কক্সবাজার শহরের ইসলামপুরে বৃহস্পতিবার ভোররাতে এক বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ করতে গিয়ে অস্ত্রশস্ত্রসহ এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছে পুলিশের সোর্স নামধারী এক সন্ত্রাসী। আটক সন্ত্রাসীর নাম নুরুল আলম (২৫)। সে শহরের ঘোনারপাড়ার ছৈয়দুর রহমানের ছেলে। তবে এলাকার শত শত মানুষ ওই সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলেও উল্টো পুলিশী হয়রানি ও সন্ত্রাসীদের হুমকীর শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
এলাকাবাসী জানান, কক্সবাজার শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাহাড়তলীর ১০ হাজারের বেশি মানুষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি। দূর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ওই এলাকায় নিয়মিত ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজি চলে আসলেও স্থানীয় অসহায় লোকজন মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না। আবার সন্ত্রাসীদের আটক করে দিলেও পড়তে হয় বিপাকে।
শহরের দক্ষিণ পাহাড়তলীর ইসলামপুর নুর নগরের বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম (২৬), ফাতেমা বেগম (২০), রেহেনা আকতার (২২) ও মনোয়ারা বেগম (২১) জানান, সন্ধ্যা নামলেই এই এলাকা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা দূর্গম হওয়ায় সন্ত্রাসীরা অপকর্ম করেই নিরাপদে সটকে পড়ে। আবার অনেক সন্ত্রাসী পুলিশের সোর্স পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই ও অসহায় মেয়েদের ধর্ষণ করে আসলেও নিরীহ এলাকাবাসী মুখ খোলার সাহস পায় না।
এলাকার গোল ছেহের (৪৫), হাজেরা খাতুন (৩২), হাফেজা খাতুন (২৩) ও হুমাইরা বেগম (১৮) জানান, এই এলাকার ১০ হাজারের বেশি মানুষ নাগরিক সুবিধা ছাড়াও মানবাধিকার বঞ্চিত। অপরাধীরা অপরাধ করলেও এই এলাকার মানুষ বিচার পায় না।
স্থানীয় আশরফ আলী (৫০), মনোয়ারা বেগম (২৩), হামিদা বেগম (২৫), রাশেদা বেগম (৩০), রুবি আকতার (৩০) ও আমির হোসেন (৩২) জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে এলাকার বিধবা খতিজা বেগম অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হন। এসময় অসহায় খতিজা ও তার দুই সন্তানকেও মারধর করা হয়। ঘটনার সময় খতিজার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা আত্মগোপন করে। পরে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে টর্চ লাইট ও মশাল নিয়ে এলাকায় তল্লাশী চালিয়ে নুরুল আলম (২৫) নামক এক সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও উল্টো পুলিশী হয়রানি ও সন্ত্রাসীদের হুমকীর শিকার হতে হচ্ছে।
ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ামী একাডেমীর ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী আসমা আকতার (৯) ও সুমী আকতার (৯) ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সাজেদা বেগম (১০) আমেনা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী সানজিদা আকতার বলেন, আমরা খতিজা খালার চিৎকার শুনে দা ও লাঠিসোটা দিয়ে ডাকাত ধরেছি। এসময় ডাকাতের হাতে অস্ত্র দেখে আমরা খুব ভয়ও পেয়েছি।
ধর্ষণের শিকার বিধবা গৃহবধু খতিজা বেগম (৩৪) জানান, প্রথমে ৩ জন সন্ত্রাসী রাত ২ টার দিকে এসে ঘরের বেড়া ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে তিনি চিৎকার দেন। এসময় আশেপাশের কয়েকজন লোক আসলে সন্ত্রাসীরা গুলী করার ভয় দেখিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেয়। এসময় অস্ত্রের মুখে তাকে ধর্ষন করার সময় ২ সন্তান বাধা দেয়। এসময় সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে (খতিজাকে) এবং তার ২ সন্তানকে মারধর করে।
খতিজা বলেন, আমি ও আমার সন্তানদের চিৎকারে পাড়া প্রতিবেশীরা জড়ো হয়ে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং এরমধ্যে একজনকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করে। পরে এলাকার মুরুব্বী হিসাবে পরিচিত দক্ষিণ টেকপাড়ার আবদুল হককে খবর দিলে সকালে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে সন্ত্রাসী নুরুল আলমকে নিয়ে যায়।
টেকপাড়ার আবদুল হক অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করার পর তিনি পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের হুমকীতে এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। এই মধ্যযুগীয় ঘটনাটি তদন্ত করে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থা ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতি আহবান জানান।
খতিজা বেগম (৩৪) জানান, তার স্বামী আবদুর রহিম প্রায় ৮ বছর আগে মারা যায়। সেই থেকে পরের ঘরে কাজ করে ২ সন্তান নিয়ে তিনি মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।
ঘটনার ব্যাপারে কক্সবাজার সদর থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার জানান, ধৃত নুরুল আলমের সাথে বিধবা খতিজার অবৈধ প্রণয় ছিল। কিন্তু সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর সে-ই (খতিজা) তাকে ধরিয়ে দিয়েছে।
