ডা: বাপ্পীর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার খায়েস
টাকা দিয়ে রাস্তায় আন্দোলন
উদ্বিগ্ন অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা
উদ্বিগ্ন অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা
কক্সবাজার চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে (মেডিকেল কলেজ) কে কেন্দ্র করে একটি চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল আবারও শুরু করেছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এতে করে উক্ত চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্য কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশংকা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চক্রান্ত ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন কলেজের কনিষ্ঠ শিক্ষক ডা: অরূপ দত্ত বাপ্পী।
ডা: বাপ্পী একজন কনিষ্ঠ পরামর্শক চিকিৎসক (জুনিয়র কনসালটেন্ট) হলেও নানা কায়দা কৌশলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়েছেন। উক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ। বিগত একযুগেরও অধিক সময় জুড়ে নানা কায়দা কৌশলে এবং টাকা-কড়ি খরচ করে ওই চিকিৎসক কক্সবাজারে একই স্থানে চাকুরী করছেন নির্বিঘেœ। ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত ওই চিকিৎসক বিএনপি-জামায়াত জোটের আমলে চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাব করেন আবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিপ করেন।
একই অঙ্গে বহুরূপের অধিকারী বিতর্কিত ওই চিকিৎসক সবসময় বিএমএ’র নেতাও নির্বাচিত হন সকলকে ম্যানেজ করে। চিকিৎসকরা জানান, বিগত বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে এই বহুরূপী সুবিধাবাদী চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন, যে সময়ের বিকল্প স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত বিএনপি নেতা ডাঃ জাহিদ হোসেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর কক্সবাজারে বিতর্কিত এই চিকিৎসক লাইন দিয়েছেন আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ বদিউজ্জামান ডাবলুর সাথে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চরমভাবে বিতর্কিত আলোচ্য শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: বাপ্পীর শিক্ষক মর্যাদা একজন সহকারী অধ্যাপকের সমমানের হলেও টাকা-কড়ির জোরে তিনি ভাগিয়ে নিয়েছেন কক্সবাজার চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষের পদটি। এখন খায়েস হয়েছে অধ্যক্ষকে বিতাড়ন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার।
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কলেজে বর্তমান অধ্যক্ষ ইউছুপ আলীকে অপসারণ কিংবা অন্যত্র বদলী করা হোক এতে তাদের আপত্তি নেই। তবে তার স্থলে যাতে একজন প্রফেসর পদমর্যাদার প্রকৃত শিক্ষককে পদায়ন করা হয়। অন্যথায় কলেজে বিদ্যমান অনেক সমস্যার সাথে বাড়তি সমস্যার আশংকা রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতে, বর্তমান অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকতে পারে। তবে তিনি শিক্ষক হিসেবে খুবই দায়িত্ববান। তাদের দাবী প্রফেসর ইউছুপ আলীকে যাতে শুধুমাত্র একজন উচ্চাভিলাশী নৈতিকতা বিসর্জিত শিক্ষকের খায়েস মিটানোর জন্য সরানো না হয়।
শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করেন, কলেজের ২য় বর্ষের সেকেন্ড টার্মিনাল পরীক্ষা ছিল ২৯ ডিসেম্বর। তখন পরীক্ষার ব্যাপক প্রস্তুতি চলছিল ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে। ঠিক ওই সময় বিনোদনের নামে ছাত্র-ছাত্রীদের বাধ্য করে ডা: বাপ্পীর গড়া সংগঠন ধ্রুবক এর ব্যানারে আয়োজন করা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ২৭ ডিসেম্বর রাতভর চলে ছাত্রীদের অশালীন নৃত্য। এতে করে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে। এছাড়া অভিভাবকরাও চরমভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
জানা গেছে, ওই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে তিনি পরীক্ষার আগে অনুমতি দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক শিক্ষক বলেন, ডা: বাপ্পী ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে জোর করে ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।
এব্যাপারে ডা: অরূপ দত্ত বাপ্পীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সকলের সম্মতিতেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এছাড়া কারো ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার যোগ্যতা থাকলে কর্তৃপক্ষ তাকে অবশ্যই টেনে নিবেন। শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে যে সুনামখ্যাতি আমার অর্জিত হয়েছে তা-দশটি অধ্যক্ষের পদ দিয়েও পাওয়া সম্ভব নয়।
