নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর জুমছড়ি এলাকার আদম পাচারকারী মোহাম্মদ আলম(৩৫)কে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। রোববার রাতে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক ( এস আই) বদরুল কবীর অভিযান চালিয়ে তার নিজ বাড়ী থেকে তাকে আটক করে। সোমবার তাকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, উপজেলার পিএমখালী জুমছড়ি এলাকার মোহাম্মদ কালুর ছেলে মোহাম্মদ আলম ওমান পাঠানোর কথা বলে মহেশখালী উপজেলার কালামারছড়া ইউনিয়নের সোনারপাড়া এলাকার মৃত বশির মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর কাছ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা গ্রহণ করে। এরপর মোহাম্মদ আলমের ভাই বদি আলম ওমানের রঙ মিস্ত্রির ভিসা দিয়ে শহীদুল্লাহকে নিয়ে যায়। ওমানে গিয়ে শহীদুল্লাহকে রঙ মিস্ত্রির কাজ না দিয়ে রাজ মিস্ত্রির কাজে লাগিয়ে দেয়। যার কারণে শহীদুল্লাহ বাংলাদেশে ফেরত আসে।
ভুক্তভোগী শহিদুল্লাহ জানান, রঙ মিস্ত্রির ভিসা দিয়ে ওমান নিয়ে গিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ দেয়ায় বাংলাদেশে চলে আসি। টাকা নেওয়ার সময় কোন কারণে বিদেশ থেকে আসলে আলম তার যাবতীয় খরচ সহ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। ঠিকই বিদেশ থেকে তিনি ফেরত আসার ভিসা বাবদ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও যাবতীয় খরচসহ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত চাইলে আজ দিবে ্কাল দিবে বলে কালক্ষেপন করে। এর পরে বাধ্য হয়ে আদালতে একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করা হয়। সদর মডেল থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আদালতের অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে রোববার রাতে প্রতারক আলমকে আটক করে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর জুমছড়ি এলাকার আদম পাচারকারী মোহাম্মদ আলম(৩৫)কে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। রোববার রাতে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক ( এস আই) বদরুল কবীর অভিযান চালিয়ে তার নিজ বাড়ী থেকে তাকে আটক করে। সোমবার তাকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, উপজেলার পিএমখালী জুমছড়ি এলাকার মোহাম্মদ কালুর ছেলে মোহাম্মদ আলম ওমান পাঠানোর কথা বলে মহেশখালী উপজেলার কালামারছড়া ইউনিয়নের সোনারপাড়া এলাকার মৃত বশির মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর কাছ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা গ্রহণ করে। এরপর মোহাম্মদ আলমের ভাই বদি আলম ওমানের রঙ মিস্ত্রির ভিসা দিয়ে শহীদুল্লাহকে নিয়ে যায়। ওমানে গিয়ে শহীদুল্লাহকে রঙ মিস্ত্রির কাজ না দিয়ে রাজ মিস্ত্রির কাজে লাগিয়ে দেয়। যার কারণে শহীদুল্লাহ বাংলাদেশে ফেরত আসে।
ভুক্তভোগী শহিদুল্লাহ জানান, রঙ মিস্ত্রির ভিসা দিয়ে ওমান নিয়ে গিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ দেয়ায় বাংলাদেশে চলে আসি। টাকা নেওয়ার সময় কোন কারণে বিদেশ থেকে আসলে আলম তার যাবতীয় খরচ সহ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। ঠিকই বিদেশ থেকে তিনি ফেরত আসার ভিসা বাবদ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও যাবতীয় খরচসহ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত চাইলে আজ দিবে ্কাল দিবে বলে কালক্ষেপন করে। এর পরে বাধ্য হয়ে আদালতে একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করা হয়। সদর মডেল থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আদালতের অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে রোববার রাতে প্রতারক আলমকে আটক করে।

0 Comments