।\' বক্তারা মনে করেন, ওইসব রাখাইন বেইমানরা রাজনৈতিক প্রভাব খাতিয়ে মিথ্যা সুপারিশ পাঠাতে তৎকালীন উপ-পরিচালককে প্ররোচিত করেছিলেন। বক্তারা আরও বলেন, \'ওই একই উপ-পরিচালক তার মাত্র ২৬ দিন আগে ৩১ মে \'০৯-এ সংগঠনের অডিট রিপোর্ট, নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন ইত্যাদি হালনাগাদ কাগজপত্র দেখে সন্তুষ্ট হয়ে ঊধর্্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে [স্মারক নম্বর: জেসসেকা/কঙ্/৫৫৩/(৩)/০৯] জানিয়েছিলেন, কিন্তু মাস না যেতেই সেই সংগঠনটি তাঁর আসততার কাছে নেই হয়ে গেল? অথচ স্থানীয় প্রশাসনসহ কঙ্বাজারবাসী সবাই জানেন যে, ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে নিবন্ধিত এই সংগঠনের দ্বিতল বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় ভবনটি শহরের টেকপাড়ায় (চাল বাজার সড়ক) অবস্থিত। জেলা ও শহর সামাজসেবা কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন অধিদফতর-পরিদফতর এবং মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, সচিব, সাংসদ, মন্ত্রী ও রাষ্ট্রীয় অতিথিবৃন্দ পরিদর্শন করে গেছেন বাংলাদেশি রাখাইন সমপ্রদায়ের একমাত্র প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-এর এই জলজ্যান্ত কেন্দ্রীয় ভবনটি।\'
সভায় উপস্থিত রাখাইন নেতৃবৃন্দ ক্ষোভের সঙ্গে আরও বলেন, \'সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকেই সংগঠনের শিল্পীরা স্থানীয় প্রশাসনসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাখাইন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদি পরিবেশন করে আসছেন এবং সুনামও কুড়িয়েছেন যথেষ্ট। দেশব্যাপী এমন একটি জনগোষ্ঠীভিত্তিক সংগঠনকে তৎকালীন উপ-পরিচালক কলমের এক খোঁচায় নেই করে দিয়ে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন, যা রাখাইন সমপ্রদায়কে অপমান করার শামিল।\' সভায় উপস্থিত বিভিন্ন শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, \'আপামর রাখাইন জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত জনৈক দাম্ভিক ব্যক্তি পত্রিকার সম্পাদক সেজে জেলার নিবন্ধন বাতিল হওয়া ১৯৭ টি সংগঠনের মধ্যে কেবল \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-কে নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া সিরিজ রিপোর্ট লিখেই যাচ্ছেন। তিনি যে রাখাইন সমপ্রদায়ের কল্যাণকামী নন, তা তাঁর কার্যকলাপই বলে দেয়।\' বক্তারা রাখাইন সমপ্রদায়কে ওই বিশেষ পত্রিকার রিপোর্টে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ক্ষোভের সঙ্গে আরও বলেন, \'প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ কার্যাদি বিভাগের দেশের ক্ষুদ্র নৃতাত্তি্বক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জেলার রাখাইন জনপদসমূহে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এতদিন \'রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন\'-এর মাধ্যমে করা হত। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে মহিলা সাংসদ (কঙ্বাজার সদর-রামু)-এর অযাচিত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে রাখাইন সমপ্রদায়ের অযোগ্য লোকদের দিয়ে মনগড়া প্রকল্প দেখিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়া হচ্ছে।\' বক্তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊধর্্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মং বু রীর ত্রিশরণ পাঠের মাধ্যমে শুরু হওয়া যৌথ সভায় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নির্বাহী সদস্য উ বা চং; সাংগঠনিক সম্পাদক উ ছেন ফে; সাংগঠনিক সম্পাদক উ ছা থৈন; দফতর সম্পাদক ঞি বু; সহ-সাধারণ সম্পাদক ছা জেন অং; সহ-সাধারণ সম্পাদক অং কে ছিং; সাধারণ সম্পাদক মং হ্লা চিং এবং সহ-সভাপতি মং ছেন লা। উপদেষ্টা পর্ষদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা মং এ থা এবং প্রধান উপদেষ্টা উ ক্য থিন। এ ছাড়া বিভিন্ন শাখা কমিটির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন কঙ্বাজার শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক হ্লা ক্য; চৌধুরী পাড়া শাখার সভাপতি মং টিং অং; খারাংখালি শাখার সভাপতি ছিং শৈ মং; সাধারণ সম্পাদক মং উন; হারবাং শাখার সদস্য-সচিব মং খ্যাই; সদস্য নিউ মং হ্রী; মহেশখালি বড় রাখাইন পাড়া শাখার সভাপতি ক্য চিং; ঈদগড় শাখার সাধারণ সম্পাদক মং এ থা; খুরুশকুল শাখার সভাপতি মং ক্য এ; চৌফলদণ্ডি শাখার সহ-সভাপতি মং ক্য ছিং এবং সভাপতি মে থোইন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মং ক্য; তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মং হ্লা প্রু পিন্টু; নির্বাহী সদস্য মং ক্য হ্লা; নির্বাহী সদস্য বুং মং; কঙ্বাজার শহর শাখার সভাপতি হ্লা থেন উ এবং চৌধুরী পাড়া শাখার সদস্য ক্য বা ছিং।

0 Comments