তবে টাকা দিয়ে কাউকে মাঠে নামিয়ে আন্দোলন করানোর বিষয়টি সত্য নয়। এটি তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলেও দাবী করেন ডা: অরূপ দত্ত বাপ্পী।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চক্রান্ত ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন কলেজের কনিষ্ঠ শিক্ষক ডা: অরূপ দত্ত বাপ্পী।
ডা: বাপ্পী একজন কনিষ্ঠ পরামর্শক চিকিৎসক (জুনিয়র কনসালটেন্ট) হলেও নানা কায়দা কৌশলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়েছেন। উক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ। বিগত একযুগেরও অধিক সময় জুড়ে নানা কায়দা কৌশলে এবং টাকা-কড়ি খরচ করে ওই চিকিৎসক কক্সবাজারে একই স্থানে চাকুরী করছেন নির্বিঘেœ। ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত ওই চিকিৎসক বিএনপি-জামায়াত জোটের আমলে চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাব করেন আবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিপ করেন।
একই অঙ্গে বহুরূপের অধিকারী বিতর্কিত ওই চিকিৎসক সবসময় বিএমএ’র নেতাও নির্বাচিত হন সকলকে ম্যানেজ করে। চিকিৎসকরা জানান, বিগত বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে এই বহুরূপী সুবিধাবাদী চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন, যে সময়ের বিকল্প স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত বিএনপি নেতা ডাঃ জাহিদ হোসেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর কক্সবাজারে বিতর্কিত এই চিকিৎসক লাইন দিয়েছেন আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ বদিউজ্জামান ডাবলুর সাথে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চরমভাবে বিতর্কিত আলোচ্য শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: বাপ্পীর শিক্ষক মর্যাদা একজন সহকারী অধ্যাপকের সমমানের হলেও টাকা-কড়ির জোরে তিনি ভাগিয়ে নিয়েছেন কক্সবাজার চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষের পদটি। এখন খায়েস হয়েছে অধ্যক্ষকে বিতাড়ন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার।
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কলেজে বর্তমান অধ্যক্ষ ইউছুপ আলীকে অপসারণ কিংবা অন্যত্র বদলী করা হোক এতে তাদের আপত্তি নেই। তবে তার স্থলে যাতে একজন প্রফেসর পদমর্যাদার প্রকৃত শিক্ষককে পদায়ন করা হয়। অন্যথায় কলেজে বিদ্যমান অনেক সমস্যার সাথে বাড়তি সমস্যার আশংকা রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতে, বর্তমান অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকতে পারে। তবে তিনি শিক্ষক হিসেবে খুবই দায়িত্ববান। তাদের দাবী প্রফেসর ইউছুপ আলীকে যাতে শুধুমাত্র একজন উচ্চাভিলাশী নৈতিকতা বিসর্জিত শিক্ষকের খায়েস মিটানোর জন্য সরানো না হয়।
শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করেন, কলেজের ২য় বর্ষের সেকেন্ড টার্মিনাল পরীক্ষা ছিল ২৯ ডিসেম্বর। তখন পরীক্ষার ব্যাপক প্রস্তুতি চলছিল ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে। ঠিক ওই সময় বিনোদনের নামে ছাত্র-ছাত্রীদের বাধ্য করে ডা: বাপ্পীর গড়া সংগঠন ধ্রুবক এর ব্যানারে আয়োজন করা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ২৭ ডিসেম্বর রাতভর চলে ছাত্রীদের অশালীন নৃত্য। এতে করে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে। এছাড়া অভিভাবকরাও চরমভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
জানা গেছে, ওই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে তিনি পরীক্ষার আগে অনুমতি দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক শিক্ষক বলেন, ডা: বাপ্পী ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে জোর করে ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।
এব্যাপারে ডা: অরূপ দত্ত বাপ্পীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সকলের সম্মতিতেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এছাড়া কারো ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার যোগ্যতা থাকলে কর্তৃপক্ষ তাকে অবশ্যই টেনে নিবেন। শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে যে সুনামখ্যাতি আমার অর্জিত হয়েছে তা-দশটি অধ্যক্ষের পদ দিয়েও পাওয়া সম্ভব নয়।
তবে টাকা দিয়ে কাউকে মাঠে নামিয়ে আন্দোলন করানোর বিষয়টি সত্য নয়। এটি তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলেও দাবী করেন ডা: অরূপ দত্ত বাপ্পী।


0 Comments