মোবারক উদ্দিন নয়ন
স্থানীয় সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত দর্শনাথর্ী,ক্রেতা ও বিনোদন প্রত্যাশীদের উপস্থিতিতে দিনদিন জমজমাট হয়ে উঠছে কক্সবাজার পর্যটন গলফ মাঠে আয়োজিত বস্ত্র, হস্ত ও কুঠির শিল্প প্রর্দশনী-বিক্রয় মেলা। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কক্সবাজার জেলা ইউনিয়ন কমান্ড প্রথম বারের মতো এ মেলার আয়োজন করে। ১ জানুয়ারী বাংলাদেশ পর্যটন কপের্ারেশনের চেয়ারম্যান হেয়ায়েত উদ্দিন তালুকদার মাসব্যাপী মেলার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
সাগর পাড়ের পর্যটন গলফ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়া বস্ত্র, হস্ত কুঠির শিল্প প্রর্দশনী ও বিক্রয় মেলায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা অংশ নিচ্ছে। মেলায় হস্ত, কুটির ও মৃত শিল্পসহ বিভিন্ন প্রকারের বিক্রয় সামগ্রীর সাথে থাকতেন বিনোদন মুলক মৃতু্যকুপ, কারগেম, পুতুল নাচ, যাদু প্রর্দশনী, বৈশাখী নাগরদোলা ও শিশুদের বিনোদনে মিনি শিশু পার্ক সহ নানান রকম আনন্দ বিনোদন কেনা কাটার আয়োজন।
গতকাল মেলা ছিল জমজমাট। গত কয়েক দিন ধরে কানায় কানায় পূর্ণ ছিল মেলার ভিতর ও বাইরে। বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়নে ছিল ক্রেতা ও দর্শকদের ভিড়।
স্টলের কর্মচারীরা বলেন, মেলা শুরু হওয়ার পর শুক্রবার থেকে সবচেয়ে বেচাকেনা বেশি হয়েছে। মেলায় গৃহস্থালি, কসমেটিকস, জুয়েলারি, থ্রিপিস, মৃত শিল ও গৃহ সজ্জা সামগ্রী স্টলে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল বেশি।
মেলা পরির্দশন, প্রয়োজনীয় কেনা কাটা, আনন্দ উপভোগের জন্য দর্শনাথর্ীরা আসছে। প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মোক্ত থাকে এ মেলা প্রাঙ্গন।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আড়াই সহস্রাধিক ব্যবসায়ী স্টল দিয়ে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর সমন্বয়ে পসরা সাজিয়েছে। স্টলের মধ্যে চটপটি, টি ,জুতা সেন্ডেলের দোকান, ফুলের দোকান, মৃত শিল্প, রকমারী বস্ত্র, গৃহস্তালি সামগ্রী, হস্ত তৈরী গৃহ সজ্জা সামগ্রী ।
মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মোশারফ হোসেন দুলাল জানান, সুন্দর পরিবেশে অত্যন্ত সৃশৃংঙ্খলা ভাবে এ মেলা চলছে। সুষ্ঠুভাবে মেলা সম্পন্ন করতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
দর্শনাথর্ী আমিনুল ইসলাম মুকুল সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সপরিবারে মেলায় এসেছিলেন। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতিও ছিল বেশি।
গৃহস্থালী সামগ্রী ক্রেতা এক গৃহবধু জানান মেলায় সব কিছু পাওয়া যাচ্ছে। গৃহের সৌন্দর্য বর্ধনে অত্য স্বল্প মুল্যে গৃহসজ্জা সামগ্রি পাওয়ায় তিনি এখান অনেক গুলো মালক্রয় করেছেন।
ঢাকা থেকে আসা আইমন কবির জানান, সময়ের অভাবে খুব একটা বাইরে আসা হয় না। গতকাল স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মেলায় এসেছি। কিছু কেনাকাটাও আছে আবার মেলার ভিতর বিনোদনের মাধ্যমে সময়টাও সবার সাথে পার করতে পারলাম।
পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ব্যবসায়ী খায়রুল আমিন বলেছেন মেলা বেশ জমে উঠছে। সামনের দিন থেকে আরো জমবে। ব্যবসায়িরা ভাল বিক্রি করছে।
