শফিউল আলম নুরী
রিচিং আউট অফ স্কুল চিলড্রেন (রক্স) প্রকল্পের অধীনে পরিচালনাধীন উখিয়া উপজেলার ৫ইউনিয়নে এনজিও সংস্থা হেল্প কক্সবাজার, পালর্্স, টাঙ্গাইল বু্যরো ও ডিসিআরডিসি সহ ৫টি দায়িত্বরত এনজিও কর্মকর্তারা আনন্দ স্কুলের কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস, শিক্ষাথর্ীর প্রাপ্য উপবৃত্তি, পোষাক উপকরণ সহ স্কুল গৃহের ভাড়া পরিশোধ না করে গত ১বছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাত ও লুটপাট করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তৎমধ্যে দুনর্ীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার শীর্ষে রয়েছে এনজিও সংস্থা পালর্্স হেলপ কক্সবাজার। এসব এনজিওদের দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার
অভাবে সাড়ে ৪হাজার ঝরে পড়া শিক্ষাথর্ীর শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। অনিয়ম, দুনর্ীতির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতর্া মোহাম্মদ জবরুত খান বাদী হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানা যায়। সূত্র মতে হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষা বঞ্চিত ও প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার আগেই স্কুল থেকে ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ২০১০ সালে রক্স প্রকল্প চালু করলেও উখিয়া উপজেলায় উক্ত প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে। এতে রক্স প্রকল্প খাতে বরাদ্দ দেওয়া প্রায় কোটি টাকা সরকারের কোষাগারে ফেরৎ গেছে। শিক্ষার দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া এ উপজেলার হাজারো শিক্ষা বঞ্চিত শিশু, কিশোর-কিশোরী। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত রিচিং আউট অফ স্কুল চিলড্রেন (রক্স) প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণাধীন আনন্দ স্কুল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী এ উপজেলার ৫ইউনিয়নে তৃণমূল পযর্ায়ের যাচাই-বাছাই করে ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সের বিদ্যালয় বর্হিভূত ও ঝরে পড়া ৪হাজার ৬১৫ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ১৪৫টি আনন্দ স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০১১ সালে জানুয়ারী মাস থেকে। ২৫ থেকে ৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে চলমান এসব স্কুলে অধ্যয়নরত প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীর মাসিক ভাতা ৫০ টাকা, পোষাক বাবত ২শত টাকা এবং ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীর মাসিক ভাতা বাবত ৬০ টাকা এবং পোষাকের বাবত ২৫০ টাকা করে পরিশোধ করার বাধ্য বাধকতা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ইএসপি পরিশোধ না করে উক্ত সমুদয় টাকা পকেটস্থ করেছে এনজিও সংস্থাগুলোর সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা পরিচালকগণ। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের ছবি তোলা বাবদ জনপ্রতি ১শত টাকা, স্কুল ঘর ভাড়া ২হাজার টাকা, শিক্ষা উপকরণ ক্রয় বাবত ৫হাজার টাকা বিলি বণ্টন না করে গত ১বছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এডভোকেট একেএম. শাহজালাল চৌধুরী অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের কথা স্বীকার করে বলেছেন, অতীতে যা হয়ে গেছে আগামীতে তা আর হতে দেওয়া হবে না। অভিযুক্ত এনজিও কর্মকর্তা ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং চলতি বছরে স্কুলগুলোকে আরো সংকুচিত করা হবে বলে জানান। এব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, আনন্দ স্কুলের অতীতের কার্যক্রমে অনেক অনিয়ম-দুনর্ীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি স্কুলের কার্যক্রম তদারকি করা হবে।
রিচিং আউট অফ স্কুল চিলড্রেন (রক্স) প্রকল্পের অধীনে পরিচালনাধীন উখিয়া উপজেলার ৫ইউনিয়নে এনজিও সংস্থা হেল্প কক্সবাজার, পালর্্স, টাঙ্গাইল বু্যরো ও ডিসিআরডিসি সহ ৫টি দায়িত্বরত এনজিও কর্মকর্তারা আনন্দ স্কুলের কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস, শিক্ষাথর্ীর প্রাপ্য উপবৃত্তি, পোষাক উপকরণ সহ স্কুল গৃহের ভাড়া পরিশোধ না করে গত ১বছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাত ও লুটপাট করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তৎমধ্যে দুনর্ীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার শীর্ষে রয়েছে এনজিও সংস্থা পালর্্স হেলপ কক্সবাজার। এসব এনজিওদের দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার
অভাবে সাড়ে ৪হাজার ঝরে পড়া শিক্ষাথর্ীর শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। অনিয়ম, দুনর্ীতির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতর্া মোহাম্মদ জবরুত খান বাদী হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানা যায়। সূত্র মতে হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষা বঞ্চিত ও প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার আগেই স্কুল থেকে ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ২০১০ সালে রক্স প্রকল্প চালু করলেও উখিয়া উপজেলায় উক্ত প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে। এতে রক্স প্রকল্প খাতে বরাদ্দ দেওয়া প্রায় কোটি টাকা সরকারের কোষাগারে ফেরৎ গেছে। শিক্ষার দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া এ উপজেলার হাজারো শিক্ষা বঞ্চিত শিশু, কিশোর-কিশোরী। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত রিচিং আউট অফ স্কুল চিলড্রেন (রক্স) প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণাধীন আনন্দ স্কুল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী এ উপজেলার ৫ইউনিয়নে তৃণমূল পযর্ায়ের যাচাই-বাছাই করে ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সের বিদ্যালয় বর্হিভূত ও ঝরে পড়া ৪হাজার ৬১৫ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ১৪৫টি আনন্দ স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০১১ সালে জানুয়ারী মাস থেকে। ২৫ থেকে ৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে চলমান এসব স্কুলে অধ্যয়নরত প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীর মাসিক ভাতা ৫০ টাকা, পোষাক বাবত ২শত টাকা এবং ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীর মাসিক ভাতা বাবত ৬০ টাকা এবং পোষাকের বাবত ২৫০ টাকা করে পরিশোধ করার বাধ্য বাধকতা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ইএসপি পরিশোধ না করে উক্ত সমুদয় টাকা পকেটস্থ করেছে এনজিও সংস্থাগুলোর সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা পরিচালকগণ। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের ছবি তোলা বাবদ জনপ্রতি ১শত টাকা, স্কুল ঘর ভাড়া ২হাজার টাকা, শিক্ষা উপকরণ ক্রয় বাবত ৫হাজার টাকা বিলি বণ্টন না করে গত ১বছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এডভোকেট একেএম. শাহজালাল চৌধুরী অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের কথা স্বীকার করে বলেছেন, অতীতে যা হয়ে গেছে আগামীতে তা আর হতে দেওয়া হবে না। অভিযুক্ত এনজিও কর্মকর্তা ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং চলতি বছরে স্কুলগুলোকে আরো সংকুচিত করা হবে বলে জানান। এব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, আনন্দ স্কুলের অতীতের কার্যক্রমে অনেক অনিয়ম-দুনর্ীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি স্কুলের কার্যক্রম তদারকি করা হবে।

0 Comments