অস্ত্র আটকের ঘটনাটি সাজানোও বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে গৃহবধু খতিজা ওসির অভিযোগ সত্য নয় দাবী করে প্রয়োজনে এই বিষয়ে তদন্ত করার আহবান জানান।
এলাকাবাসী জানান, কক্সবাজার শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাহাড়তলীর ১০ হাজারের বেশি মানুষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি। দূর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ওই এলাকায় নিয়মিত ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজি চলে আসলেও স্থানীয় অসহায় লোকজন মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না। আবার সন্ত্রাসীদের আটক করে দিলেও পড়তে হয় বিপাকে।
শহরের দক্ষিণ পাহাড়তলীর ইসলামপুর নুর নগরের বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম (২৬), ফাতেমা বেগম (২০), রেহেনা আকতার (২২) ও মনোয়ারা বেগম (২১) জানান, সন্ধ্যা নামলেই এই এলাকা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা দূর্গম হওয়ায় সন্ত্রাসীরা অপকর্ম করেই নিরাপদে সটকে পড়ে। আবার অনেক সন্ত্রাসী পুলিশের সোর্স পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই ও অসহায় মেয়েদের ধর্ষণ করে আসলেও নিরীহ এলাকাবাসী মুখ খোলার সাহস পায় না।
এলাকার গোল ছেহের (৪৫), হাজেরা খাতুন (৩২), হাফেজা খাতুন (২৩) ও হুমাইরা বেগম (১৮) জানান, এই এলাকার ১০ হাজারের বেশি মানুষ নাগরিক সুবিধা ছাড়াও মানবাধিকার বঞ্চিত। অপরাধীরা অপরাধ করলেও এই এলাকার মানুষ বিচার পায় না।
স্থানীয় আশরফ আলী (৫০), মনোয়ারা বেগম (২৩), হামিদা বেগম (২৫), রাশেদা বেগম (৩০), রুবি আকতার (৩০) ও আমির হোসেন (৩২) জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে এলাকার বিধবা খতিজা বেগম অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হন। এসময় অসহায় খতিজা ও তার দুই সন্তানকেও মারধর করা হয়। ঘটনার সময় খতিজার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা আত্মগোপন করে। পরে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে টর্চ লাইট ও মশাল নিয়ে এলাকায় তল্লাশী চালিয়ে নুরুল আলম (২৫) নামক এক সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও উল্টো পুলিশী হয়রানি ও সন্ত্রাসীদের হুমকীর শিকার হতে হচ্ছে।
ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ামী একাডেমীর ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী আসমা আকতার (৯) ও সুমী আকতার (৯) ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সাজেদা বেগম (১০) আমেনা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী সানজিদা আকতার বলেন, আমরা খতিজা খালার চিৎকার শুনে দা ও লাঠিসোটা দিয়ে ডাকাত ধরেছি। এসময় ডাকাতের হাতে অস্ত্র দেখে আমরা খুব ভয়ও পেয়েছি।
ধর্ষণের শিকার বিধবা গৃহবধু খতিজা বেগম (৩৪) জানান, প্রথমে ৩ জন সন্ত্রাসী রাত ২ টার দিকে এসে ঘরের বেড়া ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে তিনি চিৎকার দেন। এসময় আশেপাশের কয়েকজন লোক আসলে সন্ত্রাসীরা গুলী করার ভয় দেখিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেয়। এসময় অস্ত্রের মুখে তাকে ধর্ষন করার সময় ২ সন্তান বাধা দেয়। এসময় সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে (খতিজাকে) এবং তার ২ সন্তানকে মারধর করে।
খতিজা বলেন, আমি ও আমার সন্তানদের চিৎকারে পাড়া প্রতিবেশীরা জড়ো হয়ে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং এরমধ্যে একজনকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করে। পরে এলাকার মুরুব্বী হিসাবে পরিচিত দক্ষিণ টেকপাড়ার আবদুল হককে খবর দিলে সকালে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে সন্ত্রাসী নুরুল আলমকে নিয়ে যায়।
টেকপাড়ার আবদুল হক অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করার পর তিনি পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের হুমকীতে এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। এই মধ্যযুগীয় ঘটনাটি তদন্ত করে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থা ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতি আহবান জানান।
খতিজা বেগম (৩৪) জানান, তার স্বামী আবদুর রহিম প্রায় ৮ বছর আগে মারা যায়। সেই থেকে পরের ঘরে কাজ করে ২ সন্তান নিয়ে তিনি মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।
ঘটনার ব্যাপারে কক্সবাজার সদর থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার জানান, ধৃত নুরুল আলমের সাথে বিধবা খতিজার অবৈধ প্রণয় ছিল। কিন্তু সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর সে-ই (খতিজা) তাকে ধরিয়ে দিয়েছে।
অস্ত্র আটকের ঘটনাটি সাজানোও বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে গৃহবধু খতিজা ওসির অভিযোগ সত্য নয় দাবী করে প্রয়োজনে এই বিষয়ে তদন্ত করার আহবান জানান।


0 Comments