আশেক উল্লাহ ফারুক, টেকনাফ
টেকনাফের হ্নীলা ৫নং ওয়ার্ডে বামর্াইয়া কলোনী গড়ে উঠেছে। ওই ওয়ার্ডের দরগা পাড়া, মুরা পাড়া, মিস্ত্রি পাড়া, মন্ডল পাড়ার মধ্যে বর্তমানে মুরা পাড়া, মন্ডল পাড়া ও দরগা পাড়াসহ পশ্চিম সিকদার
পাড়ার বৃহত্তম একটি অংশ বার্মাইয়াদের দখলে চলে গছে। ওই এলাকার সরকারী বনভুমি, নাল জমি ও চাষাবাদযোগ্য জমির সবকিছু প্রভাবশালী জমির মালিকরা মোটা অংকের বিনিময়ে বার্মাইয়াদের হাতে বিক্রি করে দিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বামর্াইয়া মৌলভী আব্দুল হামিদ, মৌলভী শামসুল আলম, আবু তাহের, জাকারিয়া, কালা বদা, নুরুল ইসলাম ও আবুল হোসনের মত আরো অচেনা প্রায় দু'শতাধিক মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকরা ওই এলাকায় জমি নিয়ে গড়ে তুলছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ঘর বাড়ী ও সুরম্য দালান-কোটা। যা একটি কলোনীতে রূপান্তরিত হয়েছে। সরকারী ভূমি আইনে দেশের ভূ-খন্ডের কোন অংশ ভিন দেশীদের কাছে বিক্রি করা ও তাদের এদেশে স্থান দেয়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রোহিঙ্গাদের 'মোটা অংকের' কাছে উক্ত আইনের ধারাগুলো বারবার পদদলিত করছে এক শ্রেণীর অতি মুনাফালোভী প্রভাবশালী জমির মালিকরা। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ১৯৭৮ সাল থেকে এদেশে শরণাথর্ী ছদ্মাবরণে এসে রোহিঙ্গারা প্রথম দিকে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ক্যাম্পে অবস্থানের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে। একপর্যায়ে 'বিবাহের' মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরে টাকার বিনিময়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে এবং কম্পিউটার থেকে কোনমতে ভূয়া জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম নিবন্ধন কার্ড সংগ্রহ করে প্রকৃত বাংলদেশী নাগরিক সেজে একের পর এক গ্রাস করতে থাকে চাষাবাদযোগ্য জমি ও বনভূমিসহ সবকিছু। এরই সূত্র ধরে হ্নীলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ঢ পশ্চিম সিকদারপাড়া এলাকাটিতে বর্তমানে দু'শতাধিক রোহিঙ্গা জমি ক্রয় করে বাড়ীঘর নিমর্াণ করে বসবাস করে গেলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোন মাথাব্যাথা নেই। হ্নীলা পশ্চিম সিকদার এলাকার নূর মোহাম্মদ জানান, যেভাবে রোহিঙ্গারা আমাদের বনভূমি ও চাষাবাদযোগ্য জমি গ্রাস করছে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের নতুন প্রজন্ম থাকার স্থান পাবে না বলে মনে হয় না। প্রভাবশালী জমির মালিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা পরস্পর সহযোগীতার মাধ্যমে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে সহযোগীতা দানের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের এ এলাকায় পূর্ণবাসন করছে বলে স্থানীরা অভিযোগ তুলেছে দীর্ঘদিন ধরে। সরেজমিন দেখা গেছে, আজ থেকে বছর দেড়েক পূর্বেও যে জমি কানিতে (৪০ শতক) বিক্রি হত ৬০-৭০ হাজার টাকায়, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা মূল্যে। ওই পরিমাণ দামে স্থানীয় কোন বাংলাদেশী নাগরিক জমি ক্রয় করতে সাহস তো দূরের কথা কল্পনাও করতে পারে না। অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন, এ ধারা চলতে থাকলে আগামী ২০১৫ সাল নাগাদ এসব এলাকাগুলোতে স্থানীয়রা সুষ্ঠুভাবে বসবাস করতে পারবে কি না সন্দেহ। এসব রোহিঙ্গা তৎপরতা দমাতে সচেতন এলাকাবাসী ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দৃঢ় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
