Advertisement

রক্ষক যখন ভক্ষক...


মো: ছফওয়ানুল করিম, পেকুয়া :
সমাজের রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন বলতে হয় বিচারের বাণী যেন নিভৃতে কাঁদে। এমনিই এক ঘটনা ঘটেছে পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদে। ঘটনার বিবরণে জানাযায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ড়ের এমইউপি মাহবুবুল আলমকে একটি জমি সংক্রান্ত বিচারের মিমাংসার দায়িত্ব দেন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ। কিন্তু কাগজপত্র পর্যালোচনার কথা বলে বিচারকাজ দীর্ঘায়িত করে ওই ইউপি সদস্য নিজই বিরোধীয় জমিটি রাতের আঁধারে দখল করে নেন বলে গুরুতর অভিযোগ করেন বিচারপ্রার্থীরা। জানাযায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাবেকগুলদী এলাকার দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে দখলে থাকা জনৈক হাসিনা বেগমের কাছ থেকে ২০ শতক জমি ক্রয় করেন উজানটিয়া ইউনিয়নের মালেক পাড়ার এক ব্যক্তি। জমিটি মালিকের কাছ থেকে কিনে নিজের নামে নামজারী খতিয়ানও করেন তিনি। কিন্তু জমিটি তিনি দখলে নেয়ার ৬ মাস পরে সাবেকগুলদী এলকার জনৈক শাহজাহান ও বদিউল আলম এমইউপি জমিটির অংশ প্রাপ্য নিয়ে দাবি তোলেন। বিষয়টি এক পর্যায়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহর কাছে মিমাংসার জন্য আবেদন জানান জমির মালিক। চেয়ারম্যান জমির কাগজপত্র পর্যালোচনা ও পরিমাপ করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুবুল আলমকে। কিন্তু মাহবুবুল আলম জমি পরিমাপ বা পর্যালোচনার পরিবর্তে রাতের আঁধারে নিজেই ওই জমি দখল করে নেন। রক্ষক নিজেই ভক্ষন শুরু করায় জমির মালিকদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়। জমির মালিকরা জানান, ওই মেম্বার এজমালি সম্পত্তির অন্য ওয়ারিশ থেকে জমি কিনে দীর্ঘদিন অন্য স্থানে দখলে থাকলেও বিরোধীয় জমির বিচার তার হাতে হস্তান্তর হবার পরই ওই মেম্বার দুরভীসন্ধি করে রাতের আঁধারে জমিটি দখল করে নেয়। এ ব্যাপারে ভক্ষক মেম্বারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হলেও তার মোবাইল ২ দিন ধরে বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন। তিনি মেম্বারের এহেন আচরণে ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে শাসিয়ে দেন এবং জমিগুলো নিজের করায়ত্বে নিয়ে আসেন বলে জানান।

Post a Comment

0 Comments