জুয়েল চৌধুরী
প্রথম শ্রেণির মর্যাদা সম্পন্ন কক্সবাজার পৌরসভার প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ড কম বেশি উন্নত হলেও ভিআইপি এলাকা হিসেবে পরিচিত শহরের স্টেডিয়াম পাড়া এলাকাটিতে প্রায় সহস্রাধিক মানুষের বাস। নেই উন্নত
যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা, নর্দমা থাকলেও বর্তমানে তা ভরাট প্রায় খানা খন্দকে ভরপুর একমাত্র সড়কটি বর্তমানে অত্যনত্দ নাজুক। এই উপসড়কটি প্রথমে ৫ হাত প্রস্থের থাকলেও বর্তমানে এই রাসত্দাটির দু'পাশে দু'হাতের মত দখল হয়ে গেছে অবশিষ্ট অংশটি কোন রিক্সার চলাচল করতে পারে না।
উলেস্নখ থাকে যে, এলাকায় কোন মানুষ মারা গেলে একটি খাটিয়াও বহন করা যায় না। এলাকার সমাজ কমিটির সভাপতি শিৰাবিদ এস.বি চৌধুরী জানান, দৈবাৎ এলাকায় যদি কোন অগি্ন দূর্ঘটনা ঘটে তাহলে রাসত্দা প্রসস্থ না হওয়ার ফলে কোন অগি্ন নির্বাপনী গাড়ি ঢুকতে পারবে না যা হবে মারাত্মক ভয়াবহ জীবনঘাতীময়। সমাজ কমিটির সভাপতি চৌধুরী আরো জানান, এলাকার একমাত্র রাসত্দাটি বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাতেও রাসত্দার গাইড ওয়ালের উপর এলাকাবাসি বাড়ি ঘর নির্মাণের ফলে দিন দিন রাসত্দা অত্যনত্দ সরম্ন হয়ে পড়ছে। রাসত্দা থাকলেও তাতে বিদু্যৎ ছিনতাইকারীদের আড্ডায় পরিণত হয়। এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায়, এলাকায় নেই কোন ময়লা আবর্জনা ফেলার জায়গা, নেই কোন ডাস্টবিন। এলাকার একমাত্র নর্দমাটি ভরাট প্রায়। এলাকার সমাজ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু-ই-মাহবুব অরেঞ্জ বলেন এলাকার একমাত্র রাসত্দাটি তৈরি হয়েছিল প্রায় ১০ বছর পূর্বে এরপর এলাকার এই রাসত্দাটির কোন ধরনের সংস্কার হয়নি। এলাকার প্রবীন মহিলা আয়েশা খাতুন জানান, এই স্টেডিয়াম পাড়ার কোন বয়স্ক মহিলা বৃদ্ধা ভাত ও বয়স্ক ভাতা কোন সময় পায়নি। এমনকি বিগত দিনে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগেও এলাকায় কোন সরকারি বেসরকারি সাহায্য এলাকাবাসি পায়নি। এলাকার প্রবীণ মুরব্বী বলি মিয়া জানান, শুধুমাত্র ভোট আসলেই জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় আসেন তারপর আর খোঁজখবর নেননা। অবস্থার পরিপ্রেৰিতে এলাকার উন্নয়নে পৌর কতর্ৃপৰের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন।
প্রথম শ্রেণির মর্যাদা সম্পন্ন কক্সবাজার পৌরসভার প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ড কম বেশি উন্নত হলেও ভিআইপি এলাকা হিসেবে পরিচিত শহরের স্টেডিয়াম পাড়া এলাকাটিতে প্রায় সহস্রাধিক মানুষের বাস। নেই উন্নত
যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা, নর্দমা থাকলেও বর্তমানে তা ভরাট প্রায় খানা খন্দকে ভরপুর একমাত্র সড়কটি বর্তমানে অত্যনত্দ নাজুক। এই উপসড়কটি প্রথমে ৫ হাত প্রস্থের থাকলেও বর্তমানে এই রাসত্দাটির দু'পাশে দু'হাতের মত দখল হয়ে গেছে অবশিষ্ট অংশটি কোন রিক্সার চলাচল করতে পারে না।
উলেস্নখ থাকে যে, এলাকায় কোন মানুষ মারা গেলে একটি খাটিয়াও বহন করা যায় না। এলাকার সমাজ কমিটির সভাপতি শিৰাবিদ এস.বি চৌধুরী জানান, দৈবাৎ এলাকায় যদি কোন অগি্ন দূর্ঘটনা ঘটে তাহলে রাসত্দা প্রসস্থ না হওয়ার ফলে কোন অগি্ন নির্বাপনী গাড়ি ঢুকতে পারবে না যা হবে মারাত্মক ভয়াবহ জীবনঘাতীময়। সমাজ কমিটির সভাপতি চৌধুরী আরো জানান, এলাকার একমাত্র রাসত্দাটি বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাতেও রাসত্দার গাইড ওয়ালের উপর এলাকাবাসি বাড়ি ঘর নির্মাণের ফলে দিন দিন রাসত্দা অত্যনত্দ সরম্ন হয়ে পড়ছে। রাসত্দা থাকলেও তাতে বিদু্যৎ ছিনতাইকারীদের আড্ডায় পরিণত হয়। এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায়, এলাকায় নেই কোন ময়লা আবর্জনা ফেলার জায়গা, নেই কোন ডাস্টবিন। এলাকার একমাত্র নর্দমাটি ভরাট প্রায়। এলাকার সমাজ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু-ই-মাহবুব অরেঞ্জ বলেন এলাকার একমাত্র রাসত্দাটি তৈরি হয়েছিল প্রায় ১০ বছর পূর্বে এরপর এলাকার এই রাসত্দাটির কোন ধরনের সংস্কার হয়নি। এলাকার প্রবীন মহিলা আয়েশা খাতুন জানান, এই স্টেডিয়াম পাড়ার কোন বয়স্ক মহিলা বৃদ্ধা ভাত ও বয়স্ক ভাতা কোন সময় পায়নি। এমনকি বিগত দিনে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগেও এলাকায় কোন সরকারি বেসরকারি সাহায্য এলাকাবাসি পায়নি। এলাকার প্রবীণ মুরব্বী বলি মিয়া জানান, শুধুমাত্র ভোট আসলেই জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় আসেন তারপর আর খোঁজখবর নেননা। অবস্থার পরিপ্রেৰিতে এলাকার উন্নয়নে পৌর কতর্ৃপৰের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 Comments