Advertisement

কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশের জট সামলান চালকরা!

এম. রায়হান চৌধুরী, চকরিয়া
চকরিয়া চিরিঙ্গা ও পৌর শহরে ট্রাফিক নীতি চরমভাবে ভেঙ্গে পড়ায় পৌর কতর্ৃপক্ষের ব্যাপক

উদাসীনতাকে দায়ী করে তাদের কাছে পৌরবাসী পরাজিত হয়েছে বলে গুরুতর সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সে সাথে রিক্সা, টমটম, সিএনজি, বেবীটেক্সিসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক কতর্ৃক শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত ট্রাফিক পুলিশের বেধে যাওয়া জট সামলাতেও দেখা গেছে। ওয়ানওয়ে নিয়মতো মানাই হচ্ছেনা। পাশাপাশি চলাচলের দু'পাশে সড়কে অবৈধ দখলের মাধ্যমে গড়ে উঠা ভাসমান দোকানের চলছে বেপরোয়া বাণিজ্য। সরেজমিন ও সূত্রমতে, বাণিজ্যিক এলাকা চিরিঙ্গায় ভাসমান দোকান উচ্ছেদ ও যানজট নিরসনে পৌর কতর্ৃপক্ষের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে দিনের পর দিন গজে উঠছে রকমারি ভাসমান বাণিজ্যিক দোকান। প্রতিনিয়ত লেগে যায় দীর্ঘ যানজট। এদিকে দীর্ঘ যানজটে গতকাল বুধবার (১ফেব্রুয়ারী) শুরু হয়েছে এস.এস.সি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা'১২। এভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের চলাচল করতে হবে জটযুক্ত সড়ক দিয়েই। যেটি পৌর প্রশাসনকে টনকও নাড়ে না? প্রশ্ন অভিভাবক মহলের। অনেক পরীক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক জানান, পৌরসভার নিয়োজিত কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশই নিজেরা নিজেদের মধ্যে জট বাধিয়ে দেয়। তা সামাল দিতে হয় চালকদের। অপরদিকে পৌর শহরের আভ্যন্তরীণ অলি-গলি ও বিভিন্ন পয়েন্টে আবর্জনার স্তুপ করে রাখায় পরিবেশ তৈরি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর। অযোগ্য হয়ে পড়ে চলাচলের সড়কসমূহ। ভোগান্তি পোহাতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগামী অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ও জনসাধারণের। সূত্রের অভিযোগ, যাতায়াতের পথ দখল করে সড়কের দু'পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ভাসমান দোকানের ভিত্তিই হলো পৌর রাজস্ব নামক মাসিক মাসোহারা। পৌর কতর্ৃপক্ষ তাদের বাণিজ্যিক পূণর্বাসনে বিকল্প এলাকা তৈরি করে না দেয়ায় পথচারীর দুর্ভোগ উপেক্ষা করে অসাধু ব্যবসায়রীরা গোপণ অাঁতাত কর্মকান্ডের মাধ্যমে মাথা গোজেছে সংশ্লিষ্ট সড়কে। এসবের দোলাচলে অসহায় হয়ে পড়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতও। যৌথ অভিযানও নির্বিকার। থেমে নেই অনৈতিক দখল কর্মকান্ড। অনতিবিলম্বে চলমান এস.এসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক ও সচতেন মহল উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Post a Comment

0 Comments