টেকনাফ প্রতিনিধি
টেকনাফে চলনাময়ী এক মহিলার প্রতারণা মূলক বিবাহের শিকার হয়েছেন এক অসহায় যুবক। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্যংখালী এলাকায়। এ নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনার
ঝড় উঠেছে। জানা যায় টেকনাফ পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের পুরাতন পল্লান পাড়ার মৃত ছৈয়দ নুর এবং মাতা ফাতেমা বেগমের মেয়ে দুই সন্তানের জননী রাজিয়া বেগম তার পূর্ব স্বামী এবং দুই সন্তান ঘোপন রেখে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে চলনামূলক ও প্রতারণা হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্যংখালী এলাকার শামসুল আলমের পুত্র ভু্ট্রো আলমের সাথে গত ১২.০৬.১৯৯৩ বিবাহ সম্পাদন হয়। স্বামী ভুট্রো আলম একজন সহজ সরল প্রকৃতির যুবক হয়। তাকে বিভিন্ন চলনা, প্রলৌবন ও জাদু টোনা পূর্বক প্রতারণার মাধ্যমে কথিত স্ত্রী রাজিয়া সোলতানা বিবাহের পিড়িতে বসায়। বিবাহের বছর যেতে না যেতেই স্বামী ভুট্রো আলম বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরে স্ত্রী রাজিয়া সোলতানার একাদিক স্বামী ও ছেলে সন্ত্রান রয়েছে। পরে তাদের সংসারের মধ্যে চলে বিশ্বাস ভঙ্গের প্রতারণা মূলক আচরণ। সূত্রে জানা যায়, রাজিয়া সোলতানার ২য় স্বামী চাঁদপুর এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র মোঃ বেলাল উদ্দিন। তার গর্ভে আসে দুই ছেলে সন্ত্রান। স্বামী ভুট্রো আলম স্ত্রী রাজিয়া সোলতানার চলনাময়ী প্রতারণা ভুট্রো আলমের কাছে ধরা পড়ে এবং পরবর্তীতে তাদের সংসারে চলে আগুনের খেলা। রাজিয়া সোলতানা একজন অবাধ্য স্ত্রী এবং সে সংসারের প্রতি উদাসিন হয়। স্বামীর সাথে তার বিশ্বাস ভঙ্গে কারণে সে নিজের দুষ ত্রুটি আড়াল করার উদ্দেশ্যে গত ০৩.০৫.২০১১ সলে কক্সবাজার নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে স্ত্রী রাজিয়া সোলতানা স্বামীকে তালাক প্রদান করে। এদিকে সুচতুরা রাজিয়া সোলতানা স্বামী ভুট্রো আলমের বাড়ীর অনুপস্থিত নিশ্চিত জেনে হ্নীলা নাইক্যংখালী তার বাড়িতে অবস্থান নেয়। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর গৃতকতর্ী সহজ সরল হাজেরা খাতুন কে ২/৩জন সন্ত্রাসী লোক তাকে ধারালো অস্ত্রে জিম্মি করে রাখে এবং তার আলমারী ভেঙ্গে ২ভরি স্বর্ণ, নগদ ৬০হাজার টাকা সহ মূল্যবান কাপড় চোপড় নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে এ ব্যাপারে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাফেজা খাতুন নিজে বাদী হয়ে রাজিয়া সোলতানা, ফাতেমা বেগম ও ছাদেক উদ্দিনসহ ৩জনকে আসামী করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত ২৮.০৮.২০১১ সালে মামলা রুজু করে। বিজ্ঞ হাকিম মামলাটি আমলে এনে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে টেকনাফ উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
টেকনাফে চলনাময়ী এক মহিলার প্রতারণা মূলক বিবাহের শিকার হয়েছেন এক অসহায় যুবক। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্যংখালী এলাকায়। এ নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনার
ঝড় উঠেছে। জানা যায় টেকনাফ পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের পুরাতন পল্লান পাড়ার মৃত ছৈয়দ নুর এবং মাতা ফাতেমা বেগমের মেয়ে দুই সন্তানের জননী রাজিয়া বেগম তার পূর্ব স্বামী এবং দুই সন্তান ঘোপন রেখে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে চলনামূলক ও প্রতারণা হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্যংখালী এলাকার শামসুল আলমের পুত্র ভু্ট্রো আলমের সাথে গত ১২.০৬.১৯৯৩ বিবাহ সম্পাদন হয়। স্বামী ভুট্রো আলম একজন সহজ সরল প্রকৃতির যুবক হয়। তাকে বিভিন্ন চলনা, প্রলৌবন ও জাদু টোনা পূর্বক প্রতারণার মাধ্যমে কথিত স্ত্রী রাজিয়া সোলতানা বিবাহের পিড়িতে বসায়। বিবাহের বছর যেতে না যেতেই স্বামী ভুট্রো আলম বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরে স্ত্রী রাজিয়া সোলতানার একাদিক স্বামী ও ছেলে সন্ত্রান রয়েছে। পরে তাদের সংসারের মধ্যে চলে বিশ্বাস ভঙ্গের প্রতারণা মূলক আচরণ। সূত্রে জানা যায়, রাজিয়া সোলতানার ২য় স্বামী চাঁদপুর এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র মোঃ বেলাল উদ্দিন। তার গর্ভে আসে দুই ছেলে সন্ত্রান। স্বামী ভুট্রো আলম স্ত্রী রাজিয়া সোলতানার চলনাময়ী প্রতারণা ভুট্রো আলমের কাছে ধরা পড়ে এবং পরবর্তীতে তাদের সংসারে চলে আগুনের খেলা। রাজিয়া সোলতানা একজন অবাধ্য স্ত্রী এবং সে সংসারের প্রতি উদাসিন হয়। স্বামীর সাথে তার বিশ্বাস ভঙ্গে কারণে সে নিজের দুষ ত্রুটি আড়াল করার উদ্দেশ্যে গত ০৩.০৫.২০১১ সলে কক্সবাজার নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে স্ত্রী রাজিয়া সোলতানা স্বামীকে তালাক প্রদান করে। এদিকে সুচতুরা রাজিয়া সোলতানা স্বামী ভুট্রো আলমের বাড়ীর অনুপস্থিত নিশ্চিত জেনে হ্নীলা নাইক্যংখালী তার বাড়িতে অবস্থান নেয়। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর গৃতকতর্ী সহজ সরল হাজেরা খাতুন কে ২/৩জন সন্ত্রাসী লোক তাকে ধারালো অস্ত্রে জিম্মি করে রাখে এবং তার আলমারী ভেঙ্গে ২ভরি স্বর্ণ, নগদ ৬০হাজার টাকা সহ মূল্যবান কাপড় চোপড় নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে এ ব্যাপারে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাফেজা খাতুন নিজে বাদী হয়ে রাজিয়া সোলতানা, ফাতেমা বেগম ও ছাদেক উদ্দিনসহ ৩জনকে আসামী করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত ২৮.০৮.২০১১ সালে মামলা রুজু করে। বিজ্ঞ হাকিম মামলাটি আমলে এনে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে টেকনাফ উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।


0 Comments