জুয়েল চৌধুরী
শিৰা জাতীয় মেরম্নদণ্ড আর শিৰকরা সু-শিৰিত জাতি গড়ার কারিগর এটি হচ্ছে একটি ধ্রম্নব সত্য। কিন্তু বর্তমানে শিৰকতা পেশাকে বাণিজ্যিক পেশাতে পরিণত করে এই মহান পেশার জ্যোতিকে মস্নান করছেন কতিপয় অর্থলিপ্সু শিৰক। ইতোমধ্যে সরকারের শিৰা মন্ত্রণালয় শিৰকদের কোচিং এবং প্রাইভেট পড়ানোর উপর কড়াকড়ি আরোপ করেছেন। শুধু তাই নয় যে সমসত্দ বিদ্যালয়ের শিৰকরা ক্লাস ভিত্তিক শিৰা কার্যক্রমকে ব্যতি রেখে প্রাইভেট ও কোচিংয়ের উপর গুরম্নত্ব দিয়ে বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন তাদের লিস্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন। শিৰা মন্ত্রণালয়ের এত কড়াকড়ি নির্দেশের পরেও এসব অর্থলিপ্সু শিৰকরা নূন্যতম কর্ণপাত না করে প্রাইভেট বা কোচিং বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন।
নানা অভিযোগ অনুযোগ আর ওজর আপত্তির প্রেৰিতে এই কক্সবাজার শহরের এসব অর্থলিপ্সু শিৰকদের ক্লাস ভিত্তিক বিমুখতা এবং রমরমা প্রাইভেট বাণিজ্যের বিভৎস চিত্র পরিলৰিত হয়েছে। এই চিত্র শুধু কক্সবাজার শহরের নয় পুরো জেলাতেই বিদ্যমান উপজেলা প্রতিনিধিদের প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় জেলার টেকনাফ, উখিয়া, রামু, চকরিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, সদর (পৃষ্ঠা >২, কলাম >২)
জেলায় জমজমাট প্রাইভেট
(শেষ পৃষ্ঠার পর)
উপজেলা সবকটিতেই মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিৰকদের সবচেয়ে বেশি প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্যের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে সবেচেয়ে মাত্রাতিরিক্ত পরিলৰিত হয়েছে এই কক্সবাজার শহরের শিৰকদের রমরমা প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রাথমিক সত্দরে এই প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন পিটিআই সংলগ্ন পরিমাণ বিদ্যালয়ের শিৰক এবং মডেল কেজি স্কুলের শিৰক। যার পরেই রয়েছেন বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল, ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, হলিডে চাইল্ড স্কুল, প্রভাতী শিশু শিৰা নিকেতনসহ প্রায় সবগুলো কেজি ও কিন্ডার গার্টেন স্কুল।
উলেস্নখিত বিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিৰক এই রমরমা বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন যা মিনি বিদ্যালয়ের সামিল।
প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সত্দরের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক অবস্থা মাধ্যমিক সত্দরে। এই সত্দরের শিৰকরা শ্রেণি ভিত্তিক শিৰা কার্যক্রমকে শুধু লোক দেখানো কার্যক্রমে সীমাবদ্দ রেখে তাদের নিজস্ব মিনি বিদ্যালয়কে প্রধান দিচ্ছেন। শুধু মাত্র বিদ্যালয়ের নামটি সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে অত্র প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের এক প্রকার জিম্মি করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কতিপয় শিৰার্থীরা জানান, বিদ্যালয়ের শিৰকদের কাছে প্রাইভেট না পড়লে বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে ক্লাসে হেনস্থা করে এবং নানা অযুহাতে পরীৰাতে ফেল করান। আবার অনেক শিৰক ক্লাসে এক প্রকার ত্রাসের সৃষ্টি করে বাধ্য করেন ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়তে এসব বিদ্যালয়ের শিৰকরা বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজি বিভাগের শিৰক-শিৰিকারা সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্যে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন কেজি ও মডেল হাই স্কুলের শিৰকরা। এসব শিৰা প্রতিষ্ঠানের কতিপয় শিৰকরা অনেকটা প্রকাশ্যেই ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের নিজেদের কাছে প্রাইভেট পড়ার কথা বলেন। কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিৰকদের মধ্যে রয়েছে এই প্রাইভেট বাণিজ্য নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং গ্রম্নপিং বর্তমানে যা মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেজি এন্ড প্রি ক্যাডেট মডেল হাই স্কুল ও পৌর প্রি-প্যারাটরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিৰকরাও প্রকাশ্যে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন। অনেক শিৰকতো বিদ্যালয়ে শিৰকতা করছেন শুধুমাত্র তাদের প্রাইভেট বাণিজ্যকে রমরমা করতে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিৰকদের প্রাইভেট এবং কোচিং সেন্টারগুলো দেখলে বুঝে উঠার উপায় নেই এগুলো কি বিদ্যালয় নাকি মহাবিদ্যালয়। এসব প্রাইভেট ও কোচিং প্রতিষ্ঠান গুলো শুরম্ন এবং শেষের চিত্র দেখে মনে হয় কোন মিনি শিৰা প্রতিষ্ঠান। অনেক শিৰকরা শিৰা প্রতিষ্ঠানে নামে মাত্র অংশ নিয়ে প্রাইভেট চলে যান। বলাবাহুল্য এসব শিৰকরা একেক ব্যাচে কয়েকশ শিৰার্থী পড়ান যাতে গাদাগাদি করে শিৰার্থীরা কোন রকমে শিৰককে খুশি করতে অংশ নিয়ে থাকেন। যাতে নেই মনোযোগ ও শিৰার মানের বালায় নেই বিশেষ কোন শিৰা পদ্ধতি।
এই যদি হয় শিৰা এবং শিৰকদের অবস্থা তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন মানুষ গড়ার কারিগরদের মানুষ দেখবে অন্য চোখে যাতে সম্মানের চেয়ে অসম্মানই প্রধান্য পাবে।
শিৰা জাতীয় মেরম্নদণ্ড আর শিৰকরা সু-শিৰিত জাতি গড়ার কারিগর এটি হচ্ছে একটি ধ্রম্নব সত্য। কিন্তু বর্তমানে শিৰকতা পেশাকে বাণিজ্যিক পেশাতে পরিণত করে এই মহান পেশার জ্যোতিকে মস্নান করছেন কতিপয় অর্থলিপ্সু শিৰক। ইতোমধ্যে সরকারের শিৰা মন্ত্রণালয় শিৰকদের কোচিং এবং প্রাইভেট পড়ানোর উপর কড়াকড়ি আরোপ করেছেন। শুধু তাই নয় যে সমসত্দ বিদ্যালয়ের শিৰকরা ক্লাস ভিত্তিক শিৰা কার্যক্রমকে ব্যতি রেখে প্রাইভেট ও কোচিংয়ের উপর গুরম্নত্ব দিয়ে বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন তাদের লিস্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন। শিৰা মন্ত্রণালয়ের এত কড়াকড়ি নির্দেশের পরেও এসব অর্থলিপ্সু শিৰকরা নূন্যতম কর্ণপাত না করে প্রাইভেট বা কোচিং বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন।
নানা অভিযোগ অনুযোগ আর ওজর আপত্তির প্রেৰিতে এই কক্সবাজার শহরের এসব অর্থলিপ্সু শিৰকদের ক্লাস ভিত্তিক বিমুখতা এবং রমরমা প্রাইভেট বাণিজ্যের বিভৎস চিত্র পরিলৰিত হয়েছে। এই চিত্র শুধু কক্সবাজার শহরের নয় পুরো জেলাতেই বিদ্যমান উপজেলা প্রতিনিধিদের প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় জেলার টেকনাফ, উখিয়া, রামু, চকরিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, সদর (পৃষ্ঠা >২, কলাম >২)
জেলায় জমজমাট প্রাইভেট
(শেষ পৃষ্ঠার পর)
