মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে আতাউর রহমান (৩০) নামে পেকুয়ার এক যুবকের মমর্ান্তিক মৃতু্য হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ১৬ জানুয়ারী সোমবার রাত আনুমানিক ৮টায় চট্টগ্রাম নগরীর
পাহাড়তলী সাগরিকা রোডে এ মমর্ান্তিক খুনের বর্বর ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত যুবক আতাউর রহমান পেকুয়া উপজেলা আ'লীগের সহ:প্রচার সম্পাদক ডা: আবদুল জলিলের পুত্র ও একই উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মুহুরী পাড়া গ্রামে তার বাড়ি। চাকুরীর সুবাধে আতাউর রহমান চ্ট্গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকত বলে তাদের পারিবারিক সূত্র জানায়।
জানা গেছে,অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে আতাউর রহমানকে অজ্ঞাত দুষকৃতিকারী খুনিরা উপর্যপুরি ছুরিকাহত করে মধ্যযুগীয় সেই অমানবিক বর্বর নিযর্াতন চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে ফেলে চলে যায়। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেকে) নিয়ে যায়। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো: খোরশেদ আলম বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে,কয়েক বছর পূর্বে সাতকানিয়া থেকে বিয়ে করা স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জের ধরে তার শ্বাশুর পক্ষের লেকজন ভাড়াটে খুনি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে আতাউর রহমানকে অত্যন্ত সুকৌশলে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম থেকে এম্বুলেন্স যোগে নিহত আতউর রহমানের লাশ গ্রামের বাড়ি মগনামার মুহুরী পাড়ায় এসে পৌঁছালে ষেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এসময় শত শত মানুষ এক নজরে আতাউর রহমানকে দেখতে তার বাড়ীতে ভীড় জমান। পরে এশার নামাজের পর মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে নিদের্াষ আতউর রহমানকে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে আতাউর রহমান (৩০) নামে পেকুয়ার এক যুবকের মমর্ান্তিক মৃতু্য হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ১৬ জানুয়ারী সোমবার রাত আনুমানিক ৮টায় চট্টগ্রাম নগরীর
পাহাড়তলী সাগরিকা রোডে এ মমর্ান্তিক খুনের বর্বর ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত যুবক আতাউর রহমান পেকুয়া উপজেলা আ'লীগের সহ:প্রচার সম্পাদক ডা: আবদুল জলিলের পুত্র ও একই উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মুহুরী পাড়া গ্রামে তার বাড়ি। চাকুরীর সুবাধে আতাউর রহমান চ্ট্গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকত বলে তাদের পারিবারিক সূত্র জানায়।
জানা গেছে,অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে আতাউর রহমানকে অজ্ঞাত দুষকৃতিকারী খুনিরা উপর্যপুরি ছুরিকাহত করে মধ্যযুগীয় সেই অমানবিক বর্বর নিযর্াতন চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে ফেলে চলে যায়। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেকে) নিয়ে যায়। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো: খোরশেদ আলম বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে,কয়েক বছর পূর্বে সাতকানিয়া থেকে বিয়ে করা স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জের ধরে তার শ্বাশুর পক্ষের লেকজন ভাড়াটে খুনি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে আতাউর রহমানকে অত্যন্ত সুকৌশলে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম থেকে এম্বুলেন্স যোগে নিহত আতউর রহমানের লাশ গ্রামের বাড়ি মগনামার মুহুরী পাড়ায় এসে পৌঁছালে ষেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এসময় শত শত মানুষ এক নজরে আতাউর রহমানকে দেখতে তার বাড়ীতে ভীড় জমান। পরে এশার নামাজের পর মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে নিদের্াষ আতউর রহমানকে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।

0 Comments