পেকুয়া প্রতিনিধি
কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার,এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে সখ্যতা,বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য, মামলার চার্জশীট প্রদানে মামলার বাদী-বিবাদীদের হয়রানীসহ আরো বহু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও এ ওসির বিরুদ্ধে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দিনে-দুপুরে মদ্যপ অবস্থায় মাতলামী করার ও গুরুতর অভিযোগ করেছে। এ নিয়ে দ্বীপের বিভিন্ন এলাকার সচেতন কয়েকজন ব্যক্তি ওসি মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বেশ কয়েকবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন কাজ হয়নি বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,গত বছরের ১ মে ওসি মামুন কুতুবদিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) হিসেবে যোগদান করেন। অভিযোগ
উঠেছে,তিনি কুতুবদিয়া থানায় যোগদান করার পর থেকে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে দহরম-মহরম ও সখ্যাতা স্থাপন করে ফাঁয়দা হাসিল করছে। পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ তা অবগত হয়েও তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ নিয়ে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এদিকে গত ৮ জানুয়ারী বিকালে উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন স্থানীয় প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতার কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে চট্টগ্রাম মৎস্য বন্দর থেকে কোস্ট গার্ডের কিছু দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ভাড়া করে এনে এক নিরাপরাধ ব্যক্তির বসত ঘরে কথিত সাজানো অভিযান চালিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। এর পর থেকে দ্বীপের দূর্গম ওই তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন আতংক বিরাজ করছে। তাবলের চর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,পেকুয়ার করিয়ার দিয়া গ্রাম থেকে গত কিছু দিন পূর্বে পৈত্রিক নিবাসে স্বপরিবারে বেড়াতে আসে আ‘লীগ নেতা আকতার কামাল চৌধুরীকে কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছাড়াই থানায় নিয়ে যান ওই বিতর্কিত ওসি। এছাড়া আকতার কামালের লাইসেন্স করা করা একটি অস্ত্র ও থানায় নিয়ে যায়। পরে ওসি মামুন আকতারের কামালের বৈধ অস্ত্রকে অবৈধ বলে প্রচার করে তার বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র আইনে কোস্ট গার্ডের এক কর্মকর্তাকে বাদী সাজিয়ে একটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করে। এ ব্যাপারে আকতার কামালের স্ত্রী আকলিমা আকতার রেখা জানান,ওসি মামুন কোন কারণ ছাড়াই কোস্ট গার্ড এনে আমার স্বামীকে আটকসহ আমার দু‘স্কুল পড়–য়া কোমলতি সন্তানকে ব্যাপক মারধর করেছে। আর আমরা বেড়াতে তাবলের চরে বেড়াতে আসার সময় লাইসেন্স করা অস্ত্রটি চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে নিয়ে আসি। এই সুযোগগে পুঁজি করে ওই দূর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা অতি উৎসাহী হয়ে আমাদের পুরো পরিবারকে হয়রানী করেই যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দ্বীপের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামের খুনসহ প্রায় ডজন মামলার আসামী ও বক্তার বাহিনীর প্রধাণ সন্ত্রাসী বক্তার আলম (৪৮) এর লোকজনের সাথে বিশেষ সখ্যতা রয়েছে বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওসির সাথে সখ্যতা থাকার সুবাধে ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন এলাকার সাধারন মানুষদের জিম্মি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাবলের চরের সাধারন মানুষ আজ দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বক্তার বাাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে চরমভাবে নিরাপত্তহীনতায় রয়েছে। এলাকার সাধারন মানুষদের লবণ চাষের জমি দখল,চাঁদাবাজী,হামলা ও ভাংচুরসহ অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ড করে বক্তার বাহিনী এলাকায় মূর্তিমান আতংকে পরিণত হয়েছে। জানা যায়,গত ১০ ডিসেম্বর তাবলের চরের সাধারন লবণ চাষীদের পানি সেচের ১০টি মেশিন ও প্রায় ৪লাখ টাকার পলিথিন প্রকাশ্যে লুট করে নিয়ে যায় ওই বাহিনীর লোকজন। এছাড়াও গত বছর ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন তাবলের চর বাজারে স্থানীয় আ‘লীগ কার্যালয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল। পরে এ অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় মামলা হয়েছিল। এ ভাবে বক্তার বাহিনী লোকজন কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ছত্রছায়ায় অবস্থান করে এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় তাবলের চরের বাসিন্দারা অবিলম্বে থানার বিতর্কিত ওসি মামুনকে কুতুবদিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করারও দাবী জানিয়েছেন।
এসব অভিয়োগের ব্যাপারে জানতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো: আবদুল্লাহ আল মামুনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,একটি মহল এসব অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে ষডযন্ত্র করছে। দ্বীপের কোন সন্ত্রাসীদের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই বলেও দাবী করেছেন।
কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার,এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে সখ্যতা,বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য, মামলার চার্জশীট প্রদানে মামলার বাদী-বিবাদীদের হয়রানীসহ আরো বহু অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও এ ওসির বিরুদ্ধে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দিনে-দুপুরে মদ্যপ অবস্থায় মাতলামী করার ও গুরুতর অভিযোগ করেছে। এ নিয়ে দ্বীপের বিভিন্ন এলাকার সচেতন কয়েকজন ব্যক্তি ওসি মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বেশ কয়েকবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন কাজ হয়নি বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,গত বছরের ১ মে ওসি মামুন কুতুবদিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) হিসেবে যোগদান করেন। অভিযোগ
উঠেছে,তিনি কুতুবদিয়া থানায় যোগদান করার পর থেকে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে দহরম-মহরম ও সখ্যাতা স্থাপন করে ফাঁয়দা হাসিল করছে। পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ তা অবগত হয়েও তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ নিয়ে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এদিকে গত ৮ জানুয়ারী বিকালে উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন স্থানীয় প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতার কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে চট্টগ্রাম মৎস্য বন্দর থেকে কোস্ট গার্ডের কিছু দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ভাড়া করে এনে এক নিরাপরাধ ব্যক্তির বসত ঘরে কথিত সাজানো অভিযান চালিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। এর পর থেকে দ্বীপের দূর্গম ওই তাবলের চর গ্রামে ওসি মামুন আতংক বিরাজ করছে। তাবলের চর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,পেকুয়ার করিয়ার দিয়া গ্রাম থেকে গত কিছু দিন পূর্বে পৈত্রিক নিবাসে স্বপরিবারে বেড়াতে আসে আ‘লীগ নেতা আকতার কামাল চৌধুরীকে কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছাড়াই থানায় নিয়ে যান ওই বিতর্কিত ওসি। এছাড়া আকতার কামালের লাইসেন্স করা করা একটি অস্ত্র ও থানায় নিয়ে যায়। পরে ওসি মামুন আকতারের কামালের বৈধ অস্ত্রকে অবৈধ বলে প্রচার করে তার বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র আইনে কোস্ট গার্ডের এক কর্মকর্তাকে বাদী সাজিয়ে একটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করে। এ ব্যাপারে আকতার কামালের স্ত্রী আকলিমা আকতার রেখা জানান,ওসি মামুন কোন কারণ ছাড়াই কোস্ট গার্ড এনে আমার স্বামীকে আটকসহ আমার দু‘স্কুল পড়–য়া কোমলতি সন্তানকে ব্যাপক মারধর করেছে। আর আমরা বেড়াতে তাবলের চরে বেড়াতে আসার সময় লাইসেন্স করা অস্ত্রটি চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে নিয়ে আসি। এই সুযোগগে পুঁজি করে ওই দূর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা অতি উৎসাহী হয়ে আমাদের পুরো পরিবারকে হয়রানী করেই যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দ্বীপের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলের চর গ্রামের খুনসহ প্রায় ডজন মামলার আসামী ও বক্তার বাহিনীর প্রধাণ সন্ত্রাসী বক্তার আলম (৪৮) এর লোকজনের সাথে বিশেষ সখ্যতা রয়েছে বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওসির সাথে সখ্যতা থাকার সুবাধে ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন এলাকার সাধারন মানুষদের জিম্মি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাবলের চরের সাধারন মানুষ আজ দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বক্তার বাাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে চরমভাবে নিরাপত্তহীনতায় রয়েছে। এলাকার সাধারন মানুষদের লবণ চাষের জমি দখল,চাঁদাবাজী,হামলা ও ভাংচুরসহ অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ড করে বক্তার বাহিনী এলাকায় মূর্তিমান আতংকে পরিণত হয়েছে। জানা যায়,গত ১০ ডিসেম্বর তাবলের চরের সাধারন লবণ চাষীদের পানি সেচের ১০টি মেশিন ও প্রায় ৪লাখ টাকার পলিথিন প্রকাশ্যে লুট করে নিয়ে যায় ওই বাহিনীর লোকজন। এছাড়াও গত বছর ওই বক্তার বাহিনীর লোকজন তাবলের চর বাজারে স্থানীয় আ‘লীগ কার্যালয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছিল। পরে এ অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় মামলা হয়েছিল। এ ভাবে বক্তার বাহিনী লোকজন কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ছত্রছায়ায় অবস্থান করে এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় তাবলের চরের বাসিন্দারা অবিলম্বে থানার বিতর্কিত ওসি মামুনকে কুতুবদিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করারও দাবী জানিয়েছেন।
এসব অভিয়োগের ব্যাপারে জানতে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো: আবদুল্লাহ আল মামুনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,একটি মহল এসব অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে ষডযন্ত্র করছে। দ্বীপের কোন সন্ত্রাসীদের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই বলেও দাবী করেছেন।

0 Comments