উপজেলা সবকটিতেই মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিৰকদের সবচেয়ে বেশি প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্যের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে সবেচেয়ে মাত্রাতিরিক্ত পরিলৰিত হয়েছে এই কক্সবাজার শহরের শিৰকদের রমরমা প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রাথমিক সত্দরে এই প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন পিটিআই সংলগ্ন পরিমাণ বিদ্যালয়ের শিৰক এবং মডেল কেজি স্কুলের শিৰক। যার পরেই রয়েছেন বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল, ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, হলিডে চাইল্ড স্কুল, প্রভাতী শিশু শিৰা নিকেতনসহ প্রায় সবগুলো কেজি ও কিন্ডার গার্টেন স্কুল।
উলেস্নখিত বিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিৰক এই রমরমা বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন যা মিনি বিদ্যালয়ের সামিল।
প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সত্দরের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক অবস্থা মাধ্যমিক সত্দরে। এই সত্দরের শিৰকরা শ্রেণি ভিত্তিক শিৰা কার্যক্রমকে শুধু লোক দেখানো কার্যক্রমে সীমাবদ্দ রেখে তাদের নিজস্ব মিনি বিদ্যালয়কে প্রধান দিচ্ছেন। শুধু মাত্র বিদ্যালয়ের নামটি সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে অত্র প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের এক প্রকার জিম্মি করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কতিপয় শিৰার্থীরা জানান, বিদ্যালয়ের শিৰকদের কাছে প্রাইভেট না পড়লে বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে ক্লাসে হেনস্থা করে এবং নানা অযুহাতে পরীৰাতে ফেল করান। আবার অনেক শিৰক ক্লাসে এক প্রকার ত্রাসের সৃষ্টি করে বাধ্য করেন ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়তে এসব বিদ্যালয়ের শিৰকরা বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজি বিভাগের শিৰক-শিৰিকারা সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্যে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন কেজি ও মডেল হাই স্কুলের শিৰকরা। এসব শিৰা প্রতিষ্ঠানের কতিপয় শিৰকরা অনেকটা প্রকাশ্যেই ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের নিজেদের কাছে প্রাইভেট পড়ার কথা বলেন। কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিৰকদের মধ্যে রয়েছে এই প্রাইভেট বাণিজ্য নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং গ্রম্নপিং বর্তমানে যা মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেজি এন্ড প্রি ক্যাডেট মডেল হাই স্কুল ও পৌর প্রি-প্যারাটরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিৰকরাও প্রকাশ্যে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন। অনেক শিৰকতো বিদ্যালয়ে শিৰকতা করছেন শুধুমাত্র তাদের প্রাইভেট বাণিজ্যকে রমরমা করতে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিৰকদের প্রাইভেট এবং কোচিং সেন্টারগুলো দেখলে বুঝে উঠার উপায় নেই এগুলো কি বিদ্যালয় নাকি মহাবিদ্যালয়। এসব প্রাইভেট ও কোচিং প্রতিষ্ঠান গুলো শুরম্ন এবং শেষের চিত্র দেখে মনে হয় কোন মিনি শিৰা প্রতিষ্ঠান। অনেক শিৰকরা শিৰা প্রতিষ্ঠানে নামে মাত্র অংশ নিয়ে প্রাইভেট চলে যান। বলাবাহুল্য এসব শিৰকরা একেক ব্যাচে কয়েকশ শিৰার্থী পড়ান যাতে গাদাগাদি করে শিৰার্থীরা কোন রকমে শিৰককে খুশি করতে অংশ নিয়ে থাকেন। যাতে নেই মনোযোগ ও শিৰার মানের বালায় নেই বিশেষ কোন শিৰা পদ্ধতি।
এই যদি হয় শিৰা এবং শিৰকদের অবস্থা তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন মানুষ গড়ার কারিগরদের মানুষ দেখবে অন্য চোখে যাতে সম্মানের চেয়ে অসম্মানই প্রধান্য পাবে।

0 Comments