সোমবার সরেজমিন গিয়ে মেলায় প্রচুর সংখ্যক ক্রেতা ও দর্শকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। টিকিট বিক্রির কাউন্টারেও ছিল লম্বা লাইন। ১ জানুয়ারী শুরু থেকে মানুষের উপস্থিতি এতোদিন কম থাকলেও গতকাল ছিল জমজমাট। ফলে বিভিন্ন স্টলের কর্মকতর্া কর্মচারিরা ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন কাল। মেলার প্রধান ফটকও শৈলিক সৌন্দর্যে সাজানো হয়েছে। রং বেরং এর আলোক সজ্জায় করা হয়েছে মেলার অঙ্গন। মেলার প্রধান গেটে এক নিরাপত্তা রক্ষী বলেন, সকাল ১০টার পর থেকেই, মেলায় ক্রেতা-দর্শকদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দুপুরের পর উপস্থিতি আরো বাড়ে। এ অবস্থা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। মেলায় ক্রেতাদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শকদের উপস্থিতি ছিল বেশি। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলায় এসেছিলেন। মেলার ভিতর বিভিন্ন পানির ঝণর্া ও বিনোদন পার্কে ছিল উপচেপড়া ভিড়। বিনোদন কেন্দ্রে ছোট ছোট শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে অভিভাবকরা ব্যস্ত সময় পার করেছেন।
মায়ের সাথে মেলায় আসা শিশু আল আবরার আয়াত (৮) বলেন, মেলায় এসে তার ভাল লেগেছে। নাগরদোলায় চড়েছে। খেলনাও কিনে দিয়ে তার মা। সে মহা খুশি।
আইন শৃংঙ্খলা রক্ষার্থে সার্বক্ষনিক রয়েছে পরিচালনা কমিটি, পুলিশ ও আনসার বাহিনী। দর্শনাথর্ীদের নিরাপত্তার জন্য মেলার অভ্যন্তরে রয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুম। নামাজের জন্য মসজিদ ও টয়লেট।
স্থানীয় সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত দর্শনাথর্ী,ক্রেতা ও বিনোদন প্রত্যাশীদের উপস্থিতিতে দিনদিন জমজমাট হয়ে উঠছে কক্সবাজার পর্যটন গলফ মাঠে আয়োজিত বস্ত্র, হস্ত ও কুঠির শিল্প প্রর্দশনী-বিক্রয় মেলা। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কক্সবাজার জেলা ইউনিয়ন কমান্ড প্রথম বারের মতো এ মেলার আয়োজন করে। ১ জানুয়ারী বাংলাদেশ পর্যটন কপের্ারেশনের চেয়ারম্যান হেয়ায়েত উদ্দিন তালুকদার মাসব্যাপী মেলার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
সাগর পাড়ের পর্যটন গলফ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়া বস্ত্র, হস্ত কুঠির শিল্প প্রর্দশনী ও বিক্রয় মেলায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা অংশ নিচ্ছে। মেলায় হস্ত, কুটির ও মৃত শিল্পসহ বিভিন্ন প্রকারের বিক্রয় সামগ্রীর সাথে থাকতেন বিনোদন মুলক মৃতু্যকুপ, কারগেম, পুতুল নাচ, যাদু প্রর্দশনী, বৈশাখী নাগরদোলা ও শিশুদের বিনোদনে মিনি শিশু পার্ক সহ নানান রকম আনন্দ বিনোদন কেনা কাটার আয়োজন।
গতকাল মেলা ছিল জমজমাট। গত কয়েক দিন ধরে কানায় কানায় পূর্ণ ছিল মেলার ভিতর ও বাইরে। বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়নে ছিল ক্রেতা ও দর্শকদের ভিড়।
স্টলের কর্মচারীরা বলেন, মেলা শুরু হওয়ার পর শুক্রবার থেকে সবচেয়ে বেচাকেনা বেশি হয়েছে। মেলায় গৃহস্থালি, কসমেটিকস, জুয়েলারি, থ্রিপিস, মৃত শিল ও গৃহ সজ্জা সামগ্রী স্টলে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল বেশি।
