স্টাফ রিপোর্টার, চকরিয়া
চকরিয়ার বিএমচর ইউনিয়নের বহদ্দারকাটা পুচ্ছালিয়া পাড়ার এমদাদ
আহমদের পুত্র আদম বেপারী শাহ আলমের বিরুদ্ধে কঙ্বাজার জেলা ও দায়রা জর্জ আদালত থেকে গত বছরের ৩জুলাই গ্রেফতারী পরোয়ানার দেয়া সত্বেও পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করেনি বলে মামলার বাদী মৃত নেছার আহমদের স্ত্রী সেতারা বেগম গতকাল রাতে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন।
উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের পূর্ব নলবিলা গ্রামের মৃত আলতাফ উদ্দিন চৌধুরীর পুত্র নেছার আহমদের কাছ থেকে ওই আদম বেপারী শাহ আলম ২লাখ ৭০হাজার টাকা নিয়ে একটি জাল ভিসা দিয়ে ২০০৮সালের ২জুলাই সৌদি আরব নিয়ে যায়। সৌদি আরব পৌছার পর নেছার আহমদকে সৌদি পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করে। নেছার আহমদ সৌদি আরবে প্রায় আড়াই মাস জেল খাটার পর তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। নেছার আহমদ দেশে এসে আদম বেপারী শাহ আলম ও তার স্ত্রী পারভিন আকতারের বিরুদ্ধে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট আদালতে জাল ভিসা দিয়ে প্রতারনার অভিযোগে সি, আর_১৬৫/০৯ মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়। ইত্যোবসরে মামলার বাদী নেছার আহমদ হার্টএ্যাটাকে মারা যান। এ সুযোগে আসামীরা আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়। পরে নেছার আহমদের স্ত্রী সেতারা বেগম বাদী হয়ে কক্বসবাজার জেলা ও দায়রা জর্জ আদালতে গতবছরের ৬জুন অভিযুক্ত আদম বেপারী শাহ আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী বিবিধ মিস মামলা নং ৪১২/১১ দায়ের করলে পুনরায় জেলা জর্জ আদালত থেকে গত বছরের ৩জুলাই গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে। মামলার বাদী অভিযোগে করেছেন, আদম বেপারী শাহ আলম গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকা সত্বেও এলাকায় বীরদর্পে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছেনা।
চকরিয়ার বিএমচর ইউনিয়নের বহদ্দারকাটা পুচ্ছালিয়া পাড়ার এমদাদ
আহমদের পুত্র আদম বেপারী শাহ আলমের বিরুদ্ধে কঙ্বাজার জেলা ও দায়রা জর্জ আদালত থেকে গত বছরের ৩জুলাই গ্রেফতারী পরোয়ানার দেয়া সত্বেও পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করেনি বলে মামলার বাদী মৃত নেছার আহমদের স্ত্রী সেতারা বেগম গতকাল রাতে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন।
উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের পূর্ব নলবিলা গ্রামের মৃত আলতাফ উদ্দিন চৌধুরীর পুত্র নেছার আহমদের কাছ থেকে ওই আদম বেপারী শাহ আলম ২লাখ ৭০হাজার টাকা নিয়ে একটি জাল ভিসা দিয়ে ২০০৮সালের ২জুলাই সৌদি আরব নিয়ে যায়। সৌদি আরব পৌছার পর নেছার আহমদকে সৌদি পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করে। নেছার আহমদ সৌদি আরবে প্রায় আড়াই মাস জেল খাটার পর তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। নেছার আহমদ দেশে এসে আদম বেপারী শাহ আলম ও তার স্ত্রী পারভিন আকতারের বিরুদ্ধে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট আদালতে জাল ভিসা দিয়ে প্রতারনার অভিযোগে সি, আর_১৬৫/০৯ মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়। ইত্যোবসরে মামলার বাদী নেছার আহমদ হার্টএ্যাটাকে মারা যান। এ সুযোগে আসামীরা আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়। পরে নেছার আহমদের স্ত্রী সেতারা বেগম বাদী হয়ে কক্বসবাজার জেলা ও দায়রা জর্জ আদালতে গতবছরের ৬জুন অভিযুক্ত আদম বেপারী শাহ আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী বিবিধ মিস মামলা নং ৪১২/১১ দায়ের করলে পুনরায় জেলা জর্জ আদালত থেকে গত বছরের ৩জুলাই গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে। মামলার বাদী অভিযোগে করেছেন, আদম বেপারী শাহ আলম গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকা সত্বেও এলাকায় বীরদর্পে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছেনা।

0 Comments