Advertisement

মাদকের করাল গ্রাসে জেলার যুবসমাজ

মোঃ কুতুব উদ্দিন
পর্যটন নগরী খ্যাত কক্সবাজার জেলা। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের অবস্থান এখানে হওয়াতে বিভিন্ন প্রানত্দ থেকে এখানে ছুটে আসে নানা বেশের মানুষ। স্থানীয় যুব সমাজের মাঝে আবচরনের আমূল পরিবর্তন। জেলায় মাদকের ছড়াছড়ির কারণে অধিকাংশ মাদকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। যা চলতে থাকলে অচিরেই মাদকের করাল গ্রাসে তলিয়ে যাবে জেলার যুব সমাজ। 

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কক্সবাজারের বিভিন্ন স্পটে মাদকসেবীর মধ্যে যুবকের সংখ্যা অধিক লৰ করা যায়। এ সকল উঠতি বয়সি যুবকরা মাদকের টাকা যোগান দিতে জড়িয়ে পড়ছে নানা রকম অপকর্মে। অভিভাবকেরা তাদের সনত্দানের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের ভাষ্য হল অধিকাংশ যুবকের মাঝে মাদক গ্রহণের ফলে আচরণগত সমস্যা লৰ করা যায়। তারা বিনা বা অল্প কারণে রেগে যায়, ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। নেশাগ্রস্থ যুবকরা প্রতিদিনের নেশার টাকা যোগাড় করতে গিয়ে ছিনতাই, চুরিসহ নানা রকম অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। সীমানত্দ উপজেলা টেকনাফ হওয়াতে স্রোতের মত মাদক জেলায় প্রবেশ করছে। বিশ্বস্থ সুত্র জানায়, মাদক পাচারের ছোট ছোট চালান ধরা পড়লেও বড় চালানগুলো সহজেই পাচার হয়ে যাচ্ছে। তার ছোট চালানগুলোকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে বলে জানা যায়। তারা বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে অল্প মাদক পাচারের থাকলে তা আটক হয়, কিন্তু একই গাড়িতে থাকা বিশাল মাদক চালানগুলো সহজেই শহরে প্রবেশ করছে। জেলার সুশীল সমাজের মতে, মাদকের সহজলভ্যতার কারণে জেলার যুবকরা মাদকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। সমাজের কিছু মানুষ যারা সবসময় অসৎ উপায়ে অধিক পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে চায় তারা অল্পদামেই মাদক তুলে দিচ্ছে যুব সমাজের কাছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের মতে, আইন শৃঙ্খলা প্রয়োগকার বাহিনী যতই মাদকের চালান আটক করম্নক না কেন যদি মাদক বিক্রয় স্পটগুলোর মুল উৎপাদন করা না যায় তবে যুব সমাজকে এই করাল গ্রাস থেৰে রৰা করা সম্ভব নয়।
প্রসঙ্গত বিগত কয়েক বছর ধরে মরণনেশা ইয়াবা দ্রম্নত গতিতে জেলায় প্রবেশ করায় মাদক সেবীরা নতুন উদ্যমে এটি গ্রহণ করা শুরম্ন করে। এই মাদকের কারণে অনেক পরিবার হারাচ্ছে তাদের আদরের সনত্দানকে। চুর্ণ হচ্ছে তাদের যুগ যুগ ধরে দেখা লালিত স্বপ্ন। এমতাবস্থায়, জেলার সর্বসত্দরের জনতার দাবি, প্রশাসনের উচ্চসত্দর থেকে সমস্যার মুল কেন্দ্র বিন্দু নির্ধারণ করে তার যথাযথ ব্যবসা গ্রহণ করলে যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখা যাবে।

Post a Comment

0 Comments