নিজস্ব প্রতিবেদক
চকরিয়ায় নিজের ঘর ডাকাতি ও লুটপারে পর থানায় মামলা করায় বাদিকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে সন্ত্রাসিরা। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত পহেলা জানুয়ারি দিবাগত রাতে চকরিয়া
কোনাখালীর মৃত ছৈয়দ আহমদের পুত্র কামাল হোছাইনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাতদল বন্দুক ও কিরিচের উপযর্ুপুরি আঘাতে বাড়ির মালিকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা গুরম্নতর আহত হয়। ডাকাতদল সমসত্দ বাড়ি তছনছ করে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামালসহ নগদ টাকা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে কৌশলে পালিয়ে যায়। কিন্তু কামাল হোছাইনের স্ত্রী রেহেনা বেগম এলাকার চিহ্নিত ডাকাত সিরাজ মিয়ার পুত্র কালামকে চিনতে পেরে চকরিয়া থানার কামাল বকসুকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরম্নদ্ধে একটি ডাকাতি মামলা করেন। এতে করে ডাকাতদল আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। বাদি নিরীহ ও অসহায় হওয়াতে কালাম বকসু ও তার সহযোগিরা প্রতিনিয়ত বাদি ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে জানা গেছে। এলাকার কুখ্যাত ডাকাত ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের হোতা কালাম বকসু ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের হুমকির মুখে এলাকায় যেতে পারছেন না বাদির পরিবার। ঘটনার প্রায় ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও আসামিদের কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় বাদির আত্মীয়স্বজন। বর্তমানে তারা সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকায় থাকতে না পেরে দুরবর্তী আত্মীয়-স্বজনদের ভয়ে এলাকায় থাকতে না পেরে দুরবর্তী আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় রাত কাটাচ্ছেন। তাই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক শাসত্দির আকুল আবেদন জানিয়েছেন প্রশাসনের উধর্্বতন কতর্ৃপৰের নিকট বাদি ও বাদির পরিবার।
চকরিয়ায় নিজের ঘর ডাকাতি ও লুটপারে পর থানায় মামলা করায় বাদিকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে সন্ত্রাসিরা। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত পহেলা জানুয়ারি দিবাগত রাতে চকরিয়া
কোনাখালীর মৃত ছৈয়দ আহমদের পুত্র কামাল হোছাইনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। ডাকাতদল বন্দুক ও কিরিচের উপযর্ুপুরি আঘাতে বাড়ির মালিকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা গুরম্নতর আহত হয়। ডাকাতদল সমসত্দ বাড়ি তছনছ করে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামালসহ নগদ টাকা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে কৌশলে পালিয়ে যায়। কিন্তু কামাল হোছাইনের স্ত্রী রেহেনা বেগম এলাকার চিহ্নিত ডাকাত সিরাজ মিয়ার পুত্র কালামকে চিনতে পেরে চকরিয়া থানার কামাল বকসুকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরম্নদ্ধে একটি ডাকাতি মামলা করেন। এতে করে ডাকাতদল আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। বাদি নিরীহ ও অসহায় হওয়াতে কালাম বকসু ও তার সহযোগিরা প্রতিনিয়ত বাদি ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে জানা গেছে। এলাকার কুখ্যাত ডাকাত ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের হোতা কালাম বকসু ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের হুমকির মুখে এলাকায় যেতে পারছেন না বাদির পরিবার। ঘটনার প্রায় ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও আসামিদের কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় বাদির আত্মীয়স্বজন। বর্তমানে তারা সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকায় থাকতে না পেরে দুরবর্তী আত্মীয়-স্বজনদের ভয়ে এলাকায় থাকতে না পেরে দুরবর্তী আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় রাত কাটাচ্ছেন। তাই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক শাসত্দির আকুল আবেদন জানিয়েছেন প্রশাসনের উধর্্বতন কতর্ৃপৰের নিকট বাদি ও বাদির পরিবার।

0 Comments