মেলা পরির্দশন, প্রয়োজনীয় কেনা কাটা, আনন্দ উপভোগের জন্য দর্শনাথর্ীরা আসছে। প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মোক্ত থাকে এ মেলা প্রাঙ্গন।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আড়াই সহস্রাধিক ব্যবসায়ী স্টল দিয়ে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর সমন্বয়ে পসরা সাজিয়েছে। স্টলের মধ্যে চটপটি, টি ,জুতা সেন্ডেলের দোকান, ফুলের দোকান, মৃত শিল্প, রকমারী বস্ত্র, গৃহস্তালি সামগ্রী, হস্ত তৈরী গৃহ সজ্জা সামগ্রী ।
মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মোশারফ হোসেন দুলাল জানান, সুন্দর পরিবেশে অত্যন্ত সৃশৃংঙ্খলা ভাবে এ মেলা চলছে। সুষ্ঠুভাবে মেলা সম্পন্ন করতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
দর্শনাথর্ী আমিনুল ইসলাম মুকুল সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সপরিবারে মেলায় এসেছিলেন। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতিও ছিল বেশি।
গৃহস্থালী সামগ্রী ক্রেতা এক গৃহবধু জানান মেলায় সব কিছু পাওয়া যাচ্ছে। গৃহের সৌন্দর্য বর্ধনে অত্য স্বল্প মুল্যে গৃহসজ্জা সামগ্রি পাওয়ায় তিনি এখান অনেক গুলো মালক্রয় করেছেন।
ঢাকা থেকে আসা আইমন কবির জানান, সময়ের অভাবে খুব একটা বাইরে আসা হয় না। গতকাল স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মেলায় এসেছি। কিছু কেনাকাটাও আছে আবার মেলার ভিতর বিনোদনের মাধ্যমে সময়টাও সবার সাথে পার করতে পারলাম।
পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ব্যবসায়ী খায়রুল আমিন বলেছেন মেলা বেশ জমে উঠছে। সামনের দিন থেকে আরো জমবে। ব্যবসায়িরা ভাল বিক্রি করছে।
সোমবার সরেজমিন গিয়ে মেলায় প্রচুর সংখ্যক ক্রেতা ও দর্শকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। টিকিট বিক্রির কাউন্টারেও ছিল লম্বা লাইন। ১ জানুয়ারী শুরু থেকে মানুষের উপস্থিতি এতোদিন কম থাকলেও গতকাল ছিল জমজমাট। ফলে বিভিন্ন স্টলের কর্মকতর্া কর্মচারিরা ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন কাল। মেলার প্রধান ফটকও শৈলিক সৌন্দর্যে সাজানো হয়েছে। রং বেরং এর আলোক সজ্জায় করা হয়েছে মেলার অঙ্গন। মেলার প্রধান গেটে এক নিরাপত্তা রক্ষী বলেন, সকাল ১০টার পর থেকেই, মেলায় ক্রেতা-দর্শকদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দুপুরের পর উপস্থিতি আরো বাড়ে। এ অবস্থা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। মেলায় ক্রেতাদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শকদের উপস্থিতি ছিল বেশি। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলায় এসেছিলেন। মেলার ভিতর বিভিন্ন পানির ঝণর্া ও বিনোদন পার্কে ছিল উপচেপড়া ভিড়। বিনোদন কেন্দ্রে ছোট ছোট শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে অভিভাবকরা ব্যস্ত সময় পার করেছেন।
মায়ের সাথে মেলায় আসা শিশু আল আবরার আয়াত (৮) বলেন, মেলায় এসে তার ভাল লেগেছে। নাগরদোলায় চড়েছে। খেলনাও কিনে দিয়ে তার মা। সে মহা খুশি।
আইন শৃংঙ্খলা রক্ষার্থে সার্বক্ষনিক রয়েছে পরিচালনা কমিটি, পুলিশ ও আনসার বাহিনী। দর্শনাথর্ীদের নিরাপত্তার জন্য মেলার অভ্যন্তরে রয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুম। নামাজের জন্য মসজিদ ও টয়লেট।

0 Comments