নুরম্নল আমিন হেলালী
কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তম ব্যসত্দতম বাণিজ্যিক শহর ঈদগাঁ বাজার। সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে চতুর্দিকে বিস্তৃত হতে চলেছে এই বসতিপূর্ণ বাজারের। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি চাহিদার সঙ্গে পালস্না দিয়ে বেড়ে চলেছে দোকান পাঠ ও বাসাবাড়ি। বিগত দশ বচরে এই বাজারকে কেন্্র করে প্রায় ২/৩ গুন
বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাণিজ্যিক এলাকা। বলতে গেলে বাজারের আশপাশের ফসলি জমি গুলো অবৈধ বহুতল ভব। অদুর ভবিষ্যতে হয়তো ইটের নগরীতে পরিণত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। প্রবাসী অধু্যষিত এলাকা হওয়াতে দিনের পর দিন চলছে বহুতল ভবন নির্মান প্রতিযোগীতা। পাশর্্ববতর্ী নদী, খাল, জলাশয়, পুকুর ও ফসলি জমি ভরাট কর গড়ে উঠছে এইসব অবৈধ বহুতল ভবন নির্মান। এসব বহুতল ভবন গড়ে উঠছে কোন ধরনের অগি্ননির্বাপক ছাড়াই। তাই অগি্নকান্ডের ঝুঁকিতে এখন ঈদগাঁহ বাহার ও পাশর্্ববতর্ী জনবসতি এলাকা।।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজার সংলগ্ন নদীর দু'পাশ অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে যাচ্ছে।
ফলে ছোট হয়ে আসছে নদীর দু'কুল। যার কারনে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই। ৰতি হয় যানমালের বাজার সমপ্রসারণ আর আবাসনের ধাক্কায় প্রায় পাশর্্ববতর্ী ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বাজারের অভ্যনত্দরে কবিরাজের যে একটি মাত্র পুকুর ছিল সেটিও সমপ্রতি ভরাট করে দোকান নির্মান করা হচ্ছে। একারণে বাজার কিংবা আশপাশের এলাকায় যে কোন অগি্নকান্ড নিয়ন্ত্রনে ফায়ার সার্ভিস বিভাগকে তাদের নিজস্ব পানির রিজার্ভের ওপরই পুরোপুরি নির্ভরশীল হতে হবে। অপরদিকে ঈদগাঁও নদীর দু'পাশের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা না গেলে অগি্ননির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা একেবারেই কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সম্পদ হানির ঘটনাও বেড়ে যাবে। এছাড়া চকরিয়া এবং কক্সবাজার ছাড়া ঈদগাঁওতে ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন না থাকায় অগি্ন ঝুঁকিতে এই বৃহত্তম বাণিজ্য নগরী। প্রায় প্রতিবছর এই বাজার ও পাশর্্ববতর্ী এলাকায় ছোট বড় অগি্নকান্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন দুরবতর্ী হওয়ায় ঘটনাস্থলে পেঁৗছতে পৌছতে বিপুল পরিমান ৰতি হয় যানমালের। তাই ঈদগাঁও বাজারে ফায়ার সার্ভিস স্থাপন এখন গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। বাজারের নিউ মার্কেট, কাপড়ের গলি, মসজিদের পিছন রাড, বাঁশঘাটা রোড, মাছ বাজার, ফাইক বাজার, হাসপাতাল রোড, তরকারী বাজার, চাউল বাজার, কালি মন্দির এলাকা ও হকার মার্কেট এবং সেদৈয়া মার্কেট অত্যনত্দ অগি্ন ঝুকির মধ্যে রয়েছে। ওই সব এলাকায় অগি্নকান্ডে ঘটলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা দুরূহ হয়ে পড়বে। ফলে ব্যাপক যানমালের ৰতির আশাংকা রয়েছে। এব্যাপারে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের একজন পদস্থ কর্মকর্তা ঈদগাঁও বাজার অগি্নকান্ডের দিক থেকে ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে স্বীকারও করেন। অপরদিকে ঈদগাঁও গরম্ন বাজার এলাকার ফসলি জমি ও বঙ্কিমবাজার এলাকার ফসলি জমিতে একের পর গড়ে উঠছে অবৈধ বহুতল ভবন। কোন রকম নির্মান নকশা ছাড়াই গড়ে উঠা এই ভবন গুলোতে। স্থাপন করা হয়নি কোন অগি্ন নির্বাপক। তাই অগি্নঝুঁকিতে থাকা বৃহত্তর ঈদগাঁওতে একটি ফায়ার সার্ভিস স্থাপন করা জরম্নরী বলে মনে করন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল।
কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তম ব্যসত্দতম বাণিজ্যিক শহর ঈদগাঁ বাজার। সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে চতুর্দিকে বিস্তৃত হতে চলেছে এই বসতিপূর্ণ বাজারের। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি চাহিদার সঙ্গে পালস্না দিয়ে বেড়ে চলেছে দোকান পাঠ ও বাসাবাড়ি। বিগত দশ বচরে এই বাজারকে কেন্্র করে প্রায় ২/৩ গুন
বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাণিজ্যিক এলাকা। বলতে গেলে বাজারের আশপাশের ফসলি জমি গুলো অবৈধ বহুতল ভব। অদুর ভবিষ্যতে হয়তো ইটের নগরীতে পরিণত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। প্রবাসী অধু্যষিত এলাকা হওয়াতে দিনের পর দিন চলছে বহুতল ভবন নির্মান প্রতিযোগীতা। পাশর্্ববতর্ী নদী, খাল, জলাশয়, পুকুর ও ফসলি জমি ভরাট কর গড়ে উঠছে এইসব অবৈধ বহুতল ভবন নির্মান। এসব বহুতল ভবন গড়ে উঠছে কোন ধরনের অগি্ননির্বাপক ছাড়াই। তাই অগি্নকান্ডের ঝুঁকিতে এখন ঈদগাঁহ বাহার ও পাশর্্ববতর্ী জনবসতি এলাকা।।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজার সংলগ্ন নদীর দু'পাশ অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে যাচ্ছে।
ফলে ছোট হয়ে আসছে নদীর দু'কুল। যার কারনে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই। ৰতি হয় যানমালের বাজার সমপ্রসারণ আর আবাসনের ধাক্কায় প্রায় পাশর্্ববতর্ী ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বাজারের অভ্যনত্দরে কবিরাজের যে একটি মাত্র পুকুর ছিল সেটিও সমপ্রতি ভরাট করে দোকান নির্মান করা হচ্ছে। একারণে বাজার কিংবা আশপাশের এলাকায় যে কোন অগি্নকান্ড নিয়ন্ত্রনে ফায়ার সার্ভিস বিভাগকে তাদের নিজস্ব পানির রিজার্ভের ওপরই পুরোপুরি নির্ভরশীল হতে হবে। অপরদিকে ঈদগাঁও নদীর দু'পাশের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা না গেলে অগি্ননির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা একেবারেই কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সম্পদ হানির ঘটনাও বেড়ে যাবে। এছাড়া চকরিয়া এবং কক্সবাজার ছাড়া ঈদগাঁওতে ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন না থাকায় অগি্ন ঝুঁকিতে এই বৃহত্তম বাণিজ্য নগরী। প্রায় প্রতিবছর এই বাজার ও পাশর্্ববতর্ী এলাকায় ছোট বড় অগি্নকান্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন দুরবতর্ী হওয়ায় ঘটনাস্থলে পেঁৗছতে পৌছতে বিপুল পরিমান ৰতি হয় যানমালের। তাই ঈদগাঁও বাজারে ফায়ার সার্ভিস স্থাপন এখন গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। বাজারের নিউ মার্কেট, কাপড়ের গলি, মসজিদের পিছন রাড, বাঁশঘাটা রোড, মাছ বাজার, ফাইক বাজার, হাসপাতাল রোড, তরকারী বাজার, চাউল বাজার, কালি মন্দির এলাকা ও হকার মার্কেট এবং সেদৈয়া মার্কেট অত্যনত্দ অগি্ন ঝুকির মধ্যে রয়েছে। ওই সব এলাকায় অগি্নকান্ডে ঘটলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা দুরূহ হয়ে পড়বে। ফলে ব্যাপক যানমালের ৰতির আশাংকা রয়েছে। এব্যাপারে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের একজন পদস্থ কর্মকর্তা ঈদগাঁও বাজার অগি্নকান্ডের দিক থেকে ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে স্বীকারও করেন। অপরদিকে ঈদগাঁও গরম্ন বাজার এলাকার ফসলি জমি ও বঙ্কিমবাজার এলাকার ফসলি জমিতে একের পর গড়ে উঠছে অবৈধ বহুতল ভবন। কোন রকম নির্মান নকশা ছাড়াই গড়ে উঠা এই ভবন গুলোতে। স্থাপন করা হয়নি কোন অগি্ন নির্বাপক। তাই অগি্নঝুঁকিতে থাকা বৃহত্তর ঈদগাঁওতে একটি ফায়ার সার্ভিস স্থাপন করা জরম্নরী বলে মনে করন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল।

0 Comments