টেকনাফের হ্নীলা ৫নং ওয়ার্ডে বামর্াইয়া কলোনী গড়ে উঠেছে। ওই ওয়ার্ডের দরগা পাড়া, মুরা পাড়া, মিস্ত্রি পাড়া, মন্ডল পাড়ার মধ্যে বর্তমানে মুরা পাড়া, মন্ডল পাড়া ও দরগা পাড়াসহ পশ্চিম সিকদার
পাড়ার বৃহত্তম একটি অংশ বার্মাইয়াদের দখলে চলে গছে। ওই এলাকার সরকারী বনভুমি, নাল জমি ও চাষাবাদযোগ্য জমির সবকিছু প্রভাবশালী জমির মালিকরা মোটা অংকের বিনিময়ে বার্মাইয়াদের হাতে বিক্রি করে দিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বামর্াইয়া মৌলভী আব্দুল হামিদ, মৌলভী শামসুল আলম, আবু তাহের, জাকারিয়া, কালা বদা, নুরুল ইসলাম ও আবুল হোসনের মত আরো অচেনা প্রায় দু'শতাধিক মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকরা ওই এলাকায় জমি নিয়ে গড়ে তুলছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ঘর বাড়ী ও সুরম্য দালান-কোটা। যা একটি কলোনীতে রূপান্তরিত হয়েছে। সরকারী ভূমি আইনে দেশের ভূ-খন্ডের কোন অংশ ভিন দেশীদের কাছে বিক্রি করা ও তাদের এদেশে স্থান দেয়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রোহিঙ্গাদের 'মোটা অংকের' কাছে উক্ত আইনের ধারাগুলো বারবার পদদলিত করছে এক শ্রেণীর অতি মুনাফালোভী প্রভাবশালী জমির মালিকরা। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ১৯৭৮ সাল থেকে এদেশে শরণাথর্ী ছদ্মাবরণে এসে রোহিঙ্গারা প্রথম দিকে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ক্যাম্পে অবস্থানের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে। একপর্যায়ে 'বিবাহের' মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরে টাকার বিনিময়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে এবং কম্পিউটার থেকে কোনমতে ভূয়া জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম নিবন্ধন কার্ড সংগ্রহ করে প্রকৃত বাংলদেশী নাগরিক সেজে একের পর এক গ্রাস করতে থাকে চাষাবাদযোগ্য জমি ও বনভূমিসহ সবকিছু। এরই সূত্র ধরে হ্নীলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ঢ পশ্চিম সিকদারপাড়া এলাকাটিতে বর্তমানে দু'শতাধিক রোহিঙ্গা জমি ক্রয় করে বাড়ীঘর নিমর্াণ করে বসবাস করে গেলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোন মাথাব্যাথা নেই। হ্নীলা পশ্চিম সিকদার এলাকার নূর মোহাম্মদ জানান, যেভাবে রোহিঙ্গারা আমাদের বনভূমি ও চাষাবাদযোগ্য জমি গ্রাস করছে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের নতুন প্রজন্ম থাকার স্থান পাবে না বলে মনে হয় না। প্রভাবশালী জমির মালিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা পরস্পর সহযোগীতার মাধ্যমে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে সহযোগীতা দানের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের এ এলাকায় পূর্ণবাসন করছে বলে স্থানীরা অভিযোগ তুলেছে দীর্ঘদিন ধরে। সরেজমিন দেখা গেছে, আজ থেকে বছর দেড়েক পূর্বেও যে জমি কানিতে (৪০ শতক) বিক্রি হত ৬০-৭০ হাজার টাকায়, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা মূল্যে। ওই পরিমাণ দামে স্থানীয় কোন বাংলাদেশী নাগরিক জমি ক্রয় করতে সাহস তো দূরের কথা কল্পনাও করতে পারে না। অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন, এ ধারা চলতে থাকলে আগামী ২০১৫ সাল নাগাদ এসব এলাকাগুলোতে স্থানীয়রা সুষ্ঠুভাবে বসবাস করতে পারবে কি না সন্দেহ। এসব রোহিঙ্গা তৎপরতা দমাতে সচেতন এলাকাবাসী ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দৃঢ় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।